ঢাকা , শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী ভারি বর্ষণ নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ১৩৩ বই পরিমার্জন, আসছে চার নতুন বই গ্রামাঞ্চলেও সমান গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রামে পানিবন্দি সাড়ে ৪ লাখ মানুষ, তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে ইয়ামাল বললেন, ফ্রান্স যদি কাউকে ভয় পায় সেটা স্পেন নিজেই গাড়ি চালিয়ে স্ত্রীর ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী ইমাম-খতিবদের উদ্দেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সতর্কবার্তা অনেকে নিরুৎসাহিত করলেও হাল ছাড়েননি হামিদুল্লাহ, বিক্রি প্রায় ২ লাখ বিয়ের অনুমতি নিতেই মোটা টাকা খরচ টেইলর সুইফটের

প্রতিটি জেলাতেই অন্তত একটি বিশ্ববিদ্যালয় : প্রধানমন্ত্রী

দেশের প্রতিটি জেলাতেই অন্তত একটি বিশ্ববিদ্যালয় যেন হয় সে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয় হয় সরকারি, না হয় বেসরকারি হবে। তবে, অবশ্যই এটা মানসম্পন্ন হতে হবে। আমরা সেভাবেই পদক্ষেপ নিচ্ছি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার তার তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) প্রদত্ত ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক-২০১৩ ও ২০১৪’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বেসরকারিভাবে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য যারা অনুমতি চাইতে আসেন, তখন আমি নিজেই এক একটি জেলা নির্দিষ্ট করে দিচ্ছি কোথায় বিশ্ববিদ্যালয় করতে হবে। আমাদের ছেলে-মেয়েরা যেন ঘরে খেয়ে বাবা-মার সঙ্গে থেকে উচ্চশিক্ষা লাভ করতে পারে তার ব্যবস্থাও আমরা করে দিচ্ছি। এছাড়া প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কলেজ স্থাপন বা পুরনো যে কলেজগুলো


আছে সেগুলি সরকারিকরণ করে দিচ্ছি। এভাবে এ পর্যন্ত ৩৬৫টি কলেজ আমরা সরকারিকরণ করেছি।

আইনের যথাযথ প্রয়োগ ঘটিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তার সরকার দেশের উচ্চশিক্ষার প্রসারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ‘ইতোমধ্যে আমরা ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০’ করে দিয়েছি, এই আইন যাতে যথাযথ প্রয়োগ হয়, সেদিকে সকলের নজর দিতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যথাযথ মনিটরিং করতে ‘বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আইন-১৯৭৩’ সংশোধন করার কাজ চলছে। তিনি বলেন, ‘আসলে মঞ্জুরি কমিশন যে অবস্থায় আছে তা দিয়ে ১৩৭টি বিশ্ববিদ্যালয়কে নজরদারিতে রাখা সম্ভব নয়।’

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। ইউজিসি’র সদস্য অধ্যাপক দিল আফরোজা বেগম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক প্রাপ্তদের পক্ষ থেকে জেনিফার হাকিম লুপিন এবং স্বজন রহমান তাদের নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে দেশের সকল প্রাইভেট ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শীর্ষস্থান অধিকার করা কৃতি ২৩৩ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ইউজিসি পদত্ত প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে ৫৬ জনের হাতে পদক তুলে দেন।
মন্ত্রিপরিষদ সদস্যগণ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্ঠাগণ, সরকারি পদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবৃন্দ, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি বৃন্দ এবং স্বর্ণজয়ী শিক্ষাথীবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

প্রতিটি জেলাতেই অন্তত একটি বিশ্ববিদ্যালয় : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মার্চ ২০১৭

দেশের প্রতিটি জেলাতেই অন্তত একটি বিশ্ববিদ্যালয় যেন হয় সে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয় হয় সরকারি, না হয় বেসরকারি হবে। তবে, অবশ্যই এটা মানসম্পন্ন হতে হবে। আমরা সেভাবেই পদক্ষেপ নিচ্ছি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার তার তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) প্রদত্ত ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক-২০১৩ ও ২০১৪’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বেসরকারিভাবে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য যারা অনুমতি চাইতে আসেন, তখন আমি নিজেই এক একটি জেলা নির্দিষ্ট করে দিচ্ছি কোথায় বিশ্ববিদ্যালয় করতে হবে। আমাদের ছেলে-মেয়েরা যেন ঘরে খেয়ে বাবা-মার সঙ্গে থেকে উচ্চশিক্ষা লাভ করতে পারে তার ব্যবস্থাও আমরা করে দিচ্ছি। এছাড়া প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কলেজ স্থাপন বা পুরনো যে কলেজগুলো


আছে সেগুলি সরকারিকরণ করে দিচ্ছি। এভাবে এ পর্যন্ত ৩৬৫টি কলেজ আমরা সরকারিকরণ করেছি।

আইনের যথাযথ প্রয়োগ ঘটিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তার সরকার দেশের উচ্চশিক্ষার প্রসারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ‘ইতোমধ্যে আমরা ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০’ করে দিয়েছি, এই আইন যাতে যথাযথ প্রয়োগ হয়, সেদিকে সকলের নজর দিতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যথাযথ মনিটরিং করতে ‘বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আইন-১৯৭৩’ সংশোধন করার কাজ চলছে। তিনি বলেন, ‘আসলে মঞ্জুরি কমিশন যে অবস্থায় আছে তা দিয়ে ১৩৭টি বিশ্ববিদ্যালয়কে নজরদারিতে রাখা সম্ভব নয়।’

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। ইউজিসি’র সদস্য অধ্যাপক দিল আফরোজা বেগম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক প্রাপ্তদের পক্ষ থেকে জেনিফার হাকিম লুপিন এবং স্বজন রহমান তাদের নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে দেশের সকল প্রাইভেট ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শীর্ষস্থান অধিকার করা কৃতি ২৩৩ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ইউজিসি পদত্ত প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে ৫৬ জনের হাতে পদক তুলে দেন।
মন্ত্রিপরিষদ সদস্যগণ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্ঠাগণ, সরকারি পদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবৃন্দ, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি বৃন্দ এবং স্বর্ণজয়ী শিক্ষাথীবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।