ঢাকা , সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু করার ব্যাপারে প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সব বিষয়েই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে পূর্ণ নম্বর কমতে পারে। সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটি বাদ দিয়ে পরীক্ষা শুরুর পর থেকে প্রতিদিন পরীক্ষা চলবে।

সূত্র জানায়, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আয়োজনে দুটি বিকল্প সামনে রাখা হয়েছে। একটি হচ্ছে, প্রতি বিষয়ে ৫০ শতাংশ নম্বর কমানো। সেক্ষেত্রে যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক নেই সেগুলোতে এমসিকিউ এবং সৃজনশীল উভয় অংশের পূর্ণমাণ থেকে ৫০ শতাংশ করে কমানোর চিন্তা আছে। আর যেগুলোতে ব্যবহারিক আছে সেগুলোতে ব্যবহারিক নম্বর ঠিক রেখে অবশিষ্ট অংশের (এমসিকিউ ও সৃজনশীল) নম্বর সমন্বয় করে পূর্ণ নম্বর ৫০ শতাংশ কমানো হবে।

অপর প্রস্তাবে কেবল এমসিকিউ কিংবা সৃজনশীল অংশের যে কোনো একটির পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি আছে। এ ক্ষেত্রেও ব্যবহারিকের নম্বর ঠিক রেখে বাকি অংশের ওপর নম্বর সমন্বয়ের চিন্তা আছে। আর করোনা পরিস্থিতির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে নিজ নিজ কলেজকে ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়ার অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাবও আছে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় যেই প্রস্তাব গ্রহণ করবে সেটি বাস্তবায়ন করবে বোর্ডগুলো।

প্রতি বেঞ্চে একজন করে শিক্ষার্থী বসিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এক বেঞ্চে এক জন শিক্ষার্থীকে যে পাশে বসানো হবে, পরের বেঞ্চের শিক্ষার্থীকে অপর পাশে বসানো হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের ঢোকানো হবে ও বের করা হবে।

১১ শিক্ষা বোর্ড প্রায় ২ হাজার ৫০০ কেন্দ্রে পরীক্ষা গ্রহণের প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু এখন এক জন করে শিক্ষার্থী প্রতি বেঞ্চে বসিয়ে পরীক্ষা নিতে হলে প্রায় ৫ হাজার কেন্দ্রের প্রয়োজন হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি

আপডেট টাইম : ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২০

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু করার ব্যাপারে প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সব বিষয়েই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে পূর্ণ নম্বর কমতে পারে। সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটি বাদ দিয়ে পরীক্ষা শুরুর পর থেকে প্রতিদিন পরীক্ষা চলবে।

সূত্র জানায়, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আয়োজনে দুটি বিকল্প সামনে রাখা হয়েছে। একটি হচ্ছে, প্রতি বিষয়ে ৫০ শতাংশ নম্বর কমানো। সেক্ষেত্রে যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক নেই সেগুলোতে এমসিকিউ এবং সৃজনশীল উভয় অংশের পূর্ণমাণ থেকে ৫০ শতাংশ করে কমানোর চিন্তা আছে। আর যেগুলোতে ব্যবহারিক আছে সেগুলোতে ব্যবহারিক নম্বর ঠিক রেখে অবশিষ্ট অংশের (এমসিকিউ ও সৃজনশীল) নম্বর সমন্বয় করে পূর্ণ নম্বর ৫০ শতাংশ কমানো হবে।

অপর প্রস্তাবে কেবল এমসিকিউ কিংবা সৃজনশীল অংশের যে কোনো একটির পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি আছে। এ ক্ষেত্রেও ব্যবহারিকের নম্বর ঠিক রেখে বাকি অংশের ওপর নম্বর সমন্বয়ের চিন্তা আছে। আর করোনা পরিস্থিতির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে নিজ নিজ কলেজকে ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়ার অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাবও আছে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় যেই প্রস্তাব গ্রহণ করবে সেটি বাস্তবায়ন করবে বোর্ডগুলো।

প্রতি বেঞ্চে একজন করে শিক্ষার্থী বসিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এক বেঞ্চে এক জন শিক্ষার্থীকে যে পাশে বসানো হবে, পরের বেঞ্চের শিক্ষার্থীকে অপর পাশে বসানো হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের ঢোকানো হবে ও বের করা হবে।

১১ শিক্ষা বোর্ড প্রায় ২ হাজার ৫০০ কেন্দ্রে পরীক্ষা গ্রহণের প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু এখন এক জন করে শিক্ষার্থী প্রতি বেঞ্চে বসিয়ে পরীক্ষা নিতে হলে প্রায় ৫ হাজার কেন্দ্রের প্রয়োজন হবে।