ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরবরাহ নিশ্চিতে এক লাখ ১০ হাজার টন সার আমদানির অনুমোদন সেচকাজে ডিজেলচালিত পাম্পের পরিবর্তে সৌর বিদ্যুৎচালিত পাম্প দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী আত্মঘাতী হয়ে উঠছে মানুষ জামায়াতের লং মার্চের দাবি আর সংসদের বক্তব্য দ্বিমুখী : চরমোনাই পীর ইসরায়েলের সাথে যুক্তরাজ্যের সামরিক সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি লেবার নেতা করবিনের ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ব্যালন ডি’অর: সুযোগ থাকলে মেসিকে ১০০ বার ভোট দিতেন জিদান রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ নয় শারীরিক অবস্থার অবনতি, লাইফ সাপোর্টে মেঘমল্লার বসু পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

আকাশে দেখা যাবে বিশেষ পূর্ণিমা, যে কারণে এটাকে বলা হয় ব্লু মুন

রবিবার বাংলাদেশের আকাশে দেখা মিলবে ‘ব্লু মুন’ বা বিশেষ পূর্ণিমার। চলতি মাসের ১ মে একটি পূর্ণিমা হয়েছিল। আজ একই মাসে দ্বিতীয়বার পূর্ণিমা হচ্ছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় এ ধরনের পূর্ণিমাকে ‘ব্লু মুন’ বলা হয়। তবে ‘ব্লু মুন’ নামের সঙ্গে চাঁদের রঙের কোনো সম্পর্ক নেই। চাঁদ নীল রঙের দেখাবে না। এটি শুধু একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পরিভাষা।

সাধারণত প্রতি মাসে একটি করে পূর্ণিমা হয়। কিন্তু চাঁদের কক্ষপথের চক্র এবং আমাদের প্রচলিত ক্যালেন্ডারের সময়ের হিসাব পুরোপুরি এক নয়। এ কারণে কয়েক বছর পরপর একই মাসে দুটি পূর্ণিমা দেখা যায়।

চাঁদের ১২টি পূর্ণ চক্রের সময়কাল একটি সাধারণ বছরের তুলনায় প্রায় ১১ দিন কম। এই পার্থক্য জমতে জমতে একসময় অতিরিক্ত একটি পূর্ণিমা যুক্ত হয়। ফলে কোনো কোনো বছরে ১২টির পরিবর্তে ১৩টি পূর্ণিমা দেখা যায়। এ বছরের অতিরিক্ত পূর্ণিমাটিই ব্লু মুন।

বছরের বিভিন্ন পূর্ণিমার আলাদা নামও রয়েছে। যেমন ফেব্রুয়ারির পূর্ণিমাকে বলা হয় ‘স্নো মুন’, জুনের পূর্ণিমাকে ‘স্ট্রবেরি মুন’ এবং ডিসেম্বরের পূর্ণিমাকে ‘কোল্ড মুন’।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার রাতে ব্লু মুন পূর্ব আকাশে উদিত হবে। এটি সাধারণ পূর্ণিমার তুলনায় দিগন্তের কিছুটা কাছাকাছি অবস্থানে দেখা যেতে পারে। আকাশে চাঁদটি ‘ভার্গো’ নক্ষত্রমণ্ডলের ডান পাশে অবস্থান করবে। আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই এই বিরল পূর্ণিমা উপভোগ করা যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সরবরাহ নিশ্চিতে এক লাখ ১০ হাজার টন সার আমদানির অনুমোদন

আকাশে দেখা যাবে বিশেষ পূর্ণিমা, যে কারণে এটাকে বলা হয় ব্লু মুন

আপডেট টাইম : ০৪:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

রবিবার বাংলাদেশের আকাশে দেখা মিলবে ‘ব্লু মুন’ বা বিশেষ পূর্ণিমার। চলতি মাসের ১ মে একটি পূর্ণিমা হয়েছিল। আজ একই মাসে দ্বিতীয়বার পূর্ণিমা হচ্ছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় এ ধরনের পূর্ণিমাকে ‘ব্লু মুন’ বলা হয়। তবে ‘ব্লু মুন’ নামের সঙ্গে চাঁদের রঙের কোনো সম্পর্ক নেই। চাঁদ নীল রঙের দেখাবে না। এটি শুধু একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পরিভাষা।

সাধারণত প্রতি মাসে একটি করে পূর্ণিমা হয়। কিন্তু চাঁদের কক্ষপথের চক্র এবং আমাদের প্রচলিত ক্যালেন্ডারের সময়ের হিসাব পুরোপুরি এক নয়। এ কারণে কয়েক বছর পরপর একই মাসে দুটি পূর্ণিমা দেখা যায়।

চাঁদের ১২টি পূর্ণ চক্রের সময়কাল একটি সাধারণ বছরের তুলনায় প্রায় ১১ দিন কম। এই পার্থক্য জমতে জমতে একসময় অতিরিক্ত একটি পূর্ণিমা যুক্ত হয়। ফলে কোনো কোনো বছরে ১২টির পরিবর্তে ১৩টি পূর্ণিমা দেখা যায়। এ বছরের অতিরিক্ত পূর্ণিমাটিই ব্লু মুন।

বছরের বিভিন্ন পূর্ণিমার আলাদা নামও রয়েছে। যেমন ফেব্রুয়ারির পূর্ণিমাকে বলা হয় ‘স্নো মুন’, জুনের পূর্ণিমাকে ‘স্ট্রবেরি মুন’ এবং ডিসেম্বরের পূর্ণিমাকে ‘কোল্ড মুন’।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার রাতে ব্লু মুন পূর্ব আকাশে উদিত হবে। এটি সাধারণ পূর্ণিমার তুলনায় দিগন্তের কিছুটা কাছাকাছি অবস্থানে দেখা যেতে পারে। আকাশে চাঁদটি ‘ভার্গো’ নক্ষত্রমণ্ডলের ডান পাশে অবস্থান করবে। আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই এই বিরল পূর্ণিমা উপভোগ করা যাবে।