ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজার মামলা জট, ঝুলে আছে হাজারো নিয়োগ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান ইরান চুক্তিতে অসন্তোষ ইসরায়েলের, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতির ভঙ্গের অভিযোগ একটি আদর্শ সমাজ গঠনে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভূমিকা অপরিসীম : আমানউল্লাহ আমান চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চালু হচ্ছে দু’টি করে নতুন বিষয় : মাহদী আমিন দেশে ২৩ লাখ হেক্টর বনভূমি রয়েছে : সংসদে পরিবেশমন্ত্রী বিশ্বের সর্বোচ্চ মিনার বিশিষ্ট মসজিদ ‘জামিউল জাজাইর’

আড়াই বছর পর চেয়ারে বসলেন মেয়র মান্নান

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ  অবশেষে দুই বছর চার মাস পর গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র এমএ মান্নান মেয়রের চেয়ারে বসেছেন। সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে রোববার দুপুরে তিনি নগর ভবনে গিয়ে তার নিজ দপ্তরের মেয়রের চেয়ারে বসেন।

এ সময় মেয়র এম এ মান্নান এক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের বলেন, বার বার আমাকে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে আজকে এখানে বসতে পেরেছি। পুনরায় গাজীপুর মহানগরের মানুষের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে যে সব কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা দরকার, সে কাজগুলোই তিনি করবেন।

এর আগে এম এ মান্নান নগর ভবনে আসবেন এ খবরে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বিএনপি পন্থী কাউন্সিলরগণ নগর ভবনের সামনে এসে উপস্থিত হন। অধ্যাপক মান্নান নগর ভবনের প্রধান ফটকের সামনে মাইক্রোবাস থেকে নামার পর দলীয় নেতা-কর্মী, কাউন্সিলরগণ এবং সিটি করপোরেশনের কর্মচারীরা তাকে ফুল ছিটিয়ে স্বাগত জানান।

পরে তিনি দোতলায় তার নিজ দপ্তরে যান এবং মেয়রের চেয়ারে বসেন। এর আগে মেয়র তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এক মামলায় গাজীপুর আদালতে হাজিরা দেন।

উল্লেখ্য, যাত্রীবাহী বাসে পেট্রোল বোমা হামলার মামলায় ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মেয়র মান্নানকে ঢাকার বারিধারার বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক অভিযোগপত্র গৃহীত হলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। গ্রেপ্তারের পর থেকে ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন প্যানেল মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ।

২০১৬ সালের ২ মার্চ অধ্যাপক মান্নান জামিনে মুক্তি পান। পরে ওই বছরের ১৫ এপ্রিল রাতে তাকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ৩০টি মামলায় জামিন লাভের পর ২০১৭ সালের ৬ জানুয়ারি মুক্তি পান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের

আড়াই বছর পর চেয়ারে বসলেন মেয়র মান্নান

আপডেট টাইম : ০৬:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জুন ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ  অবশেষে দুই বছর চার মাস পর গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র এমএ মান্নান মেয়রের চেয়ারে বসেছেন। সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে রোববার দুপুরে তিনি নগর ভবনে গিয়ে তার নিজ দপ্তরের মেয়রের চেয়ারে বসেন।

এ সময় মেয়র এম এ মান্নান এক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের বলেন, বার বার আমাকে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে আজকে এখানে বসতে পেরেছি। পুনরায় গাজীপুর মহানগরের মানুষের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে যে সব কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা দরকার, সে কাজগুলোই তিনি করবেন।

এর আগে এম এ মান্নান নগর ভবনে আসবেন এ খবরে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বিএনপি পন্থী কাউন্সিলরগণ নগর ভবনের সামনে এসে উপস্থিত হন। অধ্যাপক মান্নান নগর ভবনের প্রধান ফটকের সামনে মাইক্রোবাস থেকে নামার পর দলীয় নেতা-কর্মী, কাউন্সিলরগণ এবং সিটি করপোরেশনের কর্মচারীরা তাকে ফুল ছিটিয়ে স্বাগত জানান।

পরে তিনি দোতলায় তার নিজ দপ্তরে যান এবং মেয়রের চেয়ারে বসেন। এর আগে মেয়র তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এক মামলায় গাজীপুর আদালতে হাজিরা দেন।

উল্লেখ্য, যাত্রীবাহী বাসে পেট্রোল বোমা হামলার মামলায় ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মেয়র মান্নানকে ঢাকার বারিধারার বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক অভিযোগপত্র গৃহীত হলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। গ্রেপ্তারের পর থেকে ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন প্যানেল মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ।

২০১৬ সালের ২ মার্চ অধ্যাপক মান্নান জামিনে মুক্তি পান। পরে ওই বছরের ১৫ এপ্রিল রাতে তাকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ৩০টি মামলায় জামিন লাভের পর ২০১৭ সালের ৬ জানুয়ারি মুক্তি পান তিনি।