ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী ভারি বর্ষণ নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ১৩৩ বই পরিমার্জন, আসছে চার নতুন বই গ্রামাঞ্চলেও সমান গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রামে পানিবন্দি সাড়ে ৪ লাখ মানুষ, তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে ইয়ামাল বললেন, ফ্রান্স যদি কাউকে ভয় পায় সেটা স্পেন নিজেই গাড়ি চালিয়ে স্ত্রীর ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী ইমাম-খতিবদের উদ্দেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সতর্কবার্তা অনেকে নিরুৎসাহিত করলেও হাল ছাড়েননি হামিদুল্লাহ, বিক্রি প্রায় ২ লাখ বিয়ের অনুমতি নিতেই মোটা টাকা খরচ টেইলর সুইফটের

সারা বিশ্বই আজ বিষণ্নতায় ভুগছে

 সোহেল আহসানঃ  আজ মে দিবস। দিনটির তাৎপর্য নিয়ে কী বলবেন?

** এবারের মে দিবস এমন একটি সময়ে এসেছে সারা বিশ্ব যখন বিষণ্নতায় ভুগছে। তারপরও মহান মে দিবস যেহেতু শ্রমিকের মজুরির অধিকারের কথা বলে, বিশ্বব্যাপী শ্রমিক শ্রেণি অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সংহতি প্রকাশ করে, তাই দিনটি আমার কাছেও একটি মানবিক পৃথিবী গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আসে। মেহনতি মানুষের কাছে এ দিনের গুরুত্ব অনেক বেশি।

* আজকের দিনটি কীভাবে উদযাপন করবেন?

** করোনাভাইরাসের কারণে গত বছরও আমরা পরিকল্পনা মোতাবেক কোনো অনুষ্ঠান করতে পারিনি। এবার বাংলাদেশ গণসংগীত সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে দিনটি উদযাপন করছি। ভার্চুয়ালি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অনেকেই গান করবেন। আমি চ্যানেল আইয়ের তারকা কথন অনুষ্ঠানটিতে সরাসরি উপস্থিত থাকব।

* একুশ শতকের এ পর্যায়ে এসে শ্রমজীবী মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন কতটুকু হয়েছে?

** শ্রমিকরা তাদের যে ন্যায্য অধিকারের জন্য সংগ্রাম করেছিল সেটির কিছুটা তো উন্নতি হয়েছেই। তবে শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিয়ে বৈষম্য চলছেই। এ ছাড়া শিশুশ্রম এখনো বন্ধ করা যায়নি। নারী শ্রমিকরাও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে কাজ করছেন। তাতে দেখা যাচ্ছে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়নি। ট্রেড ইউনিয়ন করার স্বাধীনতা এখন দেওয়া হয়নি এবং ন্যায্য মজুরিও দেওয়া হচ্ছে না।

* গণসংগীতশিল্পী হিসাবে নিজেকে সফল মনে করেন?

** আমি মনে করি সংগীতের অনেক শাখাই আছে। কিন্তু অন্য সব রেখে আমি গণসংগীতকে বেছে নিয়েছি মানুষের কল্যাণের জন্য। এ ছাড়া শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের সঙ্গে শামিল হওয়ার জন্যই গণসংগীতে ঝুঁকেছি। এ অধিকার আদায়ের কথা অন্য কোনো সংগীতের মাধ্যমে করতে পারতাম না। মানুষ নানা প্রতিকূলতায় বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এ ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ের নামই হলো গণসংগীত। আমি মনে করি অধিকার আদায়ের সংগ্রাম যতদিন থাকবে, যতদিন শোষণ বঞ্চনা থাকবে ততদিনই লড়াইয়ের মাঠে গণসংগীত থাকবে। আমি পঞ্চাশ বছরের অধিককাল গণসংগীত নিয়ে কাজ করছি। এর জন্য রাস্ট্রীয়সহ বেসরকারি পর্যায় থেকেও স্বীকৃতি সম্মাননা পেয়েছি। সেই দিক আমি নিজেকে সফল মনে করি।

* গান নিয়ে আপনার ব্যস্ততা এখন কেমন?

** ‘মানুষ’, ‘চলো মজদুর’ এবং ‘বাঁচব বাঁচব রে আমরা’ শিরোনামের তিনটি নতুন গান মে দিবস উপলক্ষ্যে প্রকাশ হয়েছে। এ ছাড়া সাড়া জাগানো বিভিন্ন ব্যক্তিত্বদের নিয়েও কাজ করছি। এসব গানের রেকর্ডিং চলছে এখন। নতুন একাধিক গানের পরিকল্পনাও আছে। পর্যায়ক্রমে সেগুলোও রেকর্ড করব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

সারা বিশ্বই আজ বিষণ্নতায় ভুগছে

আপডেট টাইম : ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ মে ২০২১

 সোহেল আহসানঃ  আজ মে দিবস। দিনটির তাৎপর্য নিয়ে কী বলবেন?

** এবারের মে দিবস এমন একটি সময়ে এসেছে সারা বিশ্ব যখন বিষণ্নতায় ভুগছে। তারপরও মহান মে দিবস যেহেতু শ্রমিকের মজুরির অধিকারের কথা বলে, বিশ্বব্যাপী শ্রমিক শ্রেণি অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সংহতি প্রকাশ করে, তাই দিনটি আমার কাছেও একটি মানবিক পৃথিবী গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আসে। মেহনতি মানুষের কাছে এ দিনের গুরুত্ব অনেক বেশি।

* আজকের দিনটি কীভাবে উদযাপন করবেন?

** করোনাভাইরাসের কারণে গত বছরও আমরা পরিকল্পনা মোতাবেক কোনো অনুষ্ঠান করতে পারিনি। এবার বাংলাদেশ গণসংগীত সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে দিনটি উদযাপন করছি। ভার্চুয়ালি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অনেকেই গান করবেন। আমি চ্যানেল আইয়ের তারকা কথন অনুষ্ঠানটিতে সরাসরি উপস্থিত থাকব।

* একুশ শতকের এ পর্যায়ে এসে শ্রমজীবী মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন কতটুকু হয়েছে?

** শ্রমিকরা তাদের যে ন্যায্য অধিকারের জন্য সংগ্রাম করেছিল সেটির কিছুটা তো উন্নতি হয়েছেই। তবে শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিয়ে বৈষম্য চলছেই। এ ছাড়া শিশুশ্রম এখনো বন্ধ করা যায়নি। নারী শ্রমিকরাও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে কাজ করছেন। তাতে দেখা যাচ্ছে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়নি। ট্রেড ইউনিয়ন করার স্বাধীনতা এখন দেওয়া হয়নি এবং ন্যায্য মজুরিও দেওয়া হচ্ছে না।

* গণসংগীতশিল্পী হিসাবে নিজেকে সফল মনে করেন?

** আমি মনে করি সংগীতের অনেক শাখাই আছে। কিন্তু অন্য সব রেখে আমি গণসংগীতকে বেছে নিয়েছি মানুষের কল্যাণের জন্য। এ ছাড়া শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের সঙ্গে শামিল হওয়ার জন্যই গণসংগীতে ঝুঁকেছি। এ অধিকার আদায়ের কথা অন্য কোনো সংগীতের মাধ্যমে করতে পারতাম না। মানুষ নানা প্রতিকূলতায় বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এ ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ের নামই হলো গণসংগীত। আমি মনে করি অধিকার আদায়ের সংগ্রাম যতদিন থাকবে, যতদিন শোষণ বঞ্চনা থাকবে ততদিনই লড়াইয়ের মাঠে গণসংগীত থাকবে। আমি পঞ্চাশ বছরের অধিককাল গণসংগীত নিয়ে কাজ করছি। এর জন্য রাস্ট্রীয়সহ বেসরকারি পর্যায় থেকেও স্বীকৃতি সম্মাননা পেয়েছি। সেই দিক আমি নিজেকে সফল মনে করি।

* গান নিয়ে আপনার ব্যস্ততা এখন কেমন?

** ‘মানুষ’, ‘চলো মজদুর’ এবং ‘বাঁচব বাঁচব রে আমরা’ শিরোনামের তিনটি নতুন গান মে দিবস উপলক্ষ্যে প্রকাশ হয়েছে। এ ছাড়া সাড়া জাগানো বিভিন্ন ব্যক্তিত্বদের নিয়েও কাজ করছি। এসব গানের রেকর্ডিং চলছে এখন। নতুন একাধিক গানের পরিকল্পনাও আছে। পর্যায়ক্রমে সেগুলোও রেকর্ড করব।