ঢাকা , শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এসএসসি-এইচএসসিতে অটোপাস না পরীক্ষা, সিদ্ধান্ত শিগগিরই

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ এ বছর সংক্ষিপ্ত আকারে পরীক্ষা নাকি অটোপাস দেওয়া হবে সে বিষয়ে শিগগিরই ঘোষণা দেওয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি চলতি বছরের আটকে থাকা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে কয়েকদিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত জানাবেন।  এজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একাধিক প্রস্তাব তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ঝুলে থাকা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে বিকল্প পদ্ধতিতে পাস করানোর চিন্তাভাবনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রস্তাবে রচনামূলক বা সৃজনশীল প্রশ্ন বাদ দিয়ে কেবল বহুনির্বাচনী প্রশ্নে (এমসিকিউ) পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিষয় ও পূর্ণমান (পরীক্ষার মোট নম্বর) কমিয়ে পরীক্ষা নেয়া। এক্ষেত্রে প্রতি বিষয়ের দুই পত্র একীভূত করা।

পাশাপাশি ২০০ নম্বরের বদলে ১০০ নম্বরে পরীক্ষা নেয়া হবে। কিন্তু উভয়ক্ষেত্রেই করোনা পরিস্থিতির উন্নতি জরুরি। অর্থাৎ সংক্রমণ ১০ শতাংশের নিচে নেমে এলে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে পরীক্ষা নেয়া হবে। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে কেন্দ্রের সংখ্যা বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণ করে এই পরীক্ষা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নেহাল আহমেদ বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা আটকে আছে। সেটি আর নেওয়া সম্ভব হবে কি না বা বিকল্প পদ্ধতিতে পাস করানো হবে সেসব বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী খুব শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানাবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

এসএসসি-এইচএসসিতে অটোপাস না পরীক্ষা, সিদ্ধান্ত শিগগিরই

আপডেট টাইম : ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জুলাই ২০২১

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ এ বছর সংক্ষিপ্ত আকারে পরীক্ষা নাকি অটোপাস দেওয়া হবে সে বিষয়ে শিগগিরই ঘোষণা দেওয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি চলতি বছরের আটকে থাকা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে কয়েকদিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত জানাবেন।  এজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একাধিক প্রস্তাব তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ঝুলে থাকা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে বিকল্প পদ্ধতিতে পাস করানোর চিন্তাভাবনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রস্তাবে রচনামূলক বা সৃজনশীল প্রশ্ন বাদ দিয়ে কেবল বহুনির্বাচনী প্রশ্নে (এমসিকিউ) পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিষয় ও পূর্ণমান (পরীক্ষার মোট নম্বর) কমিয়ে পরীক্ষা নেয়া। এক্ষেত্রে প্রতি বিষয়ের দুই পত্র একীভূত করা।

পাশাপাশি ২০০ নম্বরের বদলে ১০০ নম্বরে পরীক্ষা নেয়া হবে। কিন্তু উভয়ক্ষেত্রেই করোনা পরিস্থিতির উন্নতি জরুরি। অর্থাৎ সংক্রমণ ১০ শতাংশের নিচে নেমে এলে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে পরীক্ষা নেয়া হবে। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে কেন্দ্রের সংখ্যা বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণ করে এই পরীক্ষা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নেহাল আহমেদ বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা আটকে আছে। সেটি আর নেওয়া সম্ভব হবে কি না বা বিকল্প পদ্ধতিতে পাস করানো হবে সেসব বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী খুব শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানাবেন।