ঢাকা , রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা ‘ওই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলবো’ বিএনপিকর্মীকে এমপি হানজালা

৫৫ কেজি সোনা চুরি : রাজস্ব কর্মকর্তাসহ ৮ জন রিমান্ডে

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শুল্ক বিভাগের গুদামের লকার থেকে ৫৫ কেজি সোনা চুরির ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও সিপাহিসহ আটজনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আসামিরা হলেন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম সাহেদ, আকরাম শেখ ও মাসুম রানা এবং সিপাহী মোজাম্মেল হক, নিয়ামত হাওলাদার, রেজাউল করিম ও আফজাল হোসেন।

আজ বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসানের আদালত এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আদালতের বিমানবন্দর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই মোজাফফর আলী বিষয়টি জানিয়েছেন।

গত ২ সেপ্টেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টম হাউসের সোনা চুরির ঘটনা ঢাকা শুল্ক বিভাগের নজরে আসে। পরদিন ৩ সেপ্টেম্বর রাতে বিষয়টি জানাজানি হয়। এরপর ঢাকা শুল্ক বিভাগের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় এ বিষয়ে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে উদ্ধার হওয়া ৪৮টি ডিএম বার- যার মোট ওজন ৮.০২ কেজি ও ২০২০ থেকে ২০২৩ সালে বিভিন্ন সময়ে আটক ৩৮৯টি ডিএম বার- যার মোট ওজন ৪৭.৪৯ কেজি সোনা আলমারির লকার ভেঙে চুরি হয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা ১৫ থেকে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটের মধ্যে কে বা কাহারা বর্ণিত সোনার বার ও স্বর্ণালংকার গোডাউন থেকে স্টিলের আলমারির লকার ভেঙে চুরি করেছে।

চুরি হওয়া এই সোনার মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা। মামলাটি বর্তমানে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত করছে। এদিকে পুরো ঘটনা তদন্তের জন্য কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার মিনহাজ উদ্দীনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি টিম গঠন করেছে কাস্টমস হাউস।

ঘটনার পর চার রাজস্ব কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা হলেন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম সাহেদ, শহীদুল ইসলাম, মাসুম রানা ও আকরাম শেখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

৫৫ কেজি সোনা চুরি : রাজস্ব কর্মকর্তাসহ ৮ জন রিমান্ডে

আপডেট টাইম : ১২:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শুল্ক বিভাগের গুদামের লকার থেকে ৫৫ কেজি সোনা চুরির ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও সিপাহিসহ আটজনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আসামিরা হলেন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম সাহেদ, আকরাম শেখ ও মাসুম রানা এবং সিপাহী মোজাম্মেল হক, নিয়ামত হাওলাদার, রেজাউল করিম ও আফজাল হোসেন।

আজ বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসানের আদালত এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আদালতের বিমানবন্দর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই মোজাফফর আলী বিষয়টি জানিয়েছেন।

গত ২ সেপ্টেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টম হাউসের সোনা চুরির ঘটনা ঢাকা শুল্ক বিভাগের নজরে আসে। পরদিন ৩ সেপ্টেম্বর রাতে বিষয়টি জানাজানি হয়। এরপর ঢাকা শুল্ক বিভাগের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় এ বিষয়ে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে উদ্ধার হওয়া ৪৮টি ডিএম বার- যার মোট ওজন ৮.০২ কেজি ও ২০২০ থেকে ২০২৩ সালে বিভিন্ন সময়ে আটক ৩৮৯টি ডিএম বার- যার মোট ওজন ৪৭.৪৯ কেজি সোনা আলমারির লকার ভেঙে চুরি হয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা ১৫ থেকে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটের মধ্যে কে বা কাহারা বর্ণিত সোনার বার ও স্বর্ণালংকার গোডাউন থেকে স্টিলের আলমারির লকার ভেঙে চুরি করেছে।

চুরি হওয়া এই সোনার মূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা। মামলাটি বর্তমানে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত করছে। এদিকে পুরো ঘটনা তদন্তের জন্য কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার মিনহাজ উদ্দীনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি টিম গঠন করেছে কাস্টমস হাউস।

ঘটনার পর চার রাজস্ব কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা হলেন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম সাহেদ, শহীদুল ইসলাম, মাসুম রানা ও আকরাম শেখ।