ঢাকা , শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

বাড়ী/অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র দলিলের নমুনা

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ অফিস ভাড়া নেয়ার জন্য যে চুক্তি হয় সেটাই বাড়ি অফিস/ অফিস ভাড়া চুক্তিপত্র। এটা বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মাঝে সাক্ষরিত হয়। এতে বাড়ি ভাড়ার বিভিন্ন শর্ত লেখা থাকে। যাতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়ে স্বাক্ষর করে থাকেন। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য এটি অত্যাবশ্যক।এরূপ চুক্তিপত্র ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প এ করতে হয়। ব্যবসায়ের অফিস ভাড়া নেয়া, ট্রেড লাইসেন্স বানানো, ব্যাংকে হিসাব খোলা ইত্যাদি কাজে চুক্তিপত্রের কপি প্রয়োজন হয়।

মাসিক উচ্ছেদযোগ্য বাড়ী/অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র দলিলের নমুনা দেয়া হলঃ

১ম পক্ষ : বাড়ীর মালিক নাম : মোঃ সুলতান মিয়া পিতার নাম : মৃত কোরবান মিয়া ঠিকানা : বাড়ী নং ………………. মোবাইল : ………………. জাতীয় পরিচয়পত্র নং : ……………………

২য় পক্ষ : ভাড়াটিয়া নাম : মেসাস জামাল ট্রেডাস, প্রোপাইটর, আব্দুর রহিম পিতার নাম …………………… ঠিকানা : ……………… মোবাইল : ………… জাতীয় পরিচয়পত্র নং ………………

অফিস ভাড়ার চুক্তিনামা: অদ্য ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬ প্রথম পক্ষ , বাড়ীর মলিক, জনাব মোঃ সুলতান মিয়া , পিতা মৃত কোরবান মিয়া, বাড়ী নং…………………………………মালিক পক্ষ এবং দ্বিতীয় পক্ষ-ভাড়াটিয়া।……………………………। উভয়ে প্রথম পক্ষের অবস্থিত ৪.২৫ শতাংশ সম্পত্তির বাড়ী নং ………………………… ছয়তলা বাড়ীর দ্বিতীয় তলায় মোট ১৫৫০ বর্গফুটের ২৫ ফুট × ২০ ফুট = ৫০০ বর্গফুট, দুইরুমের রেডি ………………………………। এর নিমিত্তে ২য় পক্ষ ১ম পক্ষ হতে এক বছরের চুক্তিতে ভাড়া নিচ্ছে। অদ্য ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখ স্বাক্ষীগনের সামনে উভয় পক্ষ নিন্ম লিখিত শর্ত মোতাবেক চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করতে সম্মত হয়।

১। ভাড়াকৃত অংশের পরিমাণ ৫০০ বর্গফুট । ছয়তলা বাড়ীর দ্বিতীয় তলায়।

২। চুক্তিপত্রের মেয়াদ এক বছর। এক বছর পর উভয় পক্ষ সম্মত থাকলে এই চুক্তিপত্রের মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারবেন অথবা নতুন করে চুক্তিবদ্ধ হতে পারবেন।

৩। ২য় পক্ষ ১ম পক্ষকে ১৫০০০ হাজার টাকা অগ্রিম প্রদান করবেন যা প্রথমপক্ষের কাছে ৩ মাসের অগ্রিম বাবদ জমা থাকবে এবং দ্বিতীয় পক্ষ ঘর ছেড়ে দেয়ার তিন মাস আগে ভাড়া দেয়া এই টাকা সমন্বয় করা হবে। অথবা দ্বিতীয় পক্ষ এই টাকার পাওনাদার বলে বিবেচিত হবে।

৪। মাসিক ভাড়া ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা।

৫। ভাড়া প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে প্রদেয় হবে।

৬। অন্যান্য ইউটিলিটি বিল, গ্যাস বিল, বিদ্যুৎ বিল, পানি বিল ২য় পক্ষ বহণ করবে।

৭। এছাড়া প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কাজ ২য় পক্ষের উপর বর্তাবে।

৮। ২য় পক্ষ উক্ত জমিতে কোনো রকম বেআইনি, অসামাজিক বা নিষিদ্ধ ঘোষিত কার্যক্রম বা ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন না। তথাপি যদি আইনের দৃষ্টিতে অবৈধ কিছু করে থাকে সেজন্য ভাড়াটিয়ার পক্ষেই এর সকল দায়-দায়িত্ব বহন করবে।

৯। ২য় পক্ষ যেহেতু আমদানি ব্যবসা করবেন সেহেতু ১ বছরের মধ্যে ১ম পক্ষ এই ঘর ফেরত বা চুক্তি পত্রের বাতিলের চেষ্টা করবেন না। অবশ্য প্রথম পক্ষ যদি কোনো শর্ত ভঙ্গ করে সেক্ষেত্রে ৬ মাসের নোটিশে ২য় পক্ষকে ঘরছাড়া করার অধিকার প্রথম পক্ষের রয়েছে।

১০। কোনো কারণে ২য় পক্ষ ঘর ছেড়ে দিতে চাইলে তা ৩ মাস পূর্বে নোটিশ প্রদান করতে হবে এবং এতে যদি অগ্রিমের টাকা প্রথম পক্ষের নিকট পাওনা থাকে তাহলে প্রথম পক্ষ তা যথাসম্ভব দ্রুত সময়ের মধ্যে ২য় পক্ষকে পরিশোধ করবেন।

১১। জরুরী প্রয়োজনে ট্রেড লাইসেন্স, পরিবেশ ছাড়পত্র বা অন্যকোন কারণে জমির দলিল বা অন্য কোন কাগজের কপি প্রয়োজন হয় তাহলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রাসঙ্গিক ব্যাপারে প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষকে সার্বিক সহযোগিতা করবেন।

১২। আপাতত ২য় পক্ষ ঘরটিতে যাবতীয় ডেকোরেশন করে নেবেন ।

১৩। পরবর্তীতে যদি প্রয়োজন হয় দ্বিতীয় পক্ষ ব্যবসা বৃদ্ধি করলে বা বৈধ ব্যবসার জন্য কাউকে অংশীদার নিলে তাতে প্রথম পক্ষের কোন আপত্তি থাকবেনা।

১৪। বাড়ীর মালিকানা ও অন্যান্য ব্যাপারে আইন গত অন্য কোন সমস্যা থাকলে এ ব্যাপারে ১ম পক্ষই দায়িত্বশীল বলিয়া বিবেচিত হবেন। তা কোনোভাবেই দ্বিতীয় পক্ষের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বলে বিবেচিত হবেনা।

১৫। অগ্রিম এর ১৫০০০ (পনের হাজার) টাকা প্রথম পক্ষকে দ্বিতীয় পক্ষ ঘরে উঠার আগেই বুঝিয়ে দেবেন।

১৬। দ্বিতীয় পক্ষ এর মূল নকশায় কোনো পরিবর্তন করতে পারবেন না।

১৭। এক বছরকাল সময়ের মধ্যে মূল স্থাপনায় প্রাকৃতিক দূর্যোগ বা অন্য কোনো কারণে কোনরূপ ক্ষতি সাধিত হলে তা প্রথম পক্ষই মেরামত করিবেন।

১৮। ছয় মাসের মধ্যে প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষকে সরাতে চাইলে দ্বিতীয় পক্ষ যে পরিমান স্টাবলিশমেন্ট খরচ করবে তার ২০% প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষকে প্রদান করবে ।

১৯। এক বছর সময়ের মধ্যে দ্বিতীয় পক্ষ ভাড়া বা অগ্রিম বৃদ্ধি করতে পারবেন না।

২০। এক বছর পর উভয়পক্ষ চাইলে প্রতি বছর চুক্তিপত্র নবায়ন করা যাবে।

২১। আগামী ০১/০১/২০১৭ … তারিখ হতে এক বছর মেয়াদকাল শুরু হবে এবং তা আগামী ৩০/১২/২০১৭ তারিখ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

এই মর্মে প্রকাশ থাকে যে উভয় পক্ষ এবং স্বাক্ষীগন সবাই প্রাপ্ত বয়স্ক। তারা স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে অন্যের বিনা প্ররোচনায় এই চুক্তিপত্রের সমুদয় শর্ত পড়ে বুঝে এই চুক্তিপত্রে অদ্য ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম পক্ষের বাড়ী ……………………………………………………………………।

এই ঠিকানায় বেলা ১০ ঘটিকার সময় স্বাক্ষর করেছেন।

স্বাক্ষরঃ মালিক, ১ম পক্ষ:   ভাড়াটিয়া,

২য় পক্ষ:

স্বাক্ষীগণের নাম ও স্বাক্ষরঃ

১। … … … … … … … … … …

২। … … … … … … … … … …

৩। … … … … … … … … … …

৪। … … … … … … … … … …

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

লাক্স সুপারস্টার সেরা সুন্দরীর পুরস্কার জিতলেন বর্ণিতা

বাড়ী/অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র দলিলের নমুনা

আপডেট টাইম : ০৬:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ অফিস ভাড়া নেয়ার জন্য যে চুক্তি হয় সেটাই বাড়ি অফিস/ অফিস ভাড়া চুক্তিপত্র। এটা বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মাঝে সাক্ষরিত হয়। এতে বাড়ি ভাড়ার বিভিন্ন শর্ত লেখা থাকে। যাতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়ে স্বাক্ষর করে থাকেন। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য এটি অত্যাবশ্যক।এরূপ চুক্তিপত্র ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প এ করতে হয়। ব্যবসায়ের অফিস ভাড়া নেয়া, ট্রেড লাইসেন্স বানানো, ব্যাংকে হিসাব খোলা ইত্যাদি কাজে চুক্তিপত্রের কপি প্রয়োজন হয়।

মাসিক উচ্ছেদযোগ্য বাড়ী/অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র দলিলের নমুনা দেয়া হলঃ

১ম পক্ষ : বাড়ীর মালিক নাম : মোঃ সুলতান মিয়া পিতার নাম : মৃত কোরবান মিয়া ঠিকানা : বাড়ী নং ………………. মোবাইল : ………………. জাতীয় পরিচয়পত্র নং : ……………………

২য় পক্ষ : ভাড়াটিয়া নাম : মেসাস জামাল ট্রেডাস, প্রোপাইটর, আব্দুর রহিম পিতার নাম …………………… ঠিকানা : ……………… মোবাইল : ………… জাতীয় পরিচয়পত্র নং ………………

অফিস ভাড়ার চুক্তিনামা: অদ্য ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬ প্রথম পক্ষ , বাড়ীর মলিক, জনাব মোঃ সুলতান মিয়া , পিতা মৃত কোরবান মিয়া, বাড়ী নং…………………………………মালিক পক্ষ এবং দ্বিতীয় পক্ষ-ভাড়াটিয়া।……………………………। উভয়ে প্রথম পক্ষের অবস্থিত ৪.২৫ শতাংশ সম্পত্তির বাড়ী নং ………………………… ছয়তলা বাড়ীর দ্বিতীয় তলায় মোট ১৫৫০ বর্গফুটের ২৫ ফুট × ২০ ফুট = ৫০০ বর্গফুট, দুইরুমের রেডি ………………………………। এর নিমিত্তে ২য় পক্ষ ১ম পক্ষ হতে এক বছরের চুক্তিতে ভাড়া নিচ্ছে। অদ্য ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখ স্বাক্ষীগনের সামনে উভয় পক্ষ নিন্ম লিখিত শর্ত মোতাবেক চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করতে সম্মত হয়।

১। ভাড়াকৃত অংশের পরিমাণ ৫০০ বর্গফুট । ছয়তলা বাড়ীর দ্বিতীয় তলায়।

২। চুক্তিপত্রের মেয়াদ এক বছর। এক বছর পর উভয় পক্ষ সম্মত থাকলে এই চুক্তিপত্রের মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারবেন অথবা নতুন করে চুক্তিবদ্ধ হতে পারবেন।

৩। ২য় পক্ষ ১ম পক্ষকে ১৫০০০ হাজার টাকা অগ্রিম প্রদান করবেন যা প্রথমপক্ষের কাছে ৩ মাসের অগ্রিম বাবদ জমা থাকবে এবং দ্বিতীয় পক্ষ ঘর ছেড়ে দেয়ার তিন মাস আগে ভাড়া দেয়া এই টাকা সমন্বয় করা হবে। অথবা দ্বিতীয় পক্ষ এই টাকার পাওনাদার বলে বিবেচিত হবে।

৪। মাসিক ভাড়া ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা।

৫। ভাড়া প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে প্রদেয় হবে।

৬। অন্যান্য ইউটিলিটি বিল, গ্যাস বিল, বিদ্যুৎ বিল, পানি বিল ২য় পক্ষ বহণ করবে।

৭। এছাড়া প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কাজ ২য় পক্ষের উপর বর্তাবে।

৮। ২য় পক্ষ উক্ত জমিতে কোনো রকম বেআইনি, অসামাজিক বা নিষিদ্ধ ঘোষিত কার্যক্রম বা ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন না। তথাপি যদি আইনের দৃষ্টিতে অবৈধ কিছু করে থাকে সেজন্য ভাড়াটিয়ার পক্ষেই এর সকল দায়-দায়িত্ব বহন করবে।

৯। ২য় পক্ষ যেহেতু আমদানি ব্যবসা করবেন সেহেতু ১ বছরের মধ্যে ১ম পক্ষ এই ঘর ফেরত বা চুক্তি পত্রের বাতিলের চেষ্টা করবেন না। অবশ্য প্রথম পক্ষ যদি কোনো শর্ত ভঙ্গ করে সেক্ষেত্রে ৬ মাসের নোটিশে ২য় পক্ষকে ঘরছাড়া করার অধিকার প্রথম পক্ষের রয়েছে।

১০। কোনো কারণে ২য় পক্ষ ঘর ছেড়ে দিতে চাইলে তা ৩ মাস পূর্বে নোটিশ প্রদান করতে হবে এবং এতে যদি অগ্রিমের টাকা প্রথম পক্ষের নিকট পাওনা থাকে তাহলে প্রথম পক্ষ তা যথাসম্ভব দ্রুত সময়ের মধ্যে ২য় পক্ষকে পরিশোধ করবেন।

১১। জরুরী প্রয়োজনে ট্রেড লাইসেন্স, পরিবেশ ছাড়পত্র বা অন্যকোন কারণে জমির দলিল বা অন্য কোন কাগজের কপি প্রয়োজন হয় তাহলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রাসঙ্গিক ব্যাপারে প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষকে সার্বিক সহযোগিতা করবেন।

১২। আপাতত ২য় পক্ষ ঘরটিতে যাবতীয় ডেকোরেশন করে নেবেন ।

১৩। পরবর্তীতে যদি প্রয়োজন হয় দ্বিতীয় পক্ষ ব্যবসা বৃদ্ধি করলে বা বৈধ ব্যবসার জন্য কাউকে অংশীদার নিলে তাতে প্রথম পক্ষের কোন আপত্তি থাকবেনা।

১৪। বাড়ীর মালিকানা ও অন্যান্য ব্যাপারে আইন গত অন্য কোন সমস্যা থাকলে এ ব্যাপারে ১ম পক্ষই দায়িত্বশীল বলিয়া বিবেচিত হবেন। তা কোনোভাবেই দ্বিতীয় পক্ষের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বলে বিবেচিত হবেনা।

১৫। অগ্রিম এর ১৫০০০ (পনের হাজার) টাকা প্রথম পক্ষকে দ্বিতীয় পক্ষ ঘরে উঠার আগেই বুঝিয়ে দেবেন।

১৬। দ্বিতীয় পক্ষ এর মূল নকশায় কোনো পরিবর্তন করতে পারবেন না।

১৭। এক বছরকাল সময়ের মধ্যে মূল স্থাপনায় প্রাকৃতিক দূর্যোগ বা অন্য কোনো কারণে কোনরূপ ক্ষতি সাধিত হলে তা প্রথম পক্ষই মেরামত করিবেন।

১৮। ছয় মাসের মধ্যে প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষকে সরাতে চাইলে দ্বিতীয় পক্ষ যে পরিমান স্টাবলিশমেন্ট খরচ করবে তার ২০% প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষকে প্রদান করবে ।

১৯। এক বছর সময়ের মধ্যে দ্বিতীয় পক্ষ ভাড়া বা অগ্রিম বৃদ্ধি করতে পারবেন না।

২০। এক বছর পর উভয়পক্ষ চাইলে প্রতি বছর চুক্তিপত্র নবায়ন করা যাবে।

২১। আগামী ০১/০১/২০১৭ … তারিখ হতে এক বছর মেয়াদকাল শুরু হবে এবং তা আগামী ৩০/১২/২০১৭ তারিখ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

এই মর্মে প্রকাশ থাকে যে উভয় পক্ষ এবং স্বাক্ষীগন সবাই প্রাপ্ত বয়স্ক। তারা স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে অন্যের বিনা প্ররোচনায় এই চুক্তিপত্রের সমুদয় শর্ত পড়ে বুঝে এই চুক্তিপত্রে অদ্য ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম পক্ষের বাড়ী ……………………………………………………………………।

এই ঠিকানায় বেলা ১০ ঘটিকার সময় স্বাক্ষর করেছেন।

স্বাক্ষরঃ মালিক, ১ম পক্ষ:   ভাড়াটিয়া,

২য় পক্ষ:

স্বাক্ষীগণের নাম ও স্বাক্ষরঃ

১। … … … … … … … … … …

২। … … … … … … … … … …

৩। … … … … … … … … … …

৪। … … … … … … … … … …