ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

বৃক্ষপ্রেমী জাফর ইদ্রিস

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ উৎপাদনশীল কিছু করার একটা আগ্রহ আগেই ছিল। সেই আগ্রহেই তার বাগান করার পেছনের গল্প। জীবনের মধ্য বয়স পেরিয়ে এখন নিজেই ছাদের বাগানে গাছের পরিচর্যা করেন।

তখন সময়টাকে মনে হয় শান্তি ও বিনোদনে আছেন। কোনো কষ্টই মনে হয় না তার। পুরো বাগানটা ঘুরে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল। অনেক ধরনের ফলদ গাছ আছে তার বাগানে। বাগানে আম গাছ আছে নয়টা। হিমসাগর, আম্রপলি, সুরমা, ফজলি, থাইল্যান্ডের পালমর বানানা আম, জাম্বুরা আম, মালটা, কাগজি লেবু, কদম্ব লেবু, বেল, পেয়ারা, মিষ্টি তেঁতুল, বড়ই, জলপাই, জাম্বুরা, পেপে, কামরাঙ্গা, ডালিম, জামরুল, করমচা প্রভৃতি গাছ তার সংগ্রহে বাগানে আছে। সবজির চাষও তিনি করেন বাড়ির ছাদে, শিম, লাউ, কুমড়া, ঢেঁড়স, টমেটো, পুঁইশাক ইত্যাদি।

যেগুলো ফল আর সবজি তার বাগানে হয় সেগুলো বাজার থেকে কিনে খেতে হয় না। সবজি ও ফল আত্মীয়-স্বজনদেরও দিয়ে থাকেন। ছাদে বাগান শখ থেকে এবং তার পরিচর্যা করতে করতে, তার বাসার ছাদের একটি ইউনিটে কবুতরের প্রজেক্ট হাতে নিয়েছেন মধ্যবয়সী শৌখিন মানুষ জাফর ইদ্রিস। বর্তমানে বড় ও বাচ্চা মিলে প্রায় নব্বইটির মতো কবুতর আছে তার। ওদের খাবার দিতে গেলে যেভাবে ডাকাডাকি-নাচানাচি করে তা দেখেই মন ভরে যায় জাফর ইদ্রিসের। তা দেখে আমি বড়ই অনুপ্রাণিত হই। আমি বাগান ও কবুতরকে সময় দিয়ে অবসরে নেটে একটু লেখালেখি করি। এযাবত আমার ছয়টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে তরুণদের উদ্দেশ্যে জাফর ইদ্রিস বলেন, এরূপ উৎপাদনশীল কিছু করে আত্মকর্মসংস্থানে এগিয়ে আসো। ক্ষুদ্র পুঁজি দিয়ে হাঁস-মোরগ, কবতুর, সবজি চাষে মন দাও। চাকরি নামক গোলামি পেশার পেছনে না ছুটে স্বাধীন ব্যবসা কর। আমার মতো ষাটোর্ধ্ব প্রবীণদের বলছি বিনোদন বলেন বা শান্তি বলেন এই ধরনের কাজে নিজেকে নিয়োজিত করুন দেখবেন অবসর সময়টাকে উপভোগ্য করে তুলতে পারবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

বৃক্ষপ্রেমী জাফর ইদ্রিস

আপডেট টাইম : ০১:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুলাই ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ উৎপাদনশীল কিছু করার একটা আগ্রহ আগেই ছিল। সেই আগ্রহেই তার বাগান করার পেছনের গল্প। জীবনের মধ্য বয়স পেরিয়ে এখন নিজেই ছাদের বাগানে গাছের পরিচর্যা করেন।

তখন সময়টাকে মনে হয় শান্তি ও বিনোদনে আছেন। কোনো কষ্টই মনে হয় না তার। পুরো বাগানটা ঘুরে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল। অনেক ধরনের ফলদ গাছ আছে তার বাগানে। বাগানে আম গাছ আছে নয়টা। হিমসাগর, আম্রপলি, সুরমা, ফজলি, থাইল্যান্ডের পালমর বানানা আম, জাম্বুরা আম, মালটা, কাগজি লেবু, কদম্ব লেবু, বেল, পেয়ারা, মিষ্টি তেঁতুল, বড়ই, জলপাই, জাম্বুরা, পেপে, কামরাঙ্গা, ডালিম, জামরুল, করমচা প্রভৃতি গাছ তার সংগ্রহে বাগানে আছে। সবজির চাষও তিনি করেন বাড়ির ছাদে, শিম, লাউ, কুমড়া, ঢেঁড়স, টমেটো, পুঁইশাক ইত্যাদি।

যেগুলো ফল আর সবজি তার বাগানে হয় সেগুলো বাজার থেকে কিনে খেতে হয় না। সবজি ও ফল আত্মীয়-স্বজনদেরও দিয়ে থাকেন। ছাদে বাগান শখ থেকে এবং তার পরিচর্যা করতে করতে, তার বাসার ছাদের একটি ইউনিটে কবুতরের প্রজেক্ট হাতে নিয়েছেন মধ্যবয়সী শৌখিন মানুষ জাফর ইদ্রিস। বর্তমানে বড় ও বাচ্চা মিলে প্রায় নব্বইটির মতো কবুতর আছে তার। ওদের খাবার দিতে গেলে যেভাবে ডাকাডাকি-নাচানাচি করে তা দেখেই মন ভরে যায় জাফর ইদ্রিসের। তা দেখে আমি বড়ই অনুপ্রাণিত হই। আমি বাগান ও কবুতরকে সময় দিয়ে অবসরে নেটে একটু লেখালেখি করি। এযাবত আমার ছয়টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে তরুণদের উদ্দেশ্যে জাফর ইদ্রিস বলেন, এরূপ উৎপাদনশীল কিছু করে আত্মকর্মসংস্থানে এগিয়ে আসো। ক্ষুদ্র পুঁজি দিয়ে হাঁস-মোরগ, কবতুর, সবজি চাষে মন দাও। চাকরি নামক গোলামি পেশার পেছনে না ছুটে স্বাধীন ব্যবসা কর। আমার মতো ষাটোর্ধ্ব প্রবীণদের বলছি বিনোদন বলেন বা শান্তি বলেন এই ধরনের কাজে নিজেকে নিয়োজিত করুন দেখবেন অবসর সময়টাকে উপভোগ্য করে তুলতে পারবেন।