ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগকর্মী আফিয়া আটক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মীকে আটক করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আজ রবিবার দুপুর দেড়টার দিকে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থেকে আটক করা হয়।

আটক শিক্ষার্থীর নাম আফিয়া আনজুম সুপ্তি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের বাংলা বিভাগের ছাত্রী।

শিক্ষার্থীরা জানান, আফিয়া আনজুম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স পরীক্ষার সার্টিফিকেট তুলতে আসেন। তারপর সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাকে লক্ষ্য করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পুলিশকে অবগত করেন।

ছাত্রলীগ কর্মী আফিয়া বলেন, ‘আমি ছাত্রলীগ করতাম। শেখ মুজিবের আদর্শকে ধারণ করি। কিন্তু আমাকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। আমি জগন্নাথের রাজনীতিতে সক্রিয় না, ৭১ -এর আদর্শকে লালন করি। আমি বঙ্গবন্ধুর পক্ষের লোক। আমি জগন্নাথের কাউকেই কোনো প্রকার আঘাত করিনি, কোনো বিরোধিতা করিনি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা, কারণ আমি জুলাই আন্দোলনে কোনো বিরোধিতা করিনি, আমি তখন বাড়িতে ছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘ছাত্রলীগের কমিটিতে আমার কোনো পদ ছিল না। আমার কারো সাথে কোনো ঝামেলা ছিল না। আদর্শকে ধারণ করা আমি অন্যায় কিছু মনে করি না।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো.তাজাম্মুল হক বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা তাকে ধরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে এসেছেন। আমরা পুলিশি ব্যবস্থা নিয়েছি, সাথে সাথে পুলিশকে অবগত করা হয়েছে।’

পুলিশ বক্সের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা প্রশাসন থেকে কল পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছি। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা কোনো মামলা থাকলে আমরা তাকে চালান করে দিব।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগকর্মী আফিয়া আটক

আপডেট টাইম : ১২:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মীকে আটক করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আজ রবিবার দুপুর দেড়টার দিকে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থেকে আটক করা হয়।

আটক শিক্ষার্থীর নাম আফিয়া আনজুম সুপ্তি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের বাংলা বিভাগের ছাত্রী।

শিক্ষার্থীরা জানান, আফিয়া আনজুম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স পরীক্ষার সার্টিফিকেট তুলতে আসেন। তারপর সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাকে লক্ষ্য করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পুলিশকে অবগত করেন।

ছাত্রলীগ কর্মী আফিয়া বলেন, ‘আমি ছাত্রলীগ করতাম। শেখ মুজিবের আদর্শকে ধারণ করি। কিন্তু আমাকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। আমি জগন্নাথের রাজনীতিতে সক্রিয় না, ৭১ -এর আদর্শকে লালন করি। আমি বঙ্গবন্ধুর পক্ষের লোক। আমি জগন্নাথের কাউকেই কোনো প্রকার আঘাত করিনি, কোনো বিরোধিতা করিনি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা, কারণ আমি জুলাই আন্দোলনে কোনো বিরোধিতা করিনি, আমি তখন বাড়িতে ছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘ছাত্রলীগের কমিটিতে আমার কোনো পদ ছিল না। আমার কারো সাথে কোনো ঝামেলা ছিল না। আদর্শকে ধারণ করা আমি অন্যায় কিছু মনে করি না।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো.তাজাম্মুল হক বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা তাকে ধরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে এসেছেন। আমরা পুলিশি ব্যবস্থা নিয়েছি, সাথে সাথে পুলিশকে অবগত করা হয়েছে।’

পুলিশ বক্সের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা প্রশাসন থেকে কল পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছি। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা কোনো মামলা থাকলে আমরা তাকে চালান করে দিব।’