ঢাকা , শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিতাসের রাস্তায় চলা দায়, ইট-সুরকি উঠে দুর্ভোগ চরমে

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চলাচলের অধিকাংশ রাস্তা বেহাল অবস্থায় রয়েছে। রাস্তাগুলোর সংস্কার না হওয়ায় কার্পেটিং, ইট-সুরকি উঠে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এসব রাস্তায় প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা। দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। উপজেলার সদর ইউনিয়নের বন্দরামপুর স্টেশন থেকে প্রায় দেড় কিঃমিঃ রাস্তার কার্পেটিং, ইট-সুরকি উঠে ও খানা-খন্দে একেবারে বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন পার্শ্ববর্তী জিয়ারকান্দি, নারান্দিয়া, ভিটিকান্দি ও মাছিমপুর ইউনিয়নের প্রায় অর্ধশত গ্রামের হাজার হাজার জনগণ সিএনজি ও অটোরিকশাযোগে চলাচল করে। এছাড়া উপজেলার কেশবপুর হুমায়ুন রোড থেকে জগত্পুর বাজার পর্যন্ত, বাতাকান্দি থেকে সাতানি কালাইকান্দি মোহনপুর পর্যন্ত, বলরামপুর উত্তরপাড়া থেকে দক্ষিণপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত এবং জগত্পুর বাজার থেকে ভূঁইয়ার বাজার পর্যন্ত রাস্তাগুলোর একই চিত্র। দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। আবার কোথাও রাস্তার পাকা অংশের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে চাষাবাদের জমির আকার ধারণ করেছে। এতে প্রতিনিয়তই মোটর সাইকেল, সিএনজি ও অটোরিকশা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষক আবদুর রাজ্জাক জানান, রাস্তার অবস্থা খারাপ হওয়ায় কৃষিপণ্য নিয়ে বাজারে যেতে অধিক ভাড়া গুনতে হয়। এতে দুর্ভোগ ছাড়াও আর্থিকসহ সার্বিকভাবে এলাকার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিতাস উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, রাস্তাগুলো আমরা দেখেছি। তবে চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম পাওয়ায় সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না। বরাদ্দ চেয়ে প্রকল্প দিয়েছি। আশাকরি কয়েক মাসের মধ্যে বরাদ্দ পাবো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

তিতাসের রাস্তায় চলা দায়, ইট-সুরকি উঠে দুর্ভোগ চরমে

আপডেট টাইম : ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অগাস্ট ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চলাচলের অধিকাংশ রাস্তা বেহাল অবস্থায় রয়েছে। রাস্তাগুলোর সংস্কার না হওয়ায় কার্পেটিং, ইট-সুরকি উঠে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এসব রাস্তায় প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা। দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। উপজেলার সদর ইউনিয়নের বন্দরামপুর স্টেশন থেকে প্রায় দেড় কিঃমিঃ রাস্তার কার্পেটিং, ইট-সুরকি উঠে ও খানা-খন্দে একেবারে বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন পার্শ্ববর্তী জিয়ারকান্দি, নারান্দিয়া, ভিটিকান্দি ও মাছিমপুর ইউনিয়নের প্রায় অর্ধশত গ্রামের হাজার হাজার জনগণ সিএনজি ও অটোরিকশাযোগে চলাচল করে। এছাড়া উপজেলার কেশবপুর হুমায়ুন রোড থেকে জগত্পুর বাজার পর্যন্ত, বাতাকান্দি থেকে সাতানি কালাইকান্দি মোহনপুর পর্যন্ত, বলরামপুর উত্তরপাড়া থেকে দক্ষিণপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত এবং জগত্পুর বাজার থেকে ভূঁইয়ার বাজার পর্যন্ত রাস্তাগুলোর একই চিত্র। দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। আবার কোথাও রাস্তার পাকা অংশের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে চাষাবাদের জমির আকার ধারণ করেছে। এতে প্রতিনিয়তই মোটর সাইকেল, সিএনজি ও অটোরিকশা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষক আবদুর রাজ্জাক জানান, রাস্তার অবস্থা খারাপ হওয়ায় কৃষিপণ্য নিয়ে বাজারে যেতে অধিক ভাড়া গুনতে হয়। এতে দুর্ভোগ ছাড়াও আর্থিকসহ সার্বিকভাবে এলাকার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিতাস উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, রাস্তাগুলো আমরা দেখেছি। তবে চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম পাওয়ায় সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না। বরাদ্দ চেয়ে প্রকল্প দিয়েছি। আশাকরি কয়েক মাসের মধ্যে বরাদ্দ পাবো।