ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাপানের শতবর্ষী সাবেক প্রধানমন্ত্রী তোমিইচির মুরাইয়ামা আর নেই

জাপানের শতর্বষী (১০১) সাবেক প্রধানমন্ত্রী তোমিইচি মুরাইয়ামা মারা গেছেন। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সকালে দক্ষিণ-পশ্চিম জাপানের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ১০১ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

তিনি ছিলেন জাপানের ৮১তম প্রধানমন্ত্রী। ১৯৯৬ সালের জানুয়ারি মাসে দায়িত্ব ছাড়ার আগে তার মন্ত্রিসভা বিশেষ কোনো বড় সাফল্য দেখাতে না পারলেও তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে আজও দৃষ্টান্ত হিসেবে স্মরণীয়। সেটি হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে চীন ও এশিয়ার অন্যান্য দেশে আগ্রাসনের জন্য জাপান সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়া ও গভীর শোক প্রকাশ।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মুরাইয়ামার দ্বিতীয় সাফল্য ছিল হিরোশিমা ও নাগাসাকির আণবিক বোমা হামলায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া লোকজনের চিকিৎসা ও অন্যান্য সুবিধা প্রদানের একটি আইন পাস করিয়ে নেওয়া। হিরোশিমা-নাগাসাকির আণবিক বোমায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পরিবারগুলো যে কারণে আজও তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে থাকে।

মুরাইয়ামার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা বলেন, মুরাইয়ামা সেই সময়ের কঠিন অনেক সমস্যা সামাল দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। জাপানের শান্তিপ্রিয় মানুষ শান্তির এক সত্যিকার বার্তাবাহক হিসেবে তাকে মনে রাখে।

উল্লেখ্য, ১৯২৪ সালে কিউশু দ্বীপের ওইতা জেলায় জন্মগ্রহণ করে তিনি। মুরাইয়ামা ছিলেন জাপানের ইতিহাসে প্রথম ও একমাত্র সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী প্রধানমন্ত্রী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের শতবর্ষী সাবেক প্রধানমন্ত্রী তোমিইচির মুরাইয়ামা আর নেই

আপডেট টাইম : ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

জাপানের শতর্বষী (১০১) সাবেক প্রধানমন্ত্রী তোমিইচি মুরাইয়ামা মারা গেছেন। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সকালে দক্ষিণ-পশ্চিম জাপানের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ১০১ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

তিনি ছিলেন জাপানের ৮১তম প্রধানমন্ত্রী। ১৯৯৬ সালের জানুয়ারি মাসে দায়িত্ব ছাড়ার আগে তার মন্ত্রিসভা বিশেষ কোনো বড় সাফল্য দেখাতে না পারলেও তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে আজও দৃষ্টান্ত হিসেবে স্মরণীয়। সেটি হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে চীন ও এশিয়ার অন্যান্য দেশে আগ্রাসনের জন্য জাপান সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়া ও গভীর শোক প্রকাশ।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মুরাইয়ামার দ্বিতীয় সাফল্য ছিল হিরোশিমা ও নাগাসাকির আণবিক বোমা হামলায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া লোকজনের চিকিৎসা ও অন্যান্য সুবিধা প্রদানের একটি আইন পাস করিয়ে নেওয়া। হিরোশিমা-নাগাসাকির আণবিক বোমায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পরিবারগুলো যে কারণে আজও তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে থাকে।

মুরাইয়ামার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা বলেন, মুরাইয়ামা সেই সময়ের কঠিন অনেক সমস্যা সামাল দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। জাপানের শান্তিপ্রিয় মানুষ শান্তির এক সত্যিকার বার্তাবাহক হিসেবে তাকে মনে রাখে।

উল্লেখ্য, ১৯২৪ সালে কিউশু দ্বীপের ওইতা জেলায় জন্মগ্রহণ করে তিনি। মুরাইয়ামা ছিলেন জাপানের ইতিহাসে প্রথম ও একমাত্র সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী প্রধানমন্ত্রী।