ঢাকা , সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা গুমের সঙ্গে জড়িত কেউ আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না: আইনমন্ত্রী পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন অভিযান পুরোপুরি ব্যর্থ: ইরান স্পিকারের সহধর্মিণীর দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে সংবিধানের সমালোচনাকারীরা স্ব-বিরোধিতায় ভুগছেন সংসদে আহত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে আবেগঘন পরিবেশে প্রধানমন্ত্রী বাধ্যতামূলক অবসর-চাকরিচ্যুতির বিধান রেখে সরকারি চাকরি সংশোধন বিল পাস ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন নোবেল ২০২৫ সালে বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে ১১ লাখ বাংলাদেশির সরকারি চাকরিতে প্রবেশসীমা ৩২ বছর করে সংসদে বিল পাস

মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে

বাংলাদেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। মার্চ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮.৭১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে এই সংখ্যা ছিল ৯.১৩ শতাংশে। এছাড়াও, এক বছর আগে অর্থাৎ ২০২৫ সালের মার্চে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৩৫ শতাংশ। রবিবার (৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য প্রকাশ করেছে। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, মার্চে খাদ্যপণ্যের দাম কমায় মূল্যস্ফীতির হারে প্রভাব পড়েছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৪ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯.৩০ শতাংশ এবং ২০২৫ সালের মার্চে ছিল ৮.৯৩ শতাংশ। অপরদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৯.০৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

গ্রামাঞ্চলে মার্চে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮.৭২ শতাংশে নেমেছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ৯.২১ শতাংশ ছিল। গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৮.০২ শতাংশে নেমেছে, তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৯.৩৮ শতাংশে পৌঁছেছে। শহরাঞ্চলেও সামান্য স্বস্তি দেখা গেছে; সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮.৬৮ শতাংশে নেমেছে, খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৭৮ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৮.৬২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে স্বল্প আয়ের দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির হার সামান্য বেড়ে ৮.০৯ শতাংশ হয়েছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৮.০৬ শতাংশ। তবে মূল্যস্ফীতি এখনও মজুরি বৃদ্ধির চেয়ে বেশি থাকায় শ্রমজীবী মানুষের প্রকৃত আয় পুরোপুরি বৃদ্ধি পায়নি। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে টানা ৫০ মাস ধরে প্রকৃত আয় হ্রাসের ধারা অব্যাহত রয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি ১১.৬৬ শতাংশে পৌঁছায়, তখন মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৭.৯৩ শতাংশ। সেই সময়ের ব্যবধান ৩.৭৩ শতাংশ পয়েন্ট হলেও বর্তমানে তা কমে ০.৬২ শতাংশ পয়েন্টে নেমে এসেছে।

মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা

মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে

বাংলাদেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। মার্চ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮.৭১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে এই সংখ্যা ছিল ৯.১৩ শতাংশে। এছাড়াও, এক বছর আগে অর্থাৎ ২০২৫ সালের মার্চে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৩৫ শতাংশ। রবিবার (৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য প্রকাশ করেছে। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, মার্চে খাদ্যপণ্যের দাম কমায় মূল্যস্ফীতির হারে প্রভাব পড়েছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৪ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯.৩০ শতাংশ এবং ২০২৫ সালের মার্চে ছিল ৮.৯৩ শতাংশ। অপরদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৯.০৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

গ্রামাঞ্চলে মার্চে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮.৭২ শতাংশে নেমেছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ৯.২১ শতাংশ ছিল। গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৮.০২ শতাংশে নেমেছে, তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৯.৩৮ শতাংশে পৌঁছেছে। শহরাঞ্চলেও সামান্য স্বস্তি দেখা গেছে; সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮.৬৮ শতাংশে নেমেছে, খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৭৮ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৮.৬২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে স্বল্প আয়ের দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির হার সামান্য বেড়ে ৮.০৯ শতাংশ হয়েছে, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৮.০৬ শতাংশ। তবে মূল্যস্ফীতি এখনও মজুরি বৃদ্ধির চেয়ে বেশি থাকায় শ্রমজীবী মানুষের প্রকৃত আয় পুরোপুরি বৃদ্ধি পায়নি। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে টানা ৫০ মাস ধরে প্রকৃত আয় হ্রাসের ধারা অব্যাহত রয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি ১১.৬৬ শতাংশে পৌঁছায়, তখন মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৭.৯৩ শতাংশ। সেই সময়ের ব্যবধান ৩.৭৩ শতাংশ পয়েন্ট হলেও বর্তমানে তা কমে ০.৬২ শতাংশ পয়েন্টে নেমে এসেছে।

মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।