প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহার কাছে ১১০০ কেজি আম পাঠিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই দুজনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ক্ষমতায় আসার পর পরই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তার সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক কিভাবে হয়- সে প্রশ্ন নিয়ে চলছে ব্যাপক সমালোচনা। যদিও এটাকে ‘ম্যাঙ্গো ডিপ্লোমেসি’ বলা হচ্ছে।
গত মঙ্গলবার বিকেলে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে আমের চালান দুটি ভারতে পাঠানো হয়। কলকাতায় বাংলাদেশ উপ- হাইকমিশন এবং আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশনের প্রতিনিধিদের কাছে এসব আম আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে পাঠানো আমের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় আম্রপালি ও হাঁড়িভাঙ্গা জাতের আম।
জানা গেছে, কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের জন্য ১০০টি কার্টনে ৫ কেজি করে মোট ৫০০ কেজি এবং আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনেরজন্য ১২০টি কার্টনে ৫ কেজি করে মোট ৬০০ কেজি আম পাঠানো হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই মিশনের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে মোট ১১০০ কেজি আম। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহার জন্য ১০০ কেজি করে আম বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বাকি ৯০০ কেজি আম দুই রাজ্যের বিশিষ্ট ব্যক্তি, কূটনীতিক ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে বিতরণ করা হবে।
প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলাদেশের এই ‘ম্যাংগো ডিপ্লোম্যাসি’ দুই দেশের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হবে বলাহলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো আম নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন যিনি ক্ষমতায় এসেই ভারতে অবস্থানরত মুসলমানদের বিরুদ্ধে এমনকি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন তাকে উপহার পাঠানো আত্মঘাতির সমতুল্য।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 

























