ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

আসামে ভয়াবহ বন্যায় ৩০০ পশুর মৃত্যু

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ ভারতের আসাম রাজ্যে চলতি মৌসুমে দুই দফার বন্যায় তিনশোর বেশি পশুর মৃত্যু হয়েছে। কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের ৮০ শতাংশই পানির নিচে।

কাজিরাঙা থেকে প্রতিদিনই উদ্ধার হচ্ছে জন্তু-জানোয়ারের মৃতদেহ। কাজিরাঙা অভয়ারণ্যের ডিভিশনাল বন কর্মকর্তা রোহিণী বল্লভ সাইকিয়া জানিয়েছেন, ১০ আগস্টের পর থেকে সাতটি গণ্ডার, ১২৭টি হরিণ, তিনটি বুনো শুয়োর, একটি মহিষ ও একটি সজারুর মৃত্যু হয়েছে। সাতটির মধ্যে ছয়টি গণ্ডারইৃ বন্যার পানিতে ডুবে মারা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

১০ আগস্ট ডিফলু নদী দিয়ে ৪৮১ বর্গ কিমির কাজিরাঙায় ঢুকে পড়ে ব্রহ্মপুত্রের পানি। এতেই প্লাবিত হয় উদ্যানের ৮০ শতাংশ এলাকা। কাজিরাঙার কর্মীরা ছাড়াও আটকে পড়া পশুদের বাঁচাতে ও মৃত পশুদের দেহ উদ্ধারে আপদকালীন তৎপরতায় কাজ করছে বিশেষ টাস্ক ফোর্স, বন দপ্তর, ওয়াইল্ড লাইফ ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া ও বেশকিছু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।

খাবারের খোঁজে জন্তু-জানোয়াররা এখন প্রায়ই ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কের আশপাশে ও কার্বিয়াংলঙের পার্শ্ববর্তী চা-বাগানগুলোতে হানা দিচ্ছে বলে বন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। কাজিরাঙার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ির গতিবেশ যাতে ঘণ্টায় ২০-৪০ কিমির মধ্যে রাখা হয়, সেজন্য পোস্টার ও ব্যানার লাগিয়েছে বনদপ্তর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

আসামে ভয়াবহ বন্যায় ৩০০ পশুর মৃত্যু

আপডেট টাইম : ১১:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ ভারতের আসাম রাজ্যে চলতি মৌসুমে দুই দফার বন্যায় তিনশোর বেশি পশুর মৃত্যু হয়েছে। কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের ৮০ শতাংশই পানির নিচে।

কাজিরাঙা থেকে প্রতিদিনই উদ্ধার হচ্ছে জন্তু-জানোয়ারের মৃতদেহ। কাজিরাঙা অভয়ারণ্যের ডিভিশনাল বন কর্মকর্তা রোহিণী বল্লভ সাইকিয়া জানিয়েছেন, ১০ আগস্টের পর থেকে সাতটি গণ্ডার, ১২৭টি হরিণ, তিনটি বুনো শুয়োর, একটি মহিষ ও একটি সজারুর মৃত্যু হয়েছে। সাতটির মধ্যে ছয়টি গণ্ডারইৃ বন্যার পানিতে ডুবে মারা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

১০ আগস্ট ডিফলু নদী দিয়ে ৪৮১ বর্গ কিমির কাজিরাঙায় ঢুকে পড়ে ব্রহ্মপুত্রের পানি। এতেই প্লাবিত হয় উদ্যানের ৮০ শতাংশ এলাকা। কাজিরাঙার কর্মীরা ছাড়াও আটকে পড়া পশুদের বাঁচাতে ও মৃত পশুদের দেহ উদ্ধারে আপদকালীন তৎপরতায় কাজ করছে বিশেষ টাস্ক ফোর্স, বন দপ্তর, ওয়াইল্ড লাইফ ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া ও বেশকিছু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।

খাবারের খোঁজে জন্তু-জানোয়াররা এখন প্রায়ই ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কের আশপাশে ও কার্বিয়াংলঙের পার্শ্ববর্তী চা-বাগানগুলোতে হানা দিচ্ছে বলে বন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। কাজিরাঙার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ির গতিবেশ যাতে ঘণ্টায় ২০-৪০ কিমির মধ্যে রাখা হয়, সেজন্য পোস্টার ও ব্যানার লাগিয়েছে বনদপ্তর।