ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উন্নয়নের নতুন স্বপ্ন দেখছে বগুড়া প্রশাসনের নাকের ডগায় ভুয়া জার্মান ক্লাব বিদেশি ক্লাবের সাইনবোর্ডে রমরমা মাদক ব্যবসা ঢাকা উত্তরে দুই, দক্ষিণে চার নেতা আলোচনায় বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী নয় বছর পর খুলল ওসমানী উদ্যান পদত্যাগের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘সেরা পরামর্শ’ দিয়েছিলেন: ইশরাক ‘ডিআইজির বাড়ি’ বলে অভয় দেওয়া হয় আমন্ত্রিতদের ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুটি নতুন কূপ ম্যাজিস্ট্রেসি ছেড়ে রাজনীতিতে, সালাহউদ্দিনের একাল-সেকাল সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী সাইবার সুরক্ষাসহ গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

ছি ছি লজ্জা! মাত্র ১৯২ টাকা : খালেদা

দেশ রক্ষায় জনগণকে টাইগারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।  তিনি বলেছেন, আমি আপনাদের সঙ্গে সবসময় আছি, থাকব।  রাস্তায় যেতে হলে সেখানেও যাব।  এখনো রাস্তায় নামার মতো সাহস ও ক্ষমতা আছে।

তিনি বলেন, আমরা পাকিস্তানের হাত থেকে দেশকে স্বাধীন করেছি কিন্তু অন্য কোনো দেশের হাতে তুলে দেয়ার জন্য নয়।

ভারতকে ট্রানজিট দেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যমুনা সেতুতে ৭০০-৮০০ টাকা দিতে হয়।  বাস, ট্রাকের জন্য আলাদা ফি নির্ধারণ করা আছে।  অথচ ১৯২ টাকায় যে ট্রানজিট দেয়া হলো সেটা লজ্জার।  এটাকে দয়াও বলা যেতে পারে।  আজকে বাংলাদেশের নিজস্বতা কিংবা নিজস্ব কোনো স্বকীয়তা-স্বাধীনতা নেই।

৩০ জুন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীতে সেরিনা হোটেলে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের এক ইফতার মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি।

মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত এতে সভাপতিত্ব করেন।

খালেদা জিয়া বলেন, বিডিআর


(বিজিবি) বাঘ থেকে বেড়ালে পরিণত হয়েছে।  ক্ষমতায় আসার এক মাসের মাথায় পিলখানায় নারকীয় হত্যাকাণ্ড চালিয়ে বিডিআরের ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে এ সকরার।  বাকি কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।  ফলে আমাদের বিডিআর বাঘ থেকে বেড়ালে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, সারাদেশের মানুষকে আজকে তারা বিড়াল বানিয়ে রাখতে চায়।  আর তিনারা আজীবন ক্ষমতায় থাকার জন্য বাঘ, সিংহ সবকিছুই হতে চায়।  কিন্তু এই টাইগারগুলো কোথায় গেল, আজকে সবাইকে টাইগারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে।  লায়নের ভূমিকায় আসতে হবে। তাহলেই দেশেটা রক্ষা করা যাবে।

মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আপানারা যুদ্ধ করেছিলেন দেশে গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার, সুশাসন ও সকলের সমান অধিকারের জন্য।  কিন্তু আজকে দেশে এর কোনোটাই নেই।

খালেদা জিয়া বলেন, মুসলমান, হিন্দু সবাই এই আওয়ামী লীগ দ্বারা নির্যাতিত।  সবাই আওয়ামী লীগের হাত থেকে মুক্তি চায়।  তারা দেশে শান্তি, উন্নয়ন, গণতন্ত্র, কথা বলার অধিকার, বাকস্বাধীনতা চায়।  কিন্তু আজ কোনোটাই নেই।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে মূলমঞ্চে একই টেবিলে বসে ইফতার করেন-ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ২০ দলীয় জোট শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীরবিক্রম, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতিক, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, কেন্দ্রীয় নেতা আতাউর রহমান ঢালী প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

উন্নয়নের নতুন স্বপ্ন দেখছে বগুড়া

ছি ছি লজ্জা! মাত্র ১৯২ টাকা : খালেদা

আপডেট টাইম : ০৬:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০১৬

দেশ রক্ষায় জনগণকে টাইগারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।  তিনি বলেছেন, আমি আপনাদের সঙ্গে সবসময় আছি, থাকব।  রাস্তায় যেতে হলে সেখানেও যাব।  এখনো রাস্তায় নামার মতো সাহস ও ক্ষমতা আছে।

তিনি বলেন, আমরা পাকিস্তানের হাত থেকে দেশকে স্বাধীন করেছি কিন্তু অন্য কোনো দেশের হাতে তুলে দেয়ার জন্য নয়।

ভারতকে ট্রানজিট দেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যমুনা সেতুতে ৭০০-৮০০ টাকা দিতে হয়।  বাস, ট্রাকের জন্য আলাদা ফি নির্ধারণ করা আছে।  অথচ ১৯২ টাকায় যে ট্রানজিট দেয়া হলো সেটা লজ্জার।  এটাকে দয়াও বলা যেতে পারে।  আজকে বাংলাদেশের নিজস্বতা কিংবা নিজস্ব কোনো স্বকীয়তা-স্বাধীনতা নেই।

৩০ জুন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীতে সেরিনা হোটেলে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের এক ইফতার মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি।

মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত এতে সভাপতিত্ব করেন।

খালেদা জিয়া বলেন, বিডিআর


(বিজিবি) বাঘ থেকে বেড়ালে পরিণত হয়েছে।  ক্ষমতায় আসার এক মাসের মাথায় পিলখানায় নারকীয় হত্যাকাণ্ড চালিয়ে বিডিআরের ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে এ সকরার।  বাকি কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।  ফলে আমাদের বিডিআর বাঘ থেকে বেড়ালে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, সারাদেশের মানুষকে আজকে তারা বিড়াল বানিয়ে রাখতে চায়।  আর তিনারা আজীবন ক্ষমতায় থাকার জন্য বাঘ, সিংহ সবকিছুই হতে চায়।  কিন্তু এই টাইগারগুলো কোথায় গেল, আজকে সবাইকে টাইগারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে।  লায়নের ভূমিকায় আসতে হবে। তাহলেই দেশেটা রক্ষা করা যাবে।

মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আপানারা যুদ্ধ করেছিলেন দেশে গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার, সুশাসন ও সকলের সমান অধিকারের জন্য।  কিন্তু আজকে দেশে এর কোনোটাই নেই।

খালেদা জিয়া বলেন, মুসলমান, হিন্দু সবাই এই আওয়ামী লীগ দ্বারা নির্যাতিত।  সবাই আওয়ামী লীগের হাত থেকে মুক্তি চায়।  তারা দেশে শান্তি, উন্নয়ন, গণতন্ত্র, কথা বলার অধিকার, বাকস্বাধীনতা চায়।  কিন্তু আজ কোনোটাই নেই।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে মূলমঞ্চে একই টেবিলে বসে ইফতার করেন-ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ২০ দলীয় জোট শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীরবিক্রম, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতিক, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, কেন্দ্রীয় নেতা আতাউর রহমান ঢালী প্রমুখ।