ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

হাসপাতাল নয় যেন গোচারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ হাসপাতাল নয় এ যেন গোচারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে চলনবিলের প্রাণকেন্দ্রে তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। উপজেলার প্রায় আড়াই লাখ জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবার প্রাণকেন্দ্র তাড়াশ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এ হাসপাতালটিতে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন।

রোগীর আত্মীয়স্বজন, ডাক্তার, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রতিদিন সহস্রাধিক লোকের বিচরণ এ হাসপাতাল চত্বরে। তাদের সঙ্গে প্রতিদিন ৪৫-৫৫টি গরু ও ১৫-২০টি ছাগল অবাধে বিচরণ করলেও দেখার কেউ নেই।

সরজমিন সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল চত্বরে গিয়ে দেখা গেছে, দল বেঁধে অনেকগুলো গরু ও ছাগল অবাধে ঘোরাফেরা করছে ও ঘাস-লতাপাতা খাচ্ছে। যত্রতত্র পায়খানা-প্রস্রাব করার ফলে হাসপাতালের পরিবেশ দূষিত হয়ে হাসপাতালটি অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়ছে।

এজন্য অনেক রোগীকে নানা রকম বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে। দেখে মনে হয় এ যেন হাসপাতাল নয়, গোচারণ ভূমি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন চিকিৎসক, নার্স ও চিকিৎসা নিতে আসা রোগী জানান, হাসপাতাল চত্বরে অসংখ্য গরু-ছাগল অবাধে বিচরণ করে থাকে।

কখনও কখনও হাসপাতালের ভিতরে এমনকি স্টাফদের কোয়ার্টারে পর্যন্ত ঢুকে পড়ে। আবার অনেক সময় দুষ্ট বড় ষাঁড় গরু রোগীকে গুঁতো দিয়ে অসুস্থ করার মতো ঘটনাও ঘটেছে। কখনো কখনো বয়োবৃদ্ধ লোকেরা দুষ্ট ষাঁড় গরুর ভয়ে হাসপাতাল আঙিনায় ঢুকতে পারে না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানোর পরেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. শিমুল তালুকদার জানান, হাসপাতাল চত্বরে অবাধে গরু-ছাগল বিচরণ করায় রোগী, ডাক্তার, নার্সসহ সকলকেই বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। হাসপাতালের প্রাচীরের কিছু কিছু অংশ ভেঙে পড়ায় ও জনবল সংকটের কারণে গরুর অবাধ বিচরণ ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না।

গরু-ছাগলের বিচরণ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাছাড়া হাসপাতালের পার্শ্বে অবস্থিত বাড়ির মালিকগণ একটু সচেতন হলে হাসপাতালটির পরিবেশ দূষিত হবে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

হাসপাতাল নয় যেন গোচারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে

আপডেট টাইম : ১২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ হাসপাতাল নয় এ যেন গোচারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে চলনবিলের প্রাণকেন্দ্রে তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। উপজেলার প্রায় আড়াই লাখ জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবার প্রাণকেন্দ্র তাড়াশ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এ হাসপাতালটিতে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন।

রোগীর আত্মীয়স্বজন, ডাক্তার, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রতিদিন সহস্রাধিক লোকের বিচরণ এ হাসপাতাল চত্বরে। তাদের সঙ্গে প্রতিদিন ৪৫-৫৫টি গরু ও ১৫-২০টি ছাগল অবাধে বিচরণ করলেও দেখার কেউ নেই।

সরজমিন সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল চত্বরে গিয়ে দেখা গেছে, দল বেঁধে অনেকগুলো গরু ও ছাগল অবাধে ঘোরাফেরা করছে ও ঘাস-লতাপাতা খাচ্ছে। যত্রতত্র পায়খানা-প্রস্রাব করার ফলে হাসপাতালের পরিবেশ দূষিত হয়ে হাসপাতালটি অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়ছে।

এজন্য অনেক রোগীকে নানা রকম বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে। দেখে মনে হয় এ যেন হাসপাতাল নয়, গোচারণ ভূমি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন চিকিৎসক, নার্স ও চিকিৎসা নিতে আসা রোগী জানান, হাসপাতাল চত্বরে অসংখ্য গরু-ছাগল অবাধে বিচরণ করে থাকে।

কখনও কখনও হাসপাতালের ভিতরে এমনকি স্টাফদের কোয়ার্টারে পর্যন্ত ঢুকে পড়ে। আবার অনেক সময় দুষ্ট বড় ষাঁড় গরু রোগীকে গুঁতো দিয়ে অসুস্থ করার মতো ঘটনাও ঘটেছে। কখনো কখনো বয়োবৃদ্ধ লোকেরা দুষ্ট ষাঁড় গরুর ভয়ে হাসপাতাল আঙিনায় ঢুকতে পারে না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানোর পরেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. শিমুল তালুকদার জানান, হাসপাতাল চত্বরে অবাধে গরু-ছাগল বিচরণ করায় রোগী, ডাক্তার, নার্সসহ সকলকেই বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। হাসপাতালের প্রাচীরের কিছু কিছু অংশ ভেঙে পড়ায় ও জনবল সংকটের কারণে গরুর অবাধ বিচরণ ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না।

গরু-ছাগলের বিচরণ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাছাড়া হাসপাতালের পার্শ্বে অবস্থিত বাড়ির মালিকগণ একটু সচেতন হলে হাসপাতালটির পরিবেশ দূষিত হবে না।