ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থায়ীভাবে বদলে দিয়েছে বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড সংসদে ‘অঙ্গুলিনির্দেশ’ এক্সপাঞ্জের দাবি হিলালীর, স্পিকার বললেন—‘করা যাবে না’ হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না

বালিয়াঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চলে ভাঙা ঘরে

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ আশাশুনি উপজেলার ১১৬ নং বালিয়াঘাটা-বাইনবশত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চলছে জরাজীর্ণ ভাঙা বিল্ডিং ও একটি ছোট্ট বদ্ধ টিনশেড ঘরে। কোমলমতি শিশুরা অতিকষ্টে ক্লাসে বসতে বাধ্য হলেও বছরের পর বছর এর প্রতিকার না হওয়ায় অভিভাবক মহলে চরম হতাশা বিরাজ করছে। ১৯৭৬ সালে ৫১ শতক জমির উপর স্থানীয় বিদ্যুৎসাহী ব্যক্তি মোকছেদ আলি শিকারী বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। কোনোরকমে বাঁশের ঘেরাবেড়া দেয়া ঘরে ক্লাস শুরু করা হয়েছিল তখন।

এলাকার মানুষের মনে উৎসাহের সৃষ্টির পাশাপাশি স্কুলটিকে সুন্দরভাবে পরিচালনার সকল কার্যক্রম তিনি হাতে নেন। সকলের সহযোগিতায় স্কুলটি ভালভাবে চলার ফলশ্রতিতে ১৯৯৯ সালে একটি অফিসসহ চার কক্ষ বিশিষ্ট একতলা বির্ল্ডিং নির্মাণ করা হয় সরকারিভাবে। এরপর স্বাভাবিক গতিতে চলে আসছে স্কুলটি। ছাত্রছাত্রী রয়েছে ১২৭ জন, শিক্ষক পাঁচজন। লেখাপড়ার মানও আশাব্যঞ্জক বরাবরই।

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ১০০ শতাংশ কৃতকার্যের পাশাপাশি এ+, ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিও পেয়েছে বিদ্যালয়টি থেকে। কিন্তু স্কুলের প্রয়োজনীয় কক্ষ সঙ্কট ও আসবাবপত্রের সঙ্কট কাটানো সম্ভব হয়নি। বিল্ডিংয়ের পিলার, ছাদের পলেস্তারা ও দেয়ালের অংশ খসে পড়ছে। মেঝেতে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। দরজা জানালা ভেঙে গেছে। দুই শিফটের স্কুলে প্রথম শিফটে শিশু, প্রথম, দ্বিতীয় ও পঞ্জম শ্রেণির ক্লাস নেয়া হয়। দ্বিতীয় শিফটে তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম শ্রেণি ও অতিরিক্ত ক্লাস পরিচালনা করা হয়।

এতে ক্লাসের জন্য কমপক্ষে চারটি কক্ষ প্রয়োজন হয়। বাধ্য হয়ে কমিটি ও অভিভাবকরা নিজেদের অর্থে ১০ হাত প্রস্থ ও ১৮ হাত দৈর্ঘ্য একটি টিনের ঘর নির্মাণ করেন ২০১২ সালে। যেখানে শিশু শ্রেণিসহ অতিরিক্ত ক্লাস পরিচালনা করা হচ্ছে। বিল্ডিং এর ভগ্নদশা ও টিনের বদ্ধকক্ষে ক্লাস পরিচালনা হওয়ায় কষ্টকর পরিস্থিতি বিরাজমান। সাথে সাথে রয়েছে আসবাবপত্রের সঙ্কট। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিভাবক, এসএমসি সদস্যসহ এলাকাবাসী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ

বালিয়াঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চলে ভাঙা ঘরে

আপডেট টাইম : ১০:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ মার্চ ২০১৮

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ আশাশুনি উপজেলার ১১৬ নং বালিয়াঘাটা-বাইনবশত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চলছে জরাজীর্ণ ভাঙা বিল্ডিং ও একটি ছোট্ট বদ্ধ টিনশেড ঘরে। কোমলমতি শিশুরা অতিকষ্টে ক্লাসে বসতে বাধ্য হলেও বছরের পর বছর এর প্রতিকার না হওয়ায় অভিভাবক মহলে চরম হতাশা বিরাজ করছে। ১৯৭৬ সালে ৫১ শতক জমির উপর স্থানীয় বিদ্যুৎসাহী ব্যক্তি মোকছেদ আলি শিকারী বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। কোনোরকমে বাঁশের ঘেরাবেড়া দেয়া ঘরে ক্লাস শুরু করা হয়েছিল তখন।

এলাকার মানুষের মনে উৎসাহের সৃষ্টির পাশাপাশি স্কুলটিকে সুন্দরভাবে পরিচালনার সকল কার্যক্রম তিনি হাতে নেন। সকলের সহযোগিতায় স্কুলটি ভালভাবে চলার ফলশ্রতিতে ১৯৯৯ সালে একটি অফিসসহ চার কক্ষ বিশিষ্ট একতলা বির্ল্ডিং নির্মাণ করা হয় সরকারিভাবে। এরপর স্বাভাবিক গতিতে চলে আসছে স্কুলটি। ছাত্রছাত্রী রয়েছে ১২৭ জন, শিক্ষক পাঁচজন। লেখাপড়ার মানও আশাব্যঞ্জক বরাবরই।

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ১০০ শতাংশ কৃতকার্যের পাশাপাশি এ+, ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিও পেয়েছে বিদ্যালয়টি থেকে। কিন্তু স্কুলের প্রয়োজনীয় কক্ষ সঙ্কট ও আসবাবপত্রের সঙ্কট কাটানো সম্ভব হয়নি। বিল্ডিংয়ের পিলার, ছাদের পলেস্তারা ও দেয়ালের অংশ খসে পড়ছে। মেঝেতে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। দরজা জানালা ভেঙে গেছে। দুই শিফটের স্কুলে প্রথম শিফটে শিশু, প্রথম, দ্বিতীয় ও পঞ্জম শ্রেণির ক্লাস নেয়া হয়। দ্বিতীয় শিফটে তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম শ্রেণি ও অতিরিক্ত ক্লাস পরিচালনা করা হয়।

এতে ক্লাসের জন্য কমপক্ষে চারটি কক্ষ প্রয়োজন হয়। বাধ্য হয়ে কমিটি ও অভিভাবকরা নিজেদের অর্থে ১০ হাত প্রস্থ ও ১৮ হাত দৈর্ঘ্য একটি টিনের ঘর নির্মাণ করেন ২০১২ সালে। যেখানে শিশু শ্রেণিসহ অতিরিক্ত ক্লাস পরিচালনা করা হচ্ছে। বিল্ডিং এর ভগ্নদশা ও টিনের বদ্ধকক্ষে ক্লাস পরিচালনা হওয়ায় কষ্টকর পরিস্থিতি বিরাজমান। সাথে সাথে রয়েছে আসবাবপত্রের সঙ্কট। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিভাবক, এসএমসি সদস্যসহ এলাকাবাসী।