ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি বিভাগের এক সহকারী অধ্যাপকের তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে যে নারী প্রভাষককে উদ্ধার করা হয়েছিল, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ওই প্রভাষকের বিভাগ এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি তাকে এক বছর বিভাগের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তবে যে শিক্ষকের কক্ষে তাকে পাওয়া গিয়েছিল, সেই সহকারী অধ্যাপকের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। সহকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মেহতাব খানম ০৩/০১/২০১৮ রোজ বুধবার বিডিনিউজকে বলেন, “এ ধরনের ঘটনা শিক্ষক সমাজের জন্য লজ্জাকর।

“ওই ঘটনার জন্য গতকাল একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় তাকে এক বছরের জন্য বিভাগের সকল ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়,” সিদ্ধান্ত জানান তিনি।

বিভাগের সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করে ওই প্রভাষক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “যে অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা তো এখনও প্রমাণিত নয়।

সহকারী অধ্যাপকের স্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন, তার স্বামীর সঙ্গে ওই প্রভাষকের ‘অবৈধ’ সম্পর্ক রয়েছে।

এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের একজন শিক্ষক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, প্রভাষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে বিভাগের পক্ষ থেকে ‘অভ্যন্তরীণ তদন্ত’ হয়েছিল।

“ঘটনার সময় সাইকোলোজি বিভাগের ওই শিক্ষকের স্ত্রী ছাড়া অন্য যারা ছিলেন, তাদের (মিস্ত্রি ও অন্যান্য শিক্ষার্থী) কাছ থেকে তথ্য নেওয়া হয়। গত অগাস্টেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তাও বিবেচনায় নেওয়া হয়।”

গত ঐ তারিখে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের তৃতীয় তলায় মনোবিজ্ঞান বিভাগের ওই সহকারী অধ্যাপকের কক্ষের তালা ভেঙে ওই নারী প্রভাষককে উদ্ধার করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সহকারী প্রক্টর।

তবে ওই প্রভাষক বলেন, সহকারী অধ্যাপকের অধীনে গবেষণার কাজ করছিলেন তিনি। সেদিন কক্ষের বাইরে সহকারী অধ্যাপকের সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝগড়ার পর বাইরে থেকে কক্ষে তালা দেওয়া হলে ভেতরে আটকা পড়েছিলেন তিনি।

এ ঘটনা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অবস্থান জানতে চাইলে প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সহকারী প্রক্টর আবু হোসেন মুহম্মদ আহসান ওই দিন কক্ষের তালা ভেঙে ওই শিক্ষিকাকে উদ্ধার করেছিলেন। উনি একটি প্রতিবেদন দেবেন। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে

আপডেট টাইম : ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ ২০১৮

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি বিভাগের এক সহকারী অধ্যাপকের তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে যে নারী প্রভাষককে উদ্ধার করা হয়েছিল, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ওই প্রভাষকের বিভাগ এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি তাকে এক বছর বিভাগের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তবে যে শিক্ষকের কক্ষে তাকে পাওয়া গিয়েছিল, সেই সহকারী অধ্যাপকের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। সহকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মেহতাব খানম ০৩/০১/২০১৮ রোজ বুধবার বিডিনিউজকে বলেন, “এ ধরনের ঘটনা শিক্ষক সমাজের জন্য লজ্জাকর।

“ওই ঘটনার জন্য গতকাল একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় তাকে এক বছরের জন্য বিভাগের সকল ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়,” সিদ্ধান্ত জানান তিনি।

বিভাগের সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করে ওই প্রভাষক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “যে অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা তো এখনও প্রমাণিত নয়।

সহকারী অধ্যাপকের স্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন, তার স্বামীর সঙ্গে ওই প্রভাষকের ‘অবৈধ’ সম্পর্ক রয়েছে।

এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের একজন শিক্ষক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, প্রভাষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে বিভাগের পক্ষ থেকে ‘অভ্যন্তরীণ তদন্ত’ হয়েছিল।

“ঘটনার সময় সাইকোলোজি বিভাগের ওই শিক্ষকের স্ত্রী ছাড়া অন্য যারা ছিলেন, তাদের (মিস্ত্রি ও অন্যান্য শিক্ষার্থী) কাছ থেকে তথ্য নেওয়া হয়। গত অগাস্টেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তাও বিবেচনায় নেওয়া হয়।”

গত ঐ তারিখে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের তৃতীয় তলায় মনোবিজ্ঞান বিভাগের ওই সহকারী অধ্যাপকের কক্ষের তালা ভেঙে ওই নারী প্রভাষককে উদ্ধার করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সহকারী প্রক্টর।

তবে ওই প্রভাষক বলেন, সহকারী অধ্যাপকের অধীনে গবেষণার কাজ করছিলেন তিনি। সেদিন কক্ষের বাইরে সহকারী অধ্যাপকের সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝগড়ার পর বাইরে থেকে কক্ষে তালা দেওয়া হলে ভেতরে আটকা পড়েছিলেন তিনি।

এ ঘটনা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অবস্থান জানতে চাইলে প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সহকারী প্রক্টর আবু হোসেন মুহম্মদ আহসান ওই দিন কক্ষের তালা ভেঙে ওই শিক্ষিকাকে উদ্ধার করেছিলেন। উনি একটি প্রতিবেদন দেবেন। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।