ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি, নারায়ণগঞ্জ

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার অতি পরিচিত একটি স্থান মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি। প্রাচীন ঐতিহ্যের স্মৃতিবিজড়িত কালের সাক্ষী জমিদার বাড়িটি। জমিদার রামরতন ব্যানার্জী এর নির্মাণকাজ শুরু করেন। তবে জগদীশচন্দ্র ব্যানার্জী নির্মাণকাজ শেষ করেন। সময় হলে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি।জমিদার রামরতন ব্যানার্জী ১৮৮৯ সালে ৪০ হেক্টর জমির উপর নির্মাণ শুরু করেন মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি। তিনি নাটোর স্টেটের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন এবং তার সততার কারণে একটি উচ্চপদে উন্নীত হন। কিন্তু প্রচলিত আছে, রামরতন ব্যানার্জী শুধু এই বাড়ির ভিত্তি ও কাঠামো তৈরি করেছিলেন।

তার মৃত্যুর পর ছেলে প্রতাপচন্দ্র ব্যানার্জী ১৮৮৯ সালে পুরনো বাড়ি ছেড়ে পেছনে আরো একটি প্রাসাদ তৈরি করেন। কথিত আছে, ১৯০৯ সালে জগদীশচন্দ্র ব্যানার্জী এই ভবনটি সম্পন্ন করেন। তিনি দুইবার দিল্লির কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। জগদীশচন্দ্র ব্যানার্জী তার শাসনামলে অনেক কিছু তৈরি করেছিলেন। তবে ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় তিনি কলকাতা চলে যান।

জমিদার বাড়িতে প্রায় একশ’র উপরে কক্ষ রয়েছে। যার প্রায় সবগুলোতেই পাবেন কারুকার্যের ছোঁয়া। এতে রয়েছে কাছারিঘর, অতিথিশালা, নাচঘর, পূজামণ্ডপ, বৈঠকখানা, ভাঁড়ারসহ বিভিন্ন কক্ষ। জমিদার বাড়ির মূল ভবনটিই মুরাপাড়া ডিগ্রি কলেজ ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

তার পাশে ১৯৯৫ সালে আরো একটি প্রশাসনিক ভবন নির্মিত হয়। আমাদের দেশের বেশিরভাগ জমিদার বাড়ির চেয়ে তুলনামূলক ভালো অবস্থায় রয়েছে জমিদার বাড়িটি। কিন্তু মূল ভবনের পেছন দিকে গেলে দেখা যায়, কীভাবে ক্ষয়ে যাচ্ছে এই বাড়িটি।

যেভাবে যাবেন:
রাজধানী ঢাকার সায়েদাবাদ, গুলিস্থান অথবা যাত্রাবাড়ি থেকে মেঘলা, গ্লোরী, আসিয়ান পরিবহন অথবা নরসিংদী ভৈরবগামী যেকোনো বাসে চেপে রূপসী বাসষ্টান্ড অথবা ভুলতা। তারপরে রিকশাযোগে জমিদার বাড়ি। রূপসী বাসস্টেশন থেকে সিএনজি করে (২০ টাকা জন প্রতি ভাড়া) মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি।

এছাড়া কুড়িল ফ্লাইওভার এর নিচে প্রাইভেটকার পাবেন, ভাড়া নিবে জনপ্রতি ৬০ টাকা কাঞ্চনব্রিজ পর্যন্ত, গাড়ি থেকে নেমে একটু হেঁটে সামনে গেলেই অটোরিকশা পাবেন জনপ্রতি ভাড়া ৪০ টাকা, আপনাকে নামিয়ে দিবে রুপগঞ্জ শীতলক্ষ্যা ফেরি ঘাটে। ফেরি পার হয়ে রিকশা অথবা অটো পাবেন রিকশা রিকশা ভাড়া ১৫ টাকা, অটো ভাড়া ৫ টাকা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি, নারায়ণগঞ্জ

আপডেট টাইম : ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ মে ২০১৮

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার অতি পরিচিত একটি স্থান মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি। প্রাচীন ঐতিহ্যের স্মৃতিবিজড়িত কালের সাক্ষী জমিদার বাড়িটি। জমিদার রামরতন ব্যানার্জী এর নির্মাণকাজ শুরু করেন। তবে জগদীশচন্দ্র ব্যানার্জী নির্মাণকাজ শেষ করেন। সময় হলে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি।জমিদার রামরতন ব্যানার্জী ১৮৮৯ সালে ৪০ হেক্টর জমির উপর নির্মাণ শুরু করেন মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি। তিনি নাটোর স্টেটের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন এবং তার সততার কারণে একটি উচ্চপদে উন্নীত হন। কিন্তু প্রচলিত আছে, রামরতন ব্যানার্জী শুধু এই বাড়ির ভিত্তি ও কাঠামো তৈরি করেছিলেন।

তার মৃত্যুর পর ছেলে প্রতাপচন্দ্র ব্যানার্জী ১৮৮৯ সালে পুরনো বাড়ি ছেড়ে পেছনে আরো একটি প্রাসাদ তৈরি করেন। কথিত আছে, ১৯০৯ সালে জগদীশচন্দ্র ব্যানার্জী এই ভবনটি সম্পন্ন করেন। তিনি দুইবার দিল্লির কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। জগদীশচন্দ্র ব্যানার্জী তার শাসনামলে অনেক কিছু তৈরি করেছিলেন। তবে ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় তিনি কলকাতা চলে যান।

জমিদার বাড়িতে প্রায় একশ’র উপরে কক্ষ রয়েছে। যার প্রায় সবগুলোতেই পাবেন কারুকার্যের ছোঁয়া। এতে রয়েছে কাছারিঘর, অতিথিশালা, নাচঘর, পূজামণ্ডপ, বৈঠকখানা, ভাঁড়ারসহ বিভিন্ন কক্ষ। জমিদার বাড়ির মূল ভবনটিই মুরাপাড়া ডিগ্রি কলেজ ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

তার পাশে ১৯৯৫ সালে আরো একটি প্রশাসনিক ভবন নির্মিত হয়। আমাদের দেশের বেশিরভাগ জমিদার বাড়ির চেয়ে তুলনামূলক ভালো অবস্থায় রয়েছে জমিদার বাড়িটি। কিন্তু মূল ভবনের পেছন দিকে গেলে দেখা যায়, কীভাবে ক্ষয়ে যাচ্ছে এই বাড়িটি।

যেভাবে যাবেন:
রাজধানী ঢাকার সায়েদাবাদ, গুলিস্থান অথবা যাত্রাবাড়ি থেকে মেঘলা, গ্লোরী, আসিয়ান পরিবহন অথবা নরসিংদী ভৈরবগামী যেকোনো বাসে চেপে রূপসী বাসষ্টান্ড অথবা ভুলতা। তারপরে রিকশাযোগে জমিদার বাড়ি। রূপসী বাসস্টেশন থেকে সিএনজি করে (২০ টাকা জন প্রতি ভাড়া) মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি।

এছাড়া কুড়িল ফ্লাইওভার এর নিচে প্রাইভেটকার পাবেন, ভাড়া নিবে জনপ্রতি ৬০ টাকা কাঞ্চনব্রিজ পর্যন্ত, গাড়ি থেকে নেমে একটু হেঁটে সামনে গেলেই অটোরিকশা পাবেন জনপ্রতি ভাড়া ৪০ টাকা, আপনাকে নামিয়ে দিবে রুপগঞ্জ শীতলক্ষ্যা ফেরি ঘাটে। ফেরি পার হয়ে রিকশা অথবা অটো পাবেন রিকশা রিকশা ভাড়া ১৫ টাকা, অটো ভাড়া ৫ টাকা।