ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন তায়েফের বুকে যে মসজিদ মুসলিমদের জন্য এক টুকরো সান্ত্বনা পে স্কেলে বদলাচ্ছে ইনক্রিমেন্ট নীতি, কোন গ্রেডে কত শিগগিরই ১০ হাজার পুলিশ নিয়োগ অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে জোবায়েদকে হত্যা, তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র বাংলাদেশি সমর্থকদের স্কালোনির ধন্যবাদ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান ‘মত পার্থক্য থাকতে পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়’ শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষিতে ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে আইফার্মারের সাথে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

সবুজের মায়ায় ভৌতিক গ্রাম, বাসিন্দা মাত্র ৫ জন

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ এই গ্রামটি পরিত্যক্ত হয়েছিল কবেই। খাঁ খাঁ পড়েছিল গ্রামের বাড়ি-ঘর, পথ-ঘাট। ক্রমশ জুটে গিয়েছিল ‘ভৌতিক’ বলে খ্যাতিও। কিন্তু ক্রমে সেই ‘ভূতুড়ে’ গ্রামটিই হয়ে উঠল পর্যটক-আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। এমনটাই ঘটেছে পূর্ব চিনের শেংশান দ্বীপের গ্রাম হোউতোউওয়ানের ভাগ্যে। একদা এই গ্রামে ছিল ৩,০০০ মৎস্যজীবীর বাস। ১৯৯০-এর দশকে এই গ্রামের বাসিন্দারা শহরের আকর্ষণে গ্রাম ছাড়তে শুরু করেন এবং একসময়ে গ্রামটি জনহীন হয়ে পড়ে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজ এই জনপদে মাত্র ৫ জন মানুষ বাস করেন। সাংহাই থেকে ৫৫ মাইল দূরে অবস্থিত হোউতোউওয়ান জনশূন্য হলেও আজ তা এক নামকরা পর্যটনক্ষেত্র। নির্জন গ্রামটির সবক’টি বাড়িকেই ঢেকে ফেলেছে সবুজ লতা। বাড়িগুলোর ভিত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে আইভিলতার শিকড়। গোটা গ্রামটিই যেন ঢাকা পড়ে গিয়েছে মায়াবি সবুজে।

ব্যস্ত শহর সাংহাই এই গ্রামটিকেই বেছে নেয় তার সন্নিহিত পর্যটনক্ষেত্র হিসেবে। সেখানে এক সুবিশাল স্টারবাকস রেস্তোরাঁ খোলা হয়।

হোউতোউওয়ানে পর্যটকদের আনাগোনা নিয়মিত। কিন্তু কেউ না কি এখানে ভূত দেখেছেন? উত্তরে বেশির ভাগ ট্যুরিস্টই মুখ টিপে হাসেন। সবুজ ছায়ায় ঘেরা বাড়ি আর দেওয়ালে কি অন্য কোনো রংয়ের ছায়া ছলকে যায়?

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সবুজের মায়ায় ভৌতিক গ্রাম, বাসিন্দা মাত্র ৫ জন

আপডেট টাইম : ১১:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ এই গ্রামটি পরিত্যক্ত হয়েছিল কবেই। খাঁ খাঁ পড়েছিল গ্রামের বাড়ি-ঘর, পথ-ঘাট। ক্রমশ জুটে গিয়েছিল ‘ভৌতিক’ বলে খ্যাতিও। কিন্তু ক্রমে সেই ‘ভূতুড়ে’ গ্রামটিই হয়ে উঠল পর্যটক-আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। এমনটাই ঘটেছে পূর্ব চিনের শেংশান দ্বীপের গ্রাম হোউতোউওয়ানের ভাগ্যে। একদা এই গ্রামে ছিল ৩,০০০ মৎস্যজীবীর বাস। ১৯৯০-এর দশকে এই গ্রামের বাসিন্দারা শহরের আকর্ষণে গ্রাম ছাড়তে শুরু করেন এবং একসময়ে গ্রামটি জনহীন হয়ে পড়ে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজ এই জনপদে মাত্র ৫ জন মানুষ বাস করেন। সাংহাই থেকে ৫৫ মাইল দূরে অবস্থিত হোউতোউওয়ান জনশূন্য হলেও আজ তা এক নামকরা পর্যটনক্ষেত্র। নির্জন গ্রামটির সবক’টি বাড়িকেই ঢেকে ফেলেছে সবুজ লতা। বাড়িগুলোর ভিত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে আইভিলতার শিকড়। গোটা গ্রামটিই যেন ঢাকা পড়ে গিয়েছে মায়াবি সবুজে।

ব্যস্ত শহর সাংহাই এই গ্রামটিকেই বেছে নেয় তার সন্নিহিত পর্যটনক্ষেত্র হিসেবে। সেখানে এক সুবিশাল স্টারবাকস রেস্তোরাঁ খোলা হয়।

হোউতোউওয়ানে পর্যটকদের আনাগোনা নিয়মিত। কিন্তু কেউ না কি এখানে ভূত দেখেছেন? উত্তরে বেশির ভাগ ট্যুরিস্টই মুখ টিপে হাসেন। সবুজ ছায়ায় ঘেরা বাড়ি আর দেওয়ালে কি অন্য কোনো রংয়ের ছায়া ছলকে যায়?