ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

পাটের বস্তা ব্যবহার নিশ্চিতে শুরু হচ্ছে বিশেষ অভিযান

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম বলেছেন, নির্ধারিত ছয়টি পণ্য পরিবহন ও সংরক্ষণে পাটের বস্তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে আবারো সারাদেশে বিশেষ অভিযান শুরু হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর ফার্মগেইটের জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি) মিলনায়তনে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০’ সুষ্ঠু বাস্তবায়ন পর্যালোচনা, ভবিষ্যত করণীয় বিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডার নিয়ে আয়োজিত  মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, ব্যাংক ঋণ সুবিধা বন্ধ, লাইসেন্স বাতিল, আইআরসি বা ইআরসি বাতিলের বিধান রেখে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০’ বাস্তবায়নে এবার আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আরো কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এ কাদের সরকার, অতিরিক্ত সচিব গোপাল কৃষ্ণ ভট্টাচার্য্য, ড. মো. নজরুল আনোয়ার, পাট অধিদফতরের মহাপরিচালক মোছলেহ উদ্দিন, বিজেএমসির পরিচালক এ কে নাজমুজ্জামান, বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণসহ পাট অধিদফতরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ অভিযানে কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড এ দুটি দণ্ডের ওপর অধিক গুরুত্ব দেয় হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ধান, চাল, গম, ভুট্টা, সার, চিনি সংরক্ষণ ও পরিবহনে দেশের বিভাগ, জেলা, উপজেলা, থানা পর্যায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে। আবারো ধান, চাল, গম, ভুট্টা, সার, চিনি সংরক্ষণ ও পরিবহনে প্লাস্টিকের বস্তার ব্যবহার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ জন্য আবারো ঢাকাসহ সারাদেশে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হবে।

পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০-এর ধারা ১৪ অনুযায়ী পাটের মোড়ক ব্যবহার না করলে অনূর্ধ্ব এক বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এ অপরাধ পুনঃসংগঠিত হলে সর্বোচ্চ দণ্ডের দ্বিগুণ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

পাটের বস্তা ব্যবহার নিশ্চিতে শুরু হচ্ছে বিশেষ অভিযান

আপডেট টাইম : ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম বলেছেন, নির্ধারিত ছয়টি পণ্য পরিবহন ও সংরক্ষণে পাটের বস্তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে আবারো সারাদেশে বিশেষ অভিযান শুরু হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর ফার্মগেইটের জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি) মিলনায়তনে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০’ সুষ্ঠু বাস্তবায়ন পর্যালোচনা, ভবিষ্যত করণীয় বিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডার নিয়ে আয়োজিত  মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, ব্যাংক ঋণ সুবিধা বন্ধ, লাইসেন্স বাতিল, আইআরসি বা ইআরসি বাতিলের বিধান রেখে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০’ বাস্তবায়নে এবার আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আরো কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এ কাদের সরকার, অতিরিক্ত সচিব গোপাল কৃষ্ণ ভট্টাচার্য্য, ড. মো. নজরুল আনোয়ার, পাট অধিদফতরের মহাপরিচালক মোছলেহ উদ্দিন, বিজেএমসির পরিচালক এ কে নাজমুজ্জামান, বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণসহ পাট অধিদফতরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ অভিযানে কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড এ দুটি দণ্ডের ওপর অধিক গুরুত্ব দেয় হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ধান, চাল, গম, ভুট্টা, সার, চিনি সংরক্ষণ ও পরিবহনে দেশের বিভাগ, জেলা, উপজেলা, থানা পর্যায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে। আবারো ধান, চাল, গম, ভুট্টা, সার, চিনি সংরক্ষণ ও পরিবহনে প্লাস্টিকের বস্তার ব্যবহার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ জন্য আবারো ঢাকাসহ সারাদেশে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হবে।

পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০-এর ধারা ১৪ অনুযায়ী পাটের মোড়ক ব্যবহার না করলে অনূর্ধ্ব এক বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এ অপরাধ পুনঃসংগঠিত হলে সর্বোচ্চ দণ্ডের দ্বিগুণ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।