ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

নির্বাচন কমিশনের গ্রহণযোগ্য রূপরেখা চুড়ান্ত করেছেন খালেদা

আগামী জাতীয় নির্বাচনে সকল দলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) রূপরেখা চূড়ান্ত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আগামী ১৮ নভেম্বর বিকেল ৪টায় রাজধানী হোটেল ওয়েস্টিনে এ রূপরেখা ঘোষণা করবেন। ইতোমধ্যে দলের নেতারা একটি রূপরেখা চূড়ান্ত করেছেন যা শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করবেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন কার্যালয়ের সূত্র জানায়, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটর সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ওই রূপরেখা তৈরি করছেন।

ওই রূপরেখায় রাষ্ট্রপতি গঠিত ২০১২ সালের আদলে গঠিত সার্চ কমিটি নয়। নির্বাচনে অংশ নেওয়া সকল রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে তাদের মাধ্যমেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার থেকে নির্বাচন কমিশনাদের নাম চূড়ান্ত করে তাদের দিয়ে ইসি পুনর্গঠনের প্রস্তাব থাকবে।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, বেগম খালেদা জিয়া চান অতীতে সব মহলে সব দল যেভাবে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়েছে সেভাবে সবার কাছে শ্রদ্ধা ও সম্মানের, নিরপেক্ষ, ইমেজের ব্যক্তিত্ব এবং সাহসিকতা নিয়ে কর্মজীবনে দক্ষতা দেখিয়েছেন তাদেরকে নিয়েই নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে।

সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়ায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সাবেক যে কোন মূখ্য সচিব, সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব বা সমমর্যাদার সকল রাজনৈতিক দলের কাছে গ্রহণযোগ্য কাউকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দেখতে চান বিএনপি চেয়ারপারসসন। নির্বাচন কমিশনার পদেও একইভাবে সকলের কাছে গ্রহনযোগ্য সাবেক সামরিক, বেসামরিক আমলা কিংবা আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ও বিশিষ্ট নাগরিকদের নিয়োগের প্রস্তাবনা রয়েছে বিএনপির রূপরেখায়।

পাশাপাশি সংবিধানে প্রদত্ত নির্বাচন কমিশনের ওপর নির্বাচনকালীন স্বাধীন ও প্রভাবমুক্ত ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে আগামী নির্বাচনে তা কার্যকর দেখতে চায় বিএনপি।
সূত্র আরো জানায়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার হিসেবে গ্রহণযোগ্য বক্তিদের একটি তালিকা তৈরি করেছে বিএনপি। তবে কৌশলগত কারণ এখনই তা প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকবে দলঠি। সরকারের পক্ষ থেকে বিএনপির দেওয়া গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশনের রূপরেখা বাস্তবায়নে আন্তরিকতা দেখালে এবং রাষ্ট্রপতি সকল দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনার উদ্যোগ নিলে তালিকাটি প্রকাশ করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

নির্বাচন কমিশনের গ্রহণযোগ্য রূপরেখা চুড়ান্ত করেছেন খালেদা

আপডেট টাইম : ০৫:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৬

আগামী জাতীয় নির্বাচনে সকল দলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) রূপরেখা চূড়ান্ত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আগামী ১৮ নভেম্বর বিকেল ৪টায় রাজধানী হোটেল ওয়েস্টিনে এ রূপরেখা ঘোষণা করবেন। ইতোমধ্যে দলের নেতারা একটি রূপরেখা চূড়ান্ত করেছেন যা শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করবেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন কার্যালয়ের সূত্র জানায়, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটর সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ওই রূপরেখা তৈরি করছেন।

ওই রূপরেখায় রাষ্ট্রপতি গঠিত ২০১২ সালের আদলে গঠিত সার্চ কমিটি নয়। নির্বাচনে অংশ নেওয়া সকল রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে তাদের মাধ্যমেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার থেকে নির্বাচন কমিশনাদের নাম চূড়ান্ত করে তাদের দিয়ে ইসি পুনর্গঠনের প্রস্তাব থাকবে।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, বেগম খালেদা জিয়া চান অতীতে সব মহলে সব দল যেভাবে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়েছে সেভাবে সবার কাছে শ্রদ্ধা ও সম্মানের, নিরপেক্ষ, ইমেজের ব্যক্তিত্ব এবং সাহসিকতা নিয়ে কর্মজীবনে দক্ষতা দেখিয়েছেন তাদেরকে নিয়েই নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে।

সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়ায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সাবেক যে কোন মূখ্য সচিব, সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব বা সমমর্যাদার সকল রাজনৈতিক দলের কাছে গ্রহণযোগ্য কাউকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দেখতে চান বিএনপি চেয়ারপারসসন। নির্বাচন কমিশনার পদেও একইভাবে সকলের কাছে গ্রহনযোগ্য সাবেক সামরিক, বেসামরিক আমলা কিংবা আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ও বিশিষ্ট নাগরিকদের নিয়োগের প্রস্তাবনা রয়েছে বিএনপির রূপরেখায়।

পাশাপাশি সংবিধানে প্রদত্ত নির্বাচন কমিশনের ওপর নির্বাচনকালীন স্বাধীন ও প্রভাবমুক্ত ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে আগামী নির্বাচনে তা কার্যকর দেখতে চায় বিএনপি।
সূত্র আরো জানায়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার হিসেবে গ্রহণযোগ্য বক্তিদের একটি তালিকা তৈরি করেছে বিএনপি। তবে কৌশলগত কারণ এখনই তা প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকবে দলঠি। সরকারের পক্ষ থেকে বিএনপির দেওয়া গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশনের রূপরেখা বাস্তবায়নে আন্তরিকতা দেখালে এবং রাষ্ট্রপতি সকল দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনার উদ্যোগ নিলে তালিকাটি প্রকাশ করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।