ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন আওয়ামী আমলের আমলনামা উন্নয়নের আড়ালে ২৮ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ২৯ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে উঠে যাচ্ছে ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে জুবাইদা রহমানের আহ্বান কৃষিতেও বাড়ছে খেলাপির চাপ ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছ: হুমায়ূন কবির আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় সামরিক চুক্তিতে বাধ্য করার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

পরিযায়ী ভূচর পাখি ধূসর ডানা কালো দামা

পরিযায়ী ভূচর পাখি। শালিক আকৃতিক গড়ন। চেহারা সাদা-কালো হলেও দেখতে মন্দ নয়। প্রাকৃতিক আবাস্থল ওক প্রজাতির গাছ অথবা সুঁচালো চিরহরিৎ বন। বিচরণ রয়েছে পাথুরে এলাকায়ও। দেশে যত্রতত্র দেখা যায় না। পরিত্যক্ত বা স্যাঁতসেঁতে এলাকার লতাপাতা উল্টিয়ে খাবার খোঁজে। বেশিরভাগই একাকী বিচরণ করে। পুরুষ পাখির তুলনায় স্ত্রী পাখি নিষ্প্রভ। ভিন্ন প্রজাতির মনে হতে পারে। স্ত্রী পাখি দেখতে কিছুটা কাঠশালিকের মতো। বৈশ্বিক বিস্তৃতি বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, মিয়ানমার, লাওস, তিব্বত, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড পর্যন্ত। প্রজাতিটি বিশ্বব্যাপী হুমকি নয়, ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
পাখির বাংলা নাম: ‘ধূসর ডানা কালো দামা’, ইংরেজি নাম: ‘গ্রে-উইংগড ব্ল্যাকবার্ড’ (Grey-winged Blackbird), বৈজ্ঞানিক নাম: Turdus boulboul। এরা ‘ধলাপাখ কালিদামা’ নামেও পরিচিত।
প্রজাতি দৈর্ঘ্যে ২৭-২৯ সেন্টিমিটার লম্বা। ওজন ৮৫ থেকে ১০৫ গ্রাম। স্ত্রী-পুরুষ পাখির চেহারায় পার্থক্য রয়েছে। পুরুষ পাখির মাথা, ঘাড়, পিঠ ও লেজ আঁশটে কুচকুচে কালো। ডানার প্রান্ত পালক কালো মধ্যখানে ধূসর সাদা। দেহতল কালো হলেও পেটের দুপাশে সাদা ছিট দেখা যায়। চোখের বলয় হলদেটে। ঠোঁট ও পা কমলা-হলুদ। অপরদিকে স্ত্রী পাখির মাথা ও পিঠ ধূসর বাদামি। চোখের বলয় কালচে। ঠোঁট ও পা পুরুষ পাখিদের মতো উজ্জ্বল হলুদ নয়।
প্রধান খাবার: শুককীট, শুঁয়োপোকা, কেঁচো, পোকামাকড় ছোট ফল ইত্যাদি।
প্রজনন মৌসুম এপ্রিল থেকে জুলাই। অঞ্চলভেদে প্রজনন মৌসুমের হেরফের রয়েছে। বাসা বাঁধে ভূমি থেকে ১-৩ মিটার উঁচুতে। কাপ আকৃতির বাসা। উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করে শৈবাল, শুকনো ঘাস ও লতাপাতা। ডিম পাড়ে ৩-৪টি। ডিম ফুটতে সময় ১৪-১৫ দিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন

পরিযায়ী ভূচর পাখি ধূসর ডানা কালো দামা

আপডেট টাইম : ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০১৭

পরিযায়ী ভূচর পাখি। শালিক আকৃতিক গড়ন। চেহারা সাদা-কালো হলেও দেখতে মন্দ নয়। প্রাকৃতিক আবাস্থল ওক প্রজাতির গাছ অথবা সুঁচালো চিরহরিৎ বন। বিচরণ রয়েছে পাথুরে এলাকায়ও। দেশে যত্রতত্র দেখা যায় না। পরিত্যক্ত বা স্যাঁতসেঁতে এলাকার লতাপাতা উল্টিয়ে খাবার খোঁজে। বেশিরভাগই একাকী বিচরণ করে। পুরুষ পাখির তুলনায় স্ত্রী পাখি নিষ্প্রভ। ভিন্ন প্রজাতির মনে হতে পারে। স্ত্রী পাখি দেখতে কিছুটা কাঠশালিকের মতো। বৈশ্বিক বিস্তৃতি বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, মিয়ানমার, লাওস, তিব্বত, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড পর্যন্ত। প্রজাতিটি বিশ্বব্যাপী হুমকি নয়, ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
পাখির বাংলা নাম: ‘ধূসর ডানা কালো দামা’, ইংরেজি নাম: ‘গ্রে-উইংগড ব্ল্যাকবার্ড’ (Grey-winged Blackbird), বৈজ্ঞানিক নাম: Turdus boulboul। এরা ‘ধলাপাখ কালিদামা’ নামেও পরিচিত।
প্রজাতি দৈর্ঘ্যে ২৭-২৯ সেন্টিমিটার লম্বা। ওজন ৮৫ থেকে ১০৫ গ্রাম। স্ত্রী-পুরুষ পাখির চেহারায় পার্থক্য রয়েছে। পুরুষ পাখির মাথা, ঘাড়, পিঠ ও লেজ আঁশটে কুচকুচে কালো। ডানার প্রান্ত পালক কালো মধ্যখানে ধূসর সাদা। দেহতল কালো হলেও পেটের দুপাশে সাদা ছিট দেখা যায়। চোখের বলয় হলদেটে। ঠোঁট ও পা কমলা-হলুদ। অপরদিকে স্ত্রী পাখির মাথা ও পিঠ ধূসর বাদামি। চোখের বলয় কালচে। ঠোঁট ও পা পুরুষ পাখিদের মতো উজ্জ্বল হলুদ নয়।
প্রধান খাবার: শুককীট, শুঁয়োপোকা, কেঁচো, পোকামাকড় ছোট ফল ইত্যাদি।
প্রজনন মৌসুম এপ্রিল থেকে জুলাই। অঞ্চলভেদে প্রজনন মৌসুমের হেরফের রয়েছে। বাসা বাঁধে ভূমি থেকে ১-৩ মিটার উঁচুতে। কাপ আকৃতির বাসা। উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করে শৈবাল, শুকনো ঘাস ও লতাপাতা। ডিম পাড়ে ৩-৪টি। ডিম ফুটতে সময় ১৪-১৫ দিন।