ঢাকা , রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের নির্দেশে ওসমান হাদির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা দিলেন ব্যবসায়ী ফাহিম আমাদের ইসলাম ও মওদুদীর ইসলাম এক নয় নির্বাচনে অংশ নিলেও জামায়াত একটি আসনও পাবে না: আল্লামা শাহ মহিবুল্লাহ বাবুনগরী সুদানের আবেইতে ইউএন ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত তারেক রহমানের সময়োপযোগী ও সাহসী সিদ্ধান্ত দেশের ৯৬ ভাগ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এআই ব্যবহার করেন সপ্তাহজুড়ে শৈত্যপ্রবাহে কাঁপবে ৪ থেকে ৫ জেলা হাদিকে নিয়ে মানববন্ধন থেকে ফেরার পথে ২ জনকে কুপিয়ে জখম হলুদ সরিষা ফুলে ভরে উঠেছে মাঠ, কৃষকের বাড়তি লাভের আশা দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ হাদির উপর গুলি, নির্বাচন হবে কিনা তা নিয়ে আশঙ্কা: বদিউল আলম মজুমদার

রুনা লায়লার সুরে গাইলেন আঁখি

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  উপমহাদেশের বরেণ্য সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। ৫২ বছরের পথচলায় তিনি চলচ্চিত্রে এবং মঞ্চে সমান জনপ্রিয়তা নিয়ে আজও গেয়ে চলেছেন। দীর্ঘ সংগীত জীবনের পথচলায় এবারই প্রথম রুনা লায়লা কোনো গানের সুর করেছেন।

চিত্রনায়ক আলমগীরের নতুন নির্মিতব্য ‘একটি সিনেমার গল্প’ ছবির একটি গানের সুর করেছেন তিনি। তাঁর সুর করা গানে কণ্ঠ দিয়েছেন আঁখি আলমগীর। বিষয়টি নিশ্চিত হতে আলমগীরকে ফোন করা হলে তিনি এর নিশ্চয়তা দেন।

বরেণ্য গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা ‘গল্প কথার ওই কল্পলোকে জানি, একদিন চলে যাব, কোথায় শুরু আর শেষ হবে কোথায়, সে কথা বলে যাব’- এমন জীবন ঘনিষ্ঠ গীতিকবিতার গানটিরই সুর করেছেন রুনা লায়লা। এরই মধ্যে গানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান রুনা লায়লা।

জীবনের প্রথম কোনো গানের সুর করা এবং আঁখি আলমগীরের গায়কী প্রসঙ্গে রুনা লায়লা বলেন, ‘সত্যি বলতে কী, আলমগীরের উৎসাহেই গানটির সুর করা। গানের কথা খুব ভালো লেগেছে আমার। আমি মনে করি একটি গানের সুর করাটাই হচ্ছে সবচেয়ে কঠিন কাজ। সেই কঠিন কাজটিই জীবনের প্রথম করেছি। যে কারণে আমাকে সুর নিয়ে বেশ ভাবতে হয়েছে। তবে আলমগীরের কাছে আমার শর্ত ছিল একটাই, তা হলো অ্যাকুস্টিক ইন্সট্রুম্যান্ট দিয়েই গানের পুরো কাজ শেষ করতে হবে এবং তাই হয়েছে। গানটি গাইবার আগে আঁখি ভীষণ ভয়ে ছিল। কিন্তু তার ভেতর আমি আত্মবিশ্বাসটা দেখেছি। গানটি যেহেতু ক্লাসিক্যাল, তাই আঁখি খুব কষ্ট করেছে গানটির চূড়ান্ত রেকর্ডিংয়ের আগ পর্যন্ত। অবশেষে আঁখি অসাধারণ গেয়েছে। আমার মনে হয় এ গানটি একটি মাইলস্টোন গান হবে।’

আঁখি আলমগীর বলেন, ‘আমার বাবা এবং রুনা আন্টির কাছে আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ যে, আমার ওপর বিশ্বাস রেখে তারা আমাকে দিয়ে এমন একটি গান করিয়েছেন। আমার জীবনে এই গান এক ইতিহাস। আমি সত্যিই ভীষণ ভয়ে ছিলাম যে, ঠিকভাবে গাইতে পারব কিনা। তবে যেহেতু উচ্চাঙ্গ সংগীত আমার জানা, তাই আত্মবিশ্বাস ছিল, আমি সঠিকভাবে গাইতে পারব। রুনা আন্টি আমাকে এই গানের জন্য যেসব টেকনিক শিখিয়েছেন তাতে আমার গানের ধারাই পরিবর্তন হয়ে গেছে। গানটির রেকর্ডিং শেষে তিনি যখন আমাকে জড়িয়ে ধরেন তখন বাবা, আমি আর আন্টি কাঁদছিলাম। আর এটাই ছিল আমার এ গানের জন্য বড় প্রাপ্তি।’

আলমগীর জানান, এই গানটি ঋতুপর্ণার লিপে যাবে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে বিএফডিসিতে উত্তম গুহের তৈরি সেটে ‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রটির শুটিং শুরু হবে। এর কাহিনী, সংলাপ, চিত্রনাট্য আলমগীরের। আলমগীরের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা ‘আইকন এন্টারটেইনমেন্ট’ এর ব্যানারে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের নির্দেশে ওসমান হাদির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা দিলেন ব্যবসায়ী ফাহিম

রুনা লায়লার সুরে গাইলেন আঁখি

আপডেট টাইম : ১১:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ অগাস্ট ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  উপমহাদেশের বরেণ্য সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। ৫২ বছরের পথচলায় তিনি চলচ্চিত্রে এবং মঞ্চে সমান জনপ্রিয়তা নিয়ে আজও গেয়ে চলেছেন। দীর্ঘ সংগীত জীবনের পথচলায় এবারই প্রথম রুনা লায়লা কোনো গানের সুর করেছেন।

চিত্রনায়ক আলমগীরের নতুন নির্মিতব্য ‘একটি সিনেমার গল্প’ ছবির একটি গানের সুর করেছেন তিনি। তাঁর সুর করা গানে কণ্ঠ দিয়েছেন আঁখি আলমগীর। বিষয়টি নিশ্চিত হতে আলমগীরকে ফোন করা হলে তিনি এর নিশ্চয়তা দেন।

বরেণ্য গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা ‘গল্প কথার ওই কল্পলোকে জানি, একদিন চলে যাব, কোথায় শুরু আর শেষ হবে কোথায়, সে কথা বলে যাব’- এমন জীবন ঘনিষ্ঠ গীতিকবিতার গানটিরই সুর করেছেন রুনা লায়লা। এরই মধ্যে গানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান রুনা লায়লা।

জীবনের প্রথম কোনো গানের সুর করা এবং আঁখি আলমগীরের গায়কী প্রসঙ্গে রুনা লায়লা বলেন, ‘সত্যি বলতে কী, আলমগীরের উৎসাহেই গানটির সুর করা। গানের কথা খুব ভালো লেগেছে আমার। আমি মনে করি একটি গানের সুর করাটাই হচ্ছে সবচেয়ে কঠিন কাজ। সেই কঠিন কাজটিই জীবনের প্রথম করেছি। যে কারণে আমাকে সুর নিয়ে বেশ ভাবতে হয়েছে। তবে আলমগীরের কাছে আমার শর্ত ছিল একটাই, তা হলো অ্যাকুস্টিক ইন্সট্রুম্যান্ট দিয়েই গানের পুরো কাজ শেষ করতে হবে এবং তাই হয়েছে। গানটি গাইবার আগে আঁখি ভীষণ ভয়ে ছিল। কিন্তু তার ভেতর আমি আত্মবিশ্বাসটা দেখেছি। গানটি যেহেতু ক্লাসিক্যাল, তাই আঁখি খুব কষ্ট করেছে গানটির চূড়ান্ত রেকর্ডিংয়ের আগ পর্যন্ত। অবশেষে আঁখি অসাধারণ গেয়েছে। আমার মনে হয় এ গানটি একটি মাইলস্টোন গান হবে।’

আঁখি আলমগীর বলেন, ‘আমার বাবা এবং রুনা আন্টির কাছে আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ যে, আমার ওপর বিশ্বাস রেখে তারা আমাকে দিয়ে এমন একটি গান করিয়েছেন। আমার জীবনে এই গান এক ইতিহাস। আমি সত্যিই ভীষণ ভয়ে ছিলাম যে, ঠিকভাবে গাইতে পারব কিনা। তবে যেহেতু উচ্চাঙ্গ সংগীত আমার জানা, তাই আত্মবিশ্বাস ছিল, আমি সঠিকভাবে গাইতে পারব। রুনা আন্টি আমাকে এই গানের জন্য যেসব টেকনিক শিখিয়েছেন তাতে আমার গানের ধারাই পরিবর্তন হয়ে গেছে। গানটির রেকর্ডিং শেষে তিনি যখন আমাকে জড়িয়ে ধরেন তখন বাবা, আমি আর আন্টি কাঁদছিলাম। আর এটাই ছিল আমার এ গানের জন্য বড় প্রাপ্তি।’

আলমগীর জানান, এই গানটি ঋতুপর্ণার লিপে যাবে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে বিএফডিসিতে উত্তম গুহের তৈরি সেটে ‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রটির শুটিং শুরু হবে। এর কাহিনী, সংলাপ, চিত্রনাট্য আলমগীরের। আলমগীরের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা ‘আইকন এন্টারটেইনমেন্ট’ এর ব্যানারে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হবে।