ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মারা গেছেন আলোচিত সেই ‌‘সিরিয়াল কিলার’ সাইকো সম্রাট গুপ্ত এবং অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে ভোট করতে হয়েছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে জুবাইদা রহমান ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের নতি স্বীকার: ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম থেকে পিছুটান ট্রাম্পের আলোচনার দাবিকে উড়িয়ে দিল ইরান, ‘কোনো আলোচনাই হয়নি’—আরাগচি ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে অস্ত্রোপচার, ডক্টরস কেয়ার হাসপাতাল সিলগালা গাবতলী থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত তোরণ-পোস্টার লাগানো নিষেধ মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দোয়া চেয়েছে পরিবার অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে তারেক রহমানকে ‌অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব উত্থাপন ৯০ টাকার তরমুজ ৬০ টাকা, তবুও মিলছে না ক্রেতা

ট্রাম্পের আলোচনার দাবিকে উড়িয়ে দিল ইরান, ‘কোনো আলোচনাই হয়নি’—আরাগচি

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে শান্তি আলোচনার দাবি করেছেন, তা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে তেহরান।

সোমবার (২৩ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প জানান, “গঠনমূলক আলোচনা” হওয়ায় তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার পরিকল্পনা আপাতত পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করেছেন। তার এই ঘোষণায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল।

তবে ইরানের পক্ষ থেকে এই দাবি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করা হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আধা-সরকারি মেহের নিউজ-কে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা হয়নি। তার মতে, ট্রাম্প মূলত সময়ক্ষেপণ এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম কমানোর উদ্দেশ্যে এমন বক্তব্য দিচ্ছেন।

আরাগচি আরও মন্তব্য করেন, “যখন সময় আসবে, তখন ট্রাম্প তার সামরিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন।” তার এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, তেহরান এখনো ওয়াশিংটনের ওপর আস্থা রাখতে প্রস্তুত নয়।

এর আগে শনিবার ট্রাম্প ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন, যাতে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে বলা হয়। অন্যথায় ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি দেন তিনি। কিন্তু সর্বশেষ ঘোষণায় তিনি সেই অবস্থান থেকে কিছুটা সরে এসে হামলা স্থগিতের কথা জানান এবং আলোচনার দাবি করেন।

অন্যদিকে, আরাগচি বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলো উত্তেজনা কমাতে উদ্যোগ নিচ্ছে ঠিকই, তবে তাদের উচিত সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কথা বলা, কারণ তারাই এই সংঘাতের সূচনা করেছে।

এদিকে ইরানি গণমাধ্যমগুলো দাবি করছে, তেহরানের পাল্টা হামলার হুমকির মুখেই ওয়াশিংটন পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। ফলে দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে এবং কূটনৈতিক অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে।

তথ্যসূত্র : আল-জাজিরা

 

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

মারা গেছেন আলোচিত সেই ‌‘সিরিয়াল কিলার’ সাইকো সম্রাট

ট্রাম্পের আলোচনার দাবিকে উড়িয়ে দিল ইরান, ‘কোনো আলোচনাই হয়নি’—আরাগচি

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে শান্তি আলোচনার দাবি করেছেন, তা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে তেহরান।

সোমবার (২৩ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প জানান, “গঠনমূলক আলোচনা” হওয়ায় তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার পরিকল্পনা আপাতত পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করেছেন। তার এই ঘোষণায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল।

তবে ইরানের পক্ষ থেকে এই দাবি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করা হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আধা-সরকারি মেহের নিউজ-কে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা হয়নি। তার মতে, ট্রাম্প মূলত সময়ক্ষেপণ এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম কমানোর উদ্দেশ্যে এমন বক্তব্য দিচ্ছেন।

আরাগচি আরও মন্তব্য করেন, “যখন সময় আসবে, তখন ট্রাম্প তার সামরিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন।” তার এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, তেহরান এখনো ওয়াশিংটনের ওপর আস্থা রাখতে প্রস্তুত নয়।

এর আগে শনিবার ট্রাম্প ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন, যাতে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে বলা হয়। অন্যথায় ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি দেন তিনি। কিন্তু সর্বশেষ ঘোষণায় তিনি সেই অবস্থান থেকে কিছুটা সরে এসে হামলা স্থগিতের কথা জানান এবং আলোচনার দাবি করেন।

অন্যদিকে, আরাগচি বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলো উত্তেজনা কমাতে উদ্যোগ নিচ্ছে ঠিকই, তবে তাদের উচিত সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কথা বলা, কারণ তারাই এই সংঘাতের সূচনা করেছে।

এদিকে ইরানি গণমাধ্যমগুলো দাবি করছে, তেহরানের পাল্টা হামলার হুমকির মুখেই ওয়াশিংটন পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। ফলে দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে এবং কূটনৈতিক অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে।

তথ্যসূত্র : আল-জাজিরা