ঢাকা , রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের নির্দেশে ওসমান হাদির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা দিলেন ব্যবসায়ী ফাহিম আমাদের ইসলাম ও মওদুদীর ইসলাম এক নয় নির্বাচনে অংশ নিলেও জামায়াত একটি আসনও পাবে না: আল্লামা শাহ মহিবুল্লাহ বাবুনগরী সুদানের আবেইতে ইউএন ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত তারেক রহমানের সময়োপযোগী ও সাহসী সিদ্ধান্ত দেশের ৯৬ ভাগ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এআই ব্যবহার করেন সপ্তাহজুড়ে শৈত্যপ্রবাহে কাঁপবে ৪ থেকে ৫ জেলা হাদিকে নিয়ে মানববন্ধন থেকে ফেরার পথে ২ জনকে কুপিয়ে জখম হলুদ সরিষা ফুলে ভরে উঠেছে মাঠ, কৃষকের বাড়তি লাভের আশা দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ হাদির উপর গুলি, নির্বাচন হবে কিনা তা নিয়ে আশঙ্কা: বদিউল আলম মজুমদার

ফাইল দ্রুত ছাড়লে পদোন্নতি: জয়

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিয়ষক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, দেশের টেন্ডার থেকে শুরু করে ফাইলিং সবকিছু ডিজিটাল হচ্ছে। দ্রুত ফাইল প্রক্রিয়াজাত করা এবং দুর্নীতি নির্মূলে এ ব্যবস্থা করা হবে সরকারের বিভিন্ন সংস্থায়। ফাইল জমা দিতে আর সরকারি অফিসে দৌড়াতে হবে না। সয়ংক্রিয়ভাবে ফাইল প্রক্রিয়াজাত হবে। এছাড়া  সরকারি কর্মকর্তাদের এই ফাইল প্রক্রিয়াধীন হবার সময় বিবেচনায় পয়েন্ট দেওয়া হবে এবং এই পয়েন্টগুলো তাদের অধিবৃত্তি এবং পদোন্নতি পেতে কাজে আসবে। তাই বিলম্ব না করার জন্য এটি তাদের অনুপ্রেরণা যোগাবে।

রবিবার রাতে জয় তার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এসব কথা লেখেন। জয় তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, বেশ কিছু সময় হয়েছে যে আমি ডিজিটাল বাংলাদেশ বিষয়ে লিখছি। গত ৭ বছরে অসাধারণ কিছু অর্জন রয়েছে। আরও অনেক কিছু অর্জন হবার পথে। আমরা এরই মাঝে সরকারি কাজের জন্য ই-টেন্ডারিং এবং ই-ফাইলিং পদ্ধতির পরিচয় ঘটিয়েছি। ধীরে ধীরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এই পদ্ধতি অবলম্বন করবে। ই-টেন্ডারিং দুর্নীতি রোধ করবে, কারণ টেন্ডার জমা দিতে আর কোনো অফিসে যাবার প্রয়োজন হবে না। টেন্ডারগুলোও ইলেক্ট্রনিক্যালি প্রক্রিয়াজাত হবে। তাই এতে কারোর হস্তক্ষেপ করার সুযোগ থাকবে না।

ই-ফাইলিং সরকারের বিভিন্ন সংস্থায় ব্যবহার হবে যেন ফাইল দ্রুত প্রক্রিয়াজাত হয়। সংক্রিয়ভাবে ফাইলগুলো প্রক্রিয়াধীন হবার সময় পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে।

নাগরিকদের বিভিন্ন নিবন্ধন প্রক্রিয়া যেমন জন্ম নিবন্ধন, চালকের লাইসেন্স প্রভৃতি সব সনদ জাতীয় পরিচয়পত্রের সিস্টেমে সংযুক্ত হচ্ছে যেন জালিয়াতি নির্মূল করা যায়। প্রথম থেকে সিস্টেমগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এভাবে ডিজাইন করা হচ্ছে। এসবে সেগমেন্টেশনের পাশাপাশি এডভান্স এক্সেস কন্ট্রোল সিস্টেম রয়েছে। ২০১৮ সালের মাঝে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ফাইবার অপটিক ক্যাবল নিয়ে যাবার একটি প্রকল্প চালু রয়েছে। সেই সময়ের মাঝে লক্ষ্য হচ্ছে ৫ মেগাবাইট প্রতি সেকেন্ডের কানেকশন সব জায়গায় সহজলভ্য করা।

আমাদের সরকারের কেন্দ্রীয় ওয়েব পোর্টালে একটি সেকশন ইতিমধ্যে রয়েছে যেখানে সকল সরকারি ফর্ম সহজলভ্য করা হয়েছে, যেন যে কেউ তা ডাউনলোড করতে পারে। এর মাঝে বেশিরভাগ ফর্মই পূরণ করে আবার অনলাইনেই জমা দেওয়া যায়। আপনাকে সরকারি অফিসে আসতেই হবে না যদি না টাকা পরিশোধ বা অন্য নথি জমা করার বিষয় থাকে। এই সবই অর্জন হয়েছে আমাদের আওয়ামী লীগ সরকারের জন্য। আওয়ামী লীগ ছাড়া, কোনো ডিজিটাল বাংলাদেশ থাকতো না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের নির্দেশে ওসমান হাদির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা দিলেন ব্যবসায়ী ফাহিম

ফাইল দ্রুত ছাড়লে পদোন্নতি: জয়

আপডেট টাইম : ০৬:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুলাই ২০১৬

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিয়ষক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, দেশের টেন্ডার থেকে শুরু করে ফাইলিং সবকিছু ডিজিটাল হচ্ছে। দ্রুত ফাইল প্রক্রিয়াজাত করা এবং দুর্নীতি নির্মূলে এ ব্যবস্থা করা হবে সরকারের বিভিন্ন সংস্থায়। ফাইল জমা দিতে আর সরকারি অফিসে দৌড়াতে হবে না। সয়ংক্রিয়ভাবে ফাইল প্রক্রিয়াজাত হবে। এছাড়া  সরকারি কর্মকর্তাদের এই ফাইল প্রক্রিয়াধীন হবার সময় বিবেচনায় পয়েন্ট দেওয়া হবে এবং এই পয়েন্টগুলো তাদের অধিবৃত্তি এবং পদোন্নতি পেতে কাজে আসবে। তাই বিলম্ব না করার জন্য এটি তাদের অনুপ্রেরণা যোগাবে।

রবিবার রাতে জয় তার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এসব কথা লেখেন। জয় তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, বেশ কিছু সময় হয়েছে যে আমি ডিজিটাল বাংলাদেশ বিষয়ে লিখছি। গত ৭ বছরে অসাধারণ কিছু অর্জন রয়েছে। আরও অনেক কিছু অর্জন হবার পথে। আমরা এরই মাঝে সরকারি কাজের জন্য ই-টেন্ডারিং এবং ই-ফাইলিং পদ্ধতির পরিচয় ঘটিয়েছি। ধীরে ধীরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এই পদ্ধতি অবলম্বন করবে। ই-টেন্ডারিং দুর্নীতি রোধ করবে, কারণ টেন্ডার জমা দিতে আর কোনো অফিসে যাবার প্রয়োজন হবে না। টেন্ডারগুলোও ইলেক্ট্রনিক্যালি প্রক্রিয়াজাত হবে। তাই এতে কারোর হস্তক্ষেপ করার সুযোগ থাকবে না।

ই-ফাইলিং সরকারের বিভিন্ন সংস্থায় ব্যবহার হবে যেন ফাইল দ্রুত প্রক্রিয়াজাত হয়। সংক্রিয়ভাবে ফাইলগুলো প্রক্রিয়াধীন হবার সময় পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে।

নাগরিকদের বিভিন্ন নিবন্ধন প্রক্রিয়া যেমন জন্ম নিবন্ধন, চালকের লাইসেন্স প্রভৃতি সব সনদ জাতীয় পরিচয়পত্রের সিস্টেমে সংযুক্ত হচ্ছে যেন জালিয়াতি নির্মূল করা যায়। প্রথম থেকে সিস্টেমগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এভাবে ডিজাইন করা হচ্ছে। এসবে সেগমেন্টেশনের পাশাপাশি এডভান্স এক্সেস কন্ট্রোল সিস্টেম রয়েছে। ২০১৮ সালের মাঝে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ফাইবার অপটিক ক্যাবল নিয়ে যাবার একটি প্রকল্প চালু রয়েছে। সেই সময়ের মাঝে লক্ষ্য হচ্ছে ৫ মেগাবাইট প্রতি সেকেন্ডের কানেকশন সব জায়গায় সহজলভ্য করা।

আমাদের সরকারের কেন্দ্রীয় ওয়েব পোর্টালে একটি সেকশন ইতিমধ্যে রয়েছে যেখানে সকল সরকারি ফর্ম সহজলভ্য করা হয়েছে, যেন যে কেউ তা ডাউনলোড করতে পারে। এর মাঝে বেশিরভাগ ফর্মই পূরণ করে আবার অনলাইনেই জমা দেওয়া যায়। আপনাকে সরকারি অফিসে আসতেই হবে না যদি না টাকা পরিশোধ বা অন্য নথি জমা করার বিষয় থাকে। এই সবই অর্জন হয়েছে আমাদের আওয়ামী লীগ সরকারের জন্য। আওয়ামী লীগ ছাড়া, কোনো ডিজিটাল বাংলাদেশ থাকতো না।