ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মারা গেছেন আলোচিত সেই ‌‘সিরিয়াল কিলার’ সাইকো সম্রাট গুপ্ত এবং অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে ভোট করতে হয়েছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে জুবাইদা রহমান ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের নতি স্বীকার: ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম থেকে পিছুটান ট্রাম্পের আলোচনার দাবিকে উড়িয়ে দিল ইরান, ‘কোনো আলোচনাই হয়নি’—আরাগচি ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে অস্ত্রোপচার, ডক্টরস কেয়ার হাসপাতাল সিলগালা গাবতলী থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত তোরণ-পোস্টার লাগানো নিষেধ মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দোয়া চেয়েছে পরিবার অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে তারেক রহমানকে ‌অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব উত্থাপন ৯০ টাকার তরমুজ ৬০ টাকা, তবুও মিলছে না ক্রেতা

বায়তুল মোকাররমে পঞ্চম ও শেষ জামাতেও মুসল্লির ঢল

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামজের পঞ্চম ও শেষ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত শেষ জামাতে ইমামতি করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রথম চারটি জামাতের মতো পঞ্চম ও শেষ জামাতেও কয়েক হাজার মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। তবে প্রথম দুটি জামাতের তুলনায় পরের জামাতগুলোতে কিছুটা কম ছিলো মুসল্লির সংখ্যা। শেষ জামাতে যুবকদের উপস্থিতি তেমন দেখা যায়নি। প্রতিটি জামাতের আগে অনেককে সাদাকাতুল ফিতরের টাকা বিতরণ করতেও দেখা যায়।

এর আগে সকাল ৭টায় জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমানের ইমামতিতে প্রথম জামাত, ৮টায় পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভীর ইমামতিতে দ্বিতীয় জামাত, ৯টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মাওলানা মো. জাকির হোসেনের ইমামতিতে তৃতীয় জামাত এবং সকাল ১০টায় ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির ধর্মীয় প্রশিক্ষক মাওলানা যোবায়ের আহমেদ আল আযহারীর ইমামতিতে চতুর্থ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ জামাতের প্রত্যেকটিতে কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন এবং নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

প্রত্যেকটি জামাত শেষে পৃথক পৃথক দোয়া ও মোনাজাত পরিচালিত হয়েছে। এতে আল্লাহর কাছে গুনাহ থেকে মাফ চাওয়া ছাড়াও দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণ কামনা করা হয়। একইসঙ্গে দেশের উপর যেসব বালা-মুসিবত রয়েছে, তা থেকে বেঁচে থাকতে মহান আল্লাহর রহমত প্রার্থনা করা হয়।

এছাড়া মোনাজাতে রমজান মাসের রোজা ও অন্যান্য এবাদত যাতে আল্লাহ কবুলের জন্য আল্লাহর কাছে আর্তি জানানো হয়। মৃত আত্মীয়-স্বজনদের জন্যও জান্নাত কামনা করা হয় মোনাজাতে।

এসময় মুসল্লিদের অনেকেই চোখের জলে নিজের গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে মাফ চাইতে দেখা গেছে। মোনাজাতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নিপীড়িত মুসলমানদের হেফাজতের জন্যও দোয়া করা হয়।

প্রত্যেক নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মুসাফাহা (করমর্দন) ও মুআনাকা (কোলাকুলি) করতে দেখা যায়। অনেকে নামাজ শেষে দীর্ঘ সময় তসবিহ পাঠ করতেও দেখা যায়। এছাড়া ঈদের নামজ শেষে অনেকেই দুস্থ ও অসহায়দের মধ্যে অর্থ বিতরণ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

মারা গেছেন আলোচিত সেই ‌‘সিরিয়াল কিলার’ সাইকো সম্রাট

বায়তুল মোকাররমে পঞ্চম ও শেষ জামাতেও মুসল্লির ঢল

আপডেট টাইম : ১২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামজের পঞ্চম ও শেষ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত শেষ জামাতে ইমামতি করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রথম চারটি জামাতের মতো পঞ্চম ও শেষ জামাতেও কয়েক হাজার মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। তবে প্রথম দুটি জামাতের তুলনায় পরের জামাতগুলোতে কিছুটা কম ছিলো মুসল্লির সংখ্যা। শেষ জামাতে যুবকদের উপস্থিতি তেমন দেখা যায়নি। প্রতিটি জামাতের আগে অনেককে সাদাকাতুল ফিতরের টাকা বিতরণ করতেও দেখা যায়।

এর আগে সকাল ৭টায় জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমানের ইমামতিতে প্রথম জামাত, ৮টায় পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভীর ইমামতিতে দ্বিতীয় জামাত, ৯টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মাওলানা মো. জাকির হোসেনের ইমামতিতে তৃতীয় জামাত এবং সকাল ১০টায় ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির ধর্মীয় প্রশিক্ষক মাওলানা যোবায়ের আহমেদ আল আযহারীর ইমামতিতে চতুর্থ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ জামাতের প্রত্যেকটিতে কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন এবং নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

প্রত্যেকটি জামাত শেষে পৃথক পৃথক দোয়া ও মোনাজাত পরিচালিত হয়েছে। এতে আল্লাহর কাছে গুনাহ থেকে মাফ চাওয়া ছাড়াও দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণ কামনা করা হয়। একইসঙ্গে দেশের উপর যেসব বালা-মুসিবত রয়েছে, তা থেকে বেঁচে থাকতে মহান আল্লাহর রহমত প্রার্থনা করা হয়।

এছাড়া মোনাজাতে রমজান মাসের রোজা ও অন্যান্য এবাদত যাতে আল্লাহ কবুলের জন্য আল্লাহর কাছে আর্তি জানানো হয়। মৃত আত্মীয়-স্বজনদের জন্যও জান্নাত কামনা করা হয় মোনাজাতে।

এসময় মুসল্লিদের অনেকেই চোখের জলে নিজের গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে মাফ চাইতে দেখা গেছে। মোনাজাতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নিপীড়িত মুসলমানদের হেফাজতের জন্যও দোয়া করা হয়।

প্রত্যেক নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মুসাফাহা (করমর্দন) ও মুআনাকা (কোলাকুলি) করতে দেখা যায়। অনেকে নামাজ শেষে দীর্ঘ সময় তসবিহ পাঠ করতেও দেখা যায়। এছাড়া ঈদের নামজ শেষে অনেকেই দুস্থ ও অসহায়দের মধ্যে অর্থ বিতরণ করেন।