ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা গুমের সঙ্গে জড়িত কেউ আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না: আইনমন্ত্রী পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন অভিযান পুরোপুরি ব্যর্থ: ইরান স্পিকারের সহধর্মিণীর দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে সংবিধানের সমালোচনাকারীরা স্ব-বিরোধিতায় ভুগছেন সংসদে আহত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে আবেগঘন পরিবেশে প্রধানমন্ত্রী বাধ্যতামূলক অবসর-চাকরিচ্যুতির বিধান রেখে সরকারি চাকরি সংশোধন বিল পাস ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন নোবেল ২০২৫ সালে বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে ১১ লাখ বাংলাদেশির সরকারি চাকরিতে প্রবেশসীমা ৩২ বছর করে সংসদে বিল পাস

সঠিকভাবে কাজ করেন, না হয় চাকরি ছাড়েন

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ পরিকল্পনামাফিক প্রকল্প বাস্তবায়ন না হওয়া, কৃষির পুরনো ইতিহাস না জানা, চারা ও কৃষি উপকরণ বিতরণে অনিয়মসহ বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর চটেছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আব্দুল্লাহ। সিলেট অঞ্চলে আউশ আবাদ বৃদ্ধিকরণ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এ সময় সচিব কর্তব্যে অবহেলার জন্য সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক ও তাহিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে জানিয়ে কৃষি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, হয় সঠিকভাবে কাজ করেন, না হয় চাকরি ছাড়েন। দু’চার জনের জন্য সব সাফল্য ধুলিস্যাৎ হবে তা মানা যাবে না। এ সময় সচিব প্রকল্প বাস্তবায়ন সঠিকভাবে না হওয়ায় ডিপিপি (সম্ভাব্যতা যাচাই) প্রস্তুতকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। তাদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে শনিবার সকালে আয়োজিত কর্মশালায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেব বক্তৃতা করেন।

সচিব বলেন, সবজি ও ধানের চারা, কৃষি উপকরণ চাষিদের মাঝে ঠিকমতো বিতরণ করতে হবে। বিতরণের আগে ঘোষণা দিতে হবে। বিতরণের সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষক সমিতির প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করতে হবে। এ অঞ্চলের কৃষির ২৫-৩০ বছর আগের ইতিহাস জানতে হবে। তা না হলে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, এজন্য কৃষকদের কাছে যেতে হবে। তাদের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। তাদের কাছে যেতে না পারাটা নিজেদের ব্যর্থতা। অন্তত ৫০ শতাংশ জায়গায় যেতে পারলেও খুব ভালো কাজ হয়েছে বলে ধরে নেয়া যাবে।

কৃষি বিভাগের সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আলতাবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও পরিচালনায় সভায় বক্তৃতা করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. মহসীন, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবির, সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আলতাবুর রহমান, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক তমাল লতা আদিত্য, সিলেটের উপ-পরিচালক মো. আবুল হাসনাত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ফজলুল জাহিদ পাভেল, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।

কর্মশালায় সিলেট বিভাগের কর্মকর্তারা ছাড়াও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা

সঠিকভাবে কাজ করেন, না হয় চাকরি ছাড়েন

আপডেট টাইম : ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ মে ২০১৮

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ পরিকল্পনামাফিক প্রকল্প বাস্তবায়ন না হওয়া, কৃষির পুরনো ইতিহাস না জানা, চারা ও কৃষি উপকরণ বিতরণে অনিয়মসহ বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর চটেছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আব্দুল্লাহ। সিলেট অঞ্চলে আউশ আবাদ বৃদ্ধিকরণ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এ সময় সচিব কর্তব্যে অবহেলার জন্য সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক ও তাহিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে জানিয়ে কৃষি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, হয় সঠিকভাবে কাজ করেন, না হয় চাকরি ছাড়েন। দু’চার জনের জন্য সব সাফল্য ধুলিস্যাৎ হবে তা মানা যাবে না। এ সময় সচিব প্রকল্প বাস্তবায়ন সঠিকভাবে না হওয়ায় ডিপিপি (সম্ভাব্যতা যাচাই) প্রস্তুতকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। তাদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে শনিবার সকালে আয়োজিত কর্মশালায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেব বক্তৃতা করেন।

সচিব বলেন, সবজি ও ধানের চারা, কৃষি উপকরণ চাষিদের মাঝে ঠিকমতো বিতরণ করতে হবে। বিতরণের আগে ঘোষণা দিতে হবে। বিতরণের সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষক সমিতির প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করতে হবে। এ অঞ্চলের কৃষির ২৫-৩০ বছর আগের ইতিহাস জানতে হবে। তা না হলে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, এজন্য কৃষকদের কাছে যেতে হবে। তাদের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। তাদের কাছে যেতে না পারাটা নিজেদের ব্যর্থতা। অন্তত ৫০ শতাংশ জায়গায় যেতে পারলেও খুব ভালো কাজ হয়েছে বলে ধরে নেয়া যাবে।

কৃষি বিভাগের সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আলতাবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও পরিচালনায় সভায় বক্তৃতা করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. মহসীন, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবির, সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আলতাবুর রহমান, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক তমাল লতা আদিত্য, সিলেটের উপ-পরিচালক মো. আবুল হাসনাত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ফজলুল জাহিদ পাভেল, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।

কর্মশালায় সিলেট বিভাগের কর্মকর্তারা ছাড়াও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।