ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির বন্যাদুর্গতদের খোঁজ নিতে রোববার চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারে সচেতনতা থাকলেও আগ্রহ কম আত্মসচেতনতা

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ গত ৮ই মার্চ দেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। তাদের মধ্যে দুইজন ছিলেন প্রবাসী। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরিতে সরকারিভাবে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর ও রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। তারা বাইরে থেকে ফিরে সাবান বা অ্যালকোহলযুক্ত স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়ার পরামর্শ দিয়েছে। তারপর থেকেই দেশে শুরু হয় রোগী শনাক্তের পর থেকেই চাহিদা বেড়েছে মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজারের।

৯ই মার্চ বাজার থেকে যেন থেকে হঠাত্ করেই ‘উধাও’ হয়ে গেছে মাস্ক, হেক্সিসল, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ জীবাণু রোধে ব্যাবহার করা বিভিন্ন পণ্য। শহরের বিভিন্ন ঔষধের দোকান ও সুপারশপে এসব পণ্যের কোনো একটির দেখা মিললেও আরেকটি পাওয়া যাচ্ছে না। আবার যেসব দোকানে পাওয়া যাচ্ছে তা বিক্রি হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি দামে।

বিভিন্ন অফিস, আদালতসহ অধিকাংশ শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে প্রবেশের সময় হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা হেক্সিসল হ্যান্ড র‍্যাব দিয়ে হাত জীবাণুমুক্ত করা ও শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ অনেকটা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফলে জীবাণু রোধে ব্যবহার্য বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা বেড়েছে ব্যাপকভাবে।

আবার প্রবাসীরা যারা দেশে ফিরছেন তাদের সকলকেই কোয়ারেন্টিনে রাখা পাঠানো হয়েছে। যাদের হম কোয়ারেন্টিনে রাখা হচ্ছে তারা অনেকেই নিজ এলাকায় যেয়ে অবাধে বিচরন করছেন এবং আত্মীয় স্বজন নিয়ে ঘরাফেরা করছেন।

করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার ঘোষণা দিয়ে সবাইকে বাড়িতে থাকার আহ্বান জানিয়েছিল সরকার। যেন এই সংক্রামক ব্যাধির বিস্তার না ঘটে। তবে হঠাৎ ছুটি পেয়ে নির্দেশনা না মেনেই ঘুরতে বেরিয়ে গেছেন অনেকে। ভিড় বাড়ছে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে।

বিষয়টি নিয়ে জনগনের আত্মসচেতনতা বৃদ্ধি করতে না পারলে সরকারের একার পক্ষে এই বিপর্যয়ের মোকাবেলা করা সম্ভব হবে না বলে বলছেন বিশেষজ্ঞরা

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা

মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারে সচেতনতা থাকলেও আগ্রহ কম আত্মসচেতনতা

আপডেট টাইম : ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২০

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ গত ৮ই মার্চ দেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। তাদের মধ্যে দুইজন ছিলেন প্রবাসী। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরিতে সরকারিভাবে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর ও রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। তারা বাইরে থেকে ফিরে সাবান বা অ্যালকোহলযুক্ত স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়ার পরামর্শ দিয়েছে। তারপর থেকেই দেশে শুরু হয় রোগী শনাক্তের পর থেকেই চাহিদা বেড়েছে মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজারের।

৯ই মার্চ বাজার থেকে যেন থেকে হঠাত্ করেই ‘উধাও’ হয়ে গেছে মাস্ক, হেক্সিসল, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ জীবাণু রোধে ব্যাবহার করা বিভিন্ন পণ্য। শহরের বিভিন্ন ঔষধের দোকান ও সুপারশপে এসব পণ্যের কোনো একটির দেখা মিললেও আরেকটি পাওয়া যাচ্ছে না। আবার যেসব দোকানে পাওয়া যাচ্ছে তা বিক্রি হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি দামে।

বিভিন্ন অফিস, আদালতসহ অধিকাংশ শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে প্রবেশের সময় হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা হেক্সিসল হ্যান্ড র‍্যাব দিয়ে হাত জীবাণুমুক্ত করা ও শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ অনেকটা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফলে জীবাণু রোধে ব্যবহার্য বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা বেড়েছে ব্যাপকভাবে।

আবার প্রবাসীরা যারা দেশে ফিরছেন তাদের সকলকেই কোয়ারেন্টিনে রাখা পাঠানো হয়েছে। যাদের হম কোয়ারেন্টিনে রাখা হচ্ছে তারা অনেকেই নিজ এলাকায় যেয়ে অবাধে বিচরন করছেন এবং আত্মীয় স্বজন নিয়ে ঘরাফেরা করছেন।

করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার ঘোষণা দিয়ে সবাইকে বাড়িতে থাকার আহ্বান জানিয়েছিল সরকার। যেন এই সংক্রামক ব্যাধির বিস্তার না ঘটে। তবে হঠাৎ ছুটি পেয়ে নির্দেশনা না মেনেই ঘুরতে বেরিয়ে গেছেন অনেকে। ভিড় বাড়ছে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে।

বিষয়টি নিয়ে জনগনের আত্মসচেতনতা বৃদ্ধি করতে না পারলে সরকারের একার পক্ষে এই বিপর্যয়ের মোকাবেলা করা সম্ভব হবে না বলে বলছেন বিশেষজ্ঞরা