ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে : প্রেসিডেন্ট

প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, প্রকৃতির জন্য ক্ষতিকর এমন কাজ থেকে আমরা বিরত থাকি। প্রকৃতিকে বাঁচাই, নিজেও বাঁচি- এটাই হোক এবারের বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সকলের অঙ্গীকার। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে গতকাল রোববার এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও যথাযথ গুরুত্বের সাথে ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হচ্ছে জেনে প্রেসিডেন্ট সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি এ বছরে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘প্রাণের স্পন্দনে, প্রকৃতির বন্ধনে’। আর স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে আমি প্রকৃতির, প্রকৃতি আমার’। বিশ্বব্যাপী পরিবেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য ও স্লোগান যথার্থ হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, মানুষ ও প্রকৃতির বন্ধন অবিচ্ছেদ্য। সকল প্রাণী ও উদ্ভিদ জগতের অস্তিত্ব প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। প্রকৃতির মাঝে গড়ে ওঠা প্রতিবেশ ব্যবস্থা তার সেবা দিয়ে সকলকে বাঁচিয়ে রাখে। কিন্তু দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে ওঠা শিল্পায়ন, নগরায়ন ও বিলাসী জীবন-আচরণ প্রকৃতি ও প্রতিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করছে। তিনি বলেন, প্রকৃতি ও প্রতিবেশ বিশেষতঃ নদী, পাহাড়, বন বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় সরকার খুবই সচেতন। সব ধরনের দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সরকার পরিবেশ সংক্রান্ত নীতি ও আইন যুগোপযোগী করেছে ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ও সূচকের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যেভাবে সাফল্য লাভ করেছে, তারই ধারাবাহিকতায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডি্িজ) অর্জনের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আবদুল হামিদ বলেন, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা ও সূচকসমূহ চিহ্নিত করে তা নির্ধারিত সময়ে অর্জনের জন্য একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। এসডিজি লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জিত হলে দেশের পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে : প্রেসিডেন্ট

আপডেট টাইম : ০২:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুন ২০১৭

প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, প্রকৃতির জন্য ক্ষতিকর এমন কাজ থেকে আমরা বিরত থাকি। প্রকৃতিকে বাঁচাই, নিজেও বাঁচি- এটাই হোক এবারের বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সকলের অঙ্গীকার। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে গতকাল রোববার এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও যথাযথ গুরুত্বের সাথে ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হচ্ছে জেনে প্রেসিডেন্ট সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি এ বছরে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘প্রাণের স্পন্দনে, প্রকৃতির বন্ধনে’। আর স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে আমি প্রকৃতির, প্রকৃতি আমার’। বিশ্বব্যাপী পরিবেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য ও স্লোগান যথার্থ হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, মানুষ ও প্রকৃতির বন্ধন অবিচ্ছেদ্য। সকল প্রাণী ও উদ্ভিদ জগতের অস্তিত্ব প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। প্রকৃতির মাঝে গড়ে ওঠা প্রতিবেশ ব্যবস্থা তার সেবা দিয়ে সকলকে বাঁচিয়ে রাখে। কিন্তু দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে ওঠা শিল্পায়ন, নগরায়ন ও বিলাসী জীবন-আচরণ প্রকৃতি ও প্রতিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করছে। তিনি বলেন, প্রকৃতি ও প্রতিবেশ বিশেষতঃ নদী, পাহাড়, বন বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় সরকার খুবই সচেতন। সব ধরনের দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সরকার পরিবেশ সংক্রান্ত নীতি ও আইন যুগোপযোগী করেছে ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ও সূচকের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যেভাবে সাফল্য লাভ করেছে, তারই ধারাবাহিকতায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডি্িজ) অর্জনের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আবদুল হামিদ বলেন, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা ও সূচকসমূহ চিহ্নিত করে তা নির্ধারিত সময়ে অর্জনের জন্য একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। এসডিজি লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জিত হলে দেশের পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হবে।