ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

জমি খালি রাখলে মানুষের ক্ষুধা নিবারণ করা যাবে না: কৃষিমন্ত্রী

জমি খালি রাখলে, ফসল না ফলালে মানুষের ক্ষুধা নিবারণ করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ও মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য ড. মো. আব্দুস শহীদ। আজ শুক্রবার বিকেলে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের মাজদিহি চা বাগানে অসহায় ও শীতার্ত চা-শ্রমিকের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, ‘কৃষিমন্ত্রী হিসাবে আমি সবসময় কৃষকের সঙ্গে থাকব। লক্ষ্য একটাই- কোনো জমি খালি রাখা যাবে না। জমি খালি রাখলে, ফসল না ফলালে মানুষের ক্ষুধা নিবারণ করা যাবে না।’

উপস্থিত চা-শ্রমিক ও কৃষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বাড়ির আঙিনা খালি রাখবেন না। অন্তুত কিছু শিম গাছ, লাউ গাছ, করলার গাছ, কয়েকটি বেগুন গাছ, কিছু শাকসবজি লাগান; এতে নিজের খাবারের প্রয়োজন মিটবে, বাজার থেকে কিনে খেতে হবে না।’

আব্দুস শহীদ বলেন, ‘সব মানুষের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী দেশের সব মানুষের খোঁজ-খবর রাখেন। চা-শ্রমিকদের প্রধানমন্ত্রী খুবই ভালোবাসেন এবং সম্প্রতি তিনি চা-শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি করেছেন।’

চা-শ্রমিকের উদ্দেশে মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য বলেন, ‘আপনারা ভোট দিয়ে সাতবার আমাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। কয়েকদিন আগের নির্বাচনে ভোট দিয়ে আবারও আমাকে এমপি বানিয়েছেন আর প্রধানমন্ত্রী আমাকে কৃষিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব দিয়েছেন। আপনাদের জীবনমানের আরও উন্নয়ন না করতে পারলে, দেশের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন না করতে পারলে মন্ত্রী হিসাবে আমার কোনো মূল্য নাই।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার কৃষকের উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের সেবক, কৃষকের সেবক। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের ইতোমধ্যে আমি নির্দেশনা দিয়েছি- কোনো কৃষক যাতে কষ্ট না পায়, সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়।’

পরে সন্ধ্যায় কৃষিমন্ত্রী কমলগঞ্জ উপজেলার মিরতিংগা চা বাগান, পাত্রখোলা চা বাগান এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলা রানার উচ্চ বিদ্যালয়ে পৃথক অনুষ্ঠানে অসহায় ও শীতার্ত চা-শ্রমিকের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

জমি খালি রাখলে মানুষের ক্ষুধা নিবারণ করা যাবে না: কৃষিমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৭:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪

জমি খালি রাখলে, ফসল না ফলালে মানুষের ক্ষুধা নিবারণ করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ও মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য ড. মো. আব্দুস শহীদ। আজ শুক্রবার বিকেলে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের মাজদিহি চা বাগানে অসহায় ও শীতার্ত চা-শ্রমিকের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, ‘কৃষিমন্ত্রী হিসাবে আমি সবসময় কৃষকের সঙ্গে থাকব। লক্ষ্য একটাই- কোনো জমি খালি রাখা যাবে না। জমি খালি রাখলে, ফসল না ফলালে মানুষের ক্ষুধা নিবারণ করা যাবে না।’

উপস্থিত চা-শ্রমিক ও কৃষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বাড়ির আঙিনা খালি রাখবেন না। অন্তুত কিছু শিম গাছ, লাউ গাছ, করলার গাছ, কয়েকটি বেগুন গাছ, কিছু শাকসবজি লাগান; এতে নিজের খাবারের প্রয়োজন মিটবে, বাজার থেকে কিনে খেতে হবে না।’

আব্দুস শহীদ বলেন, ‘সব মানুষের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী দেশের সব মানুষের খোঁজ-খবর রাখেন। চা-শ্রমিকদের প্রধানমন্ত্রী খুবই ভালোবাসেন এবং সম্প্রতি তিনি চা-শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি করেছেন।’

চা-শ্রমিকের উদ্দেশে মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য বলেন, ‘আপনারা ভোট দিয়ে সাতবার আমাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। কয়েকদিন আগের নির্বাচনে ভোট দিয়ে আবারও আমাকে এমপি বানিয়েছেন আর প্রধানমন্ত্রী আমাকে কৃষিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব দিয়েছেন। আপনাদের জীবনমানের আরও উন্নয়ন না করতে পারলে, দেশের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন না করতে পারলে মন্ত্রী হিসাবে আমার কোনো মূল্য নাই।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার কৃষকের উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের সেবক, কৃষকের সেবক। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের ইতোমধ্যে আমি নির্দেশনা দিয়েছি- কোনো কৃষক যাতে কষ্ট না পায়, সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়।’

পরে সন্ধ্যায় কৃষিমন্ত্রী কমলগঞ্জ উপজেলার মিরতিংগা চা বাগান, পাত্রখোলা চা বাগান এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলা রানার উচ্চ বিদ্যালয়ে পৃথক অনুষ্ঠানে অসহায় ও শীতার্ত চা-শ্রমিকের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন।