ঢাকা , শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী ভারি বর্ষণ নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ১৩৩ বই পরিমার্জন, আসছে চার নতুন বই গ্রামাঞ্চলেও সমান গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রামে পানিবন্দি সাড়ে ৪ লাখ মানুষ, তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে ইয়ামাল বললেন, ফ্রান্স যদি কাউকে ভয় পায় সেটা স্পেন নিজেই গাড়ি চালিয়ে স্ত্রীর ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী ইমাম-খতিবদের উদ্দেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সতর্কবার্তা অনেকে নিরুৎসাহিত করলেও হাল ছাড়েননি হামিদুল্লাহ, বিক্রি প্রায় ২ লাখ বিয়ের অনুমতি নিতেই মোটা টাকা খরচ টেইলর সুইফটের

এইচএসসিতে একসঙ্গে পাস করলেন মা-মেয়ে

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  মা ও মেয়ে একসঙ্গে এইচএসসি পাসের ঘটনা সচরাচর খুব একটা শোনা যায় না। কিন্তু এবার সেই ঘটনাই শোনা গেলো। মা ও মেয়ের একসঙ্গে পরীক্ষায় পাস করার এমন ঘটনায় আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে সেই পরিবারের অন্য সদস্যরাসহ ও প্রতিবেশীরা। জয়পুরহাটের আদর্শপাড়া মহল্লার চল্লিশোর্ধ বয়সী মা ইসমত আরা ও তার মেধাবী মেয়ে তানজিলা আফরিন।

রোববার প্রকাশিত এসচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর জানা যায়, এই মা ও মেয়ে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের সঙ্গে এ-গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাদের এমন ফলে পুরো এলাকায় ব্যাপক আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এক নজর দেখতে ছুটে আসেন তাদের শিক্ষক, সহপাঠী ও বন্ধু-বান্ধবরা। তাদের সাফল্যে সবাই উচ্ছ্বসিত। আত্মীয় স্বজনদের কেউ কেউ নিয়ে আসেন ফুল ও মিষ্টি হাতে করে।

জেলা জজ আদালতের সাবেক পেশকার জাহাঙ্গীর আলম তার স্ত্রী ইসমত আরা ও তাদের এক মাত্র মেয়ে তানজিলা আফরিনকে নিয়ে জয়পুরহাট পৌর এলাকার আদর্শপাড়া মহল্লায় বসবাস করেন। ছোট এই পরিবারটি সবার কাছে আদর্শ পাড়ার একটি আদর্শ পরিবার হিসেবেই পরিচিত।

জানা যায়, এর আগে এই মা ও মেয়ে একই সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। আর সেই পরীক্ষায় অংশ নিয়ে দু’জনেই ভারো ভাবে উত্তীর্ণ হন। এসএসসিতে মেয়ে তানজিলা আফরিন পান জিপিএ-৫। মেয়ে ভর্তি হয় বাড়ির নিকটবর্তী জয়পুরহাট সরকারি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে আর তিনি ভর্তি হন পাঁচবিবি উপজেলার আয়মা-জামালপুর গ্রামের টেকনিক্যাল কলেজে।

ইসমত আরা বলেন, কিছুটা লোক লজ্জার ভয়ে বোরকা পরে তিনি কলেজে যাতায়াত করতেন। যাতে করে তাকে কেউ চিনতে না পারে। এ নিয়ে কেউ কটূক্তি তিনি তাতে মোটেও বিচলিত হতেন না। নীরবে নিজের লেখাপড়া চালিয়ে গেছেন বলেই মেয়ের মতো নিজেও এইচএসসি পাস করেছেন।

একই সঙ্গে মা-মেয়ের এইচএসসি পরীক্ষায় আরো ভালো ফলাফলের আশা করলেও হতাশ হননি জাহাঙ্গীর আলম। তিনি জানান, আগামীতে স্ত্রী ও মেয়েকে লেখাপড়ায় এগিয়ে যেতে তিনি সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

এইচএসসিতে একসঙ্গে পাস করলেন মা-মেয়ে

আপডেট টাইম : ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুলাই ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  মা ও মেয়ে একসঙ্গে এইচএসসি পাসের ঘটনা সচরাচর খুব একটা শোনা যায় না। কিন্তু এবার সেই ঘটনাই শোনা গেলো। মা ও মেয়ের একসঙ্গে পরীক্ষায় পাস করার এমন ঘটনায় আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে সেই পরিবারের অন্য সদস্যরাসহ ও প্রতিবেশীরা। জয়পুরহাটের আদর্শপাড়া মহল্লার চল্লিশোর্ধ বয়সী মা ইসমত আরা ও তার মেধাবী মেয়ে তানজিলা আফরিন।

রোববার প্রকাশিত এসচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর জানা যায়, এই মা ও মেয়ে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের সঙ্গে এ-গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাদের এমন ফলে পুরো এলাকায় ব্যাপক আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এক নজর দেখতে ছুটে আসেন তাদের শিক্ষক, সহপাঠী ও বন্ধু-বান্ধবরা। তাদের সাফল্যে সবাই উচ্ছ্বসিত। আত্মীয় স্বজনদের কেউ কেউ নিয়ে আসেন ফুল ও মিষ্টি হাতে করে।

জেলা জজ আদালতের সাবেক পেশকার জাহাঙ্গীর আলম তার স্ত্রী ইসমত আরা ও তাদের এক মাত্র মেয়ে তানজিলা আফরিনকে নিয়ে জয়পুরহাট পৌর এলাকার আদর্শপাড়া মহল্লায় বসবাস করেন। ছোট এই পরিবারটি সবার কাছে আদর্শ পাড়ার একটি আদর্শ পরিবার হিসেবেই পরিচিত।

জানা যায়, এর আগে এই মা ও মেয়ে একই সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। আর সেই পরীক্ষায় অংশ নিয়ে দু’জনেই ভারো ভাবে উত্তীর্ণ হন। এসএসসিতে মেয়ে তানজিলা আফরিন পান জিপিএ-৫। মেয়ে ভর্তি হয় বাড়ির নিকটবর্তী জয়পুরহাট সরকারি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে আর তিনি ভর্তি হন পাঁচবিবি উপজেলার আয়মা-জামালপুর গ্রামের টেকনিক্যাল কলেজে।

ইসমত আরা বলেন, কিছুটা লোক লজ্জার ভয়ে বোরকা পরে তিনি কলেজে যাতায়াত করতেন। যাতে করে তাকে কেউ চিনতে না পারে। এ নিয়ে কেউ কটূক্তি তিনি তাতে মোটেও বিচলিত হতেন না। নীরবে নিজের লেখাপড়া চালিয়ে গেছেন বলেই মেয়ের মতো নিজেও এইচএসসি পাস করেছেন।

একই সঙ্গে মা-মেয়ের এইচএসসি পরীক্ষায় আরো ভালো ফলাফলের আশা করলেও হতাশ হননি জাহাঙ্গীর আলম। তিনি জানান, আগামীতে স্ত্রী ও মেয়েকে লেখাপড়ায় এগিয়ে যেতে তিনি সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব।