ঢাকা , সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেন ছাড়াল ১১০ কোটি টাকা কঙ্গনার ‘সস্তা কপি’ মন্তব্যের পর তাপসীর রহস্যময় পোস্ট বিয়ের প্রলোভনে আসা যুবতীকে আটকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ নির্দিষ্ট দিনেই হচ্ছে সিলেটের বিয়ানীবাজারের সেই নৌকাবাইচ প্যারিসে আলোচনা সভা জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের আহ্বান জামা-কাপড় কিনে এনেই পরছেন? ডেকে আনছেন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি বঙ্গভবনে নতুন রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু ২২ দিনে রেমিট্যান্স এল ২১৫ কোটি ডলার পেশাগত দক্ষতা-যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রীপেশাগত দক্ষতা-যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী

বিমানবন্দরে সতর্কতা জারির পরামর্শ

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  দেশে নতুনভাবে আবির্ভূত হওয়া পুরনো সাত সংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধে বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বিশেষ সতর্কতা জারির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা।

তারা বলেছেন, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দরে বিশেষ সতর্কতা ব্যবস্থা চালু আছে। তবে বাংলাদেশে বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকলেও তা খুব একটা কার্যকরী নয়।

স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে চিকুনগুনিয়াসহ সাতটি সংক্রামক রোগ ফের নতুনভাবে দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে, চিকনগুনিয়া রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মহামারী আকার ধারণ করেছে।

চিকুনগুনিয়া ছাড়াও সংক্রামক সাত রোগের মধ্যে রয়েছে- এইচআইভি (এইডস), ডেঙ্গু, নিপাহ, বার্ড ফ্লু, সোয়াইিন ফ্লু, ও জিকা ভাইরাস।

জানা গেছে, ১৯৮৯/৯০ সালে এইডসের প্রাদুর্ভাব ঘটে। ১৯৯৯ সালে ডেঙ্গুর দেখা দেয়। ২০০১ সালে নিপাহ ভাইরাসের সন্ধান পাওয়া যায়। বার্ড ফ্লু ধরা পড়ে ২০০৭ সালে। ২০০৮ সালে প্রথম চিকুনগুনিয়ার দেখা যায়। সোয়াইন ফ্লুর প্রার্দুভাব ঘটে ২০০৯ সালে। এছাড়া জিকা ভাইরাসের সন্ধান মেলে ২০১৪ সালে। কিন্তু কেন এসব রোগ আবারও ফিরে আসছে আর তার প্রতিরোধে করণীয় কী, তা জানতে সহায়তা নেওয়া হয় কয়েকজন বিশেষজ্ঞের।

বাঙালী কণ্ঠকে তারা বলেন, পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বিশেষ সতর্কতা না থাকায় এসব রোগের প্রার্দুভাব ঘটছে।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বিশিষ্ট ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, দেশের বাইরে থেকে সৃষ্ট হওয়া কোনো রোগ বাহকের (মানুষ) মাধ্যমে যেন বাংলাদেশে ছড়াতে না পারে, সেজন্য বিমানবন্দরে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ, যারা বাইরে থেকে আসেন, তাদের মাধ্যমে এসব রোগের ভাইরাস ছড়াতে পারে। এছাড়া অনেকে বিদেশ গিয়ে যখন দেশে ফেরেন, তাদের মাধ্যমেও এসব রোগের জীবাণু প্রবেশ করে। এই জীবাণু ক্রমেই রোগ ছড়ায়। ফলে, বিমানবন্দরে সতর্কতা অবলম্বনের কোনো বিকল্প নেই।

মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের সুপার শাহ আলম তালুকদার বাঙালী কণ্ঠকে বলেন, বিমানবন্দরে সতর্কতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করতে হবে। কারণ, পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংক্রামক ব্যাধি ধরা পড়লে সঙ্গে সঙ্গে ওই দেশে বিমানবন্দরে বিশেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।

কথা হয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভাইরোলজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ফয়সল মোহাম্মদের সঙ্গে। তিনি বলেন, দেশে রোগের ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে পরিবেশ দূষণ রোগ ও বিমানবন্দরে বিশেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

আমাদের দেশের বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়টি সন্তোষজনক নয় বলেও জানান তিনি।

আরো পড়ুন-

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেন ছাড়াল ১১০ কোটি টাকা

বিমানবন্দরে সতর্কতা জারির পরামর্শ

আপডেট টাইম : ০১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুলাই ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  দেশে নতুনভাবে আবির্ভূত হওয়া পুরনো সাত সংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধে বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বিশেষ সতর্কতা জারির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা।

তারা বলেছেন, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দরে বিশেষ সতর্কতা ব্যবস্থা চালু আছে। তবে বাংলাদেশে বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকলেও তা খুব একটা কার্যকরী নয়।

স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে চিকুনগুনিয়াসহ সাতটি সংক্রামক রোগ ফের নতুনভাবে দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে, চিকনগুনিয়া রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মহামারী আকার ধারণ করেছে।

চিকুনগুনিয়া ছাড়াও সংক্রামক সাত রোগের মধ্যে রয়েছে- এইচআইভি (এইডস), ডেঙ্গু, নিপাহ, বার্ড ফ্লু, সোয়াইিন ফ্লু, ও জিকা ভাইরাস।

জানা গেছে, ১৯৮৯/৯০ সালে এইডসের প্রাদুর্ভাব ঘটে। ১৯৯৯ সালে ডেঙ্গুর দেখা দেয়। ২০০১ সালে নিপাহ ভাইরাসের সন্ধান পাওয়া যায়। বার্ড ফ্লু ধরা পড়ে ২০০৭ সালে। ২০০৮ সালে প্রথম চিকুনগুনিয়ার দেখা যায়। সোয়াইন ফ্লুর প্রার্দুভাব ঘটে ২০০৯ সালে। এছাড়া জিকা ভাইরাসের সন্ধান মেলে ২০১৪ সালে। কিন্তু কেন এসব রোগ আবারও ফিরে আসছে আর তার প্রতিরোধে করণীয় কী, তা জানতে সহায়তা নেওয়া হয় কয়েকজন বিশেষজ্ঞের।

বাঙালী কণ্ঠকে তারা বলেন, পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বিশেষ সতর্কতা না থাকায় এসব রোগের প্রার্দুভাব ঘটছে।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বিশিষ্ট ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, দেশের বাইরে থেকে সৃষ্ট হওয়া কোনো রোগ বাহকের (মানুষ) মাধ্যমে যেন বাংলাদেশে ছড়াতে না পারে, সেজন্য বিমানবন্দরে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ, যারা বাইরে থেকে আসেন, তাদের মাধ্যমে এসব রোগের ভাইরাস ছড়াতে পারে। এছাড়া অনেকে বিদেশ গিয়ে যখন দেশে ফেরেন, তাদের মাধ্যমেও এসব রোগের জীবাণু প্রবেশ করে। এই জীবাণু ক্রমেই রোগ ছড়ায়। ফলে, বিমানবন্দরে সতর্কতা অবলম্বনের কোনো বিকল্প নেই।

মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের সুপার শাহ আলম তালুকদার বাঙালী কণ্ঠকে বলেন, বিমানবন্দরে সতর্কতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করতে হবে। কারণ, পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংক্রামক ব্যাধি ধরা পড়লে সঙ্গে সঙ্গে ওই দেশে বিমানবন্দরে বিশেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।

কথা হয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভাইরোলজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ফয়সল মোহাম্মদের সঙ্গে। তিনি বলেন, দেশে রোগের ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে পরিবেশ দূষণ রোগ ও বিমানবন্দরে বিশেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

আমাদের দেশের বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়টি সন্তোষজনক নয় বলেও জানান তিনি।

আরো পড়ুন-