ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝটিকা আক্রমণ চালিয়ে কিমকে সরিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  দক্ষিণ কোরিয়ার সমরকৌশলীরা পিইয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ বা ‘ঝটিকা আক্রমণের’ পরিকল্পনা করছেন। যুদ্ধ চালাতে সক্ষম উত্তর কোরিয়ার পুরো নেতৃত্বকে ধ্বংস করে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে এমন হামলা পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে খবর দিয়েছে সিউলের সংবাদপত্র মুনওয়া ইলবো।

এতে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার কমান্ড, পরমাণু এবং ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে ‘ঝটিকা আক্রমণ’ করা হবে। জরুরি পরিস্থিতিতে এ হামলা শুরু করবে প্রেসিডেন্ট মুন জাই-ইনের বিশেষ বাহিনী । দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা দফতর বা এনএসও এবং মারণাস্ত্র ধ্বংস দফতর বা ডব্লিউএমডির বদলে হামলা পরিকল্পনা করছে দেশটির জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ এবং দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

উত্তর কোরিয়ার সন্দেহজনক দ্বিতীয় আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মাত্র তিন দিন পরই ঝটিকা আক্রমণ সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে পৃথক হামলা পরিকল্পনা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে এনএসও এবং ডব্লিউএমডিকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সামরিক সূত্র থেকে সংবাদপত্রকে বলা হয়েছে যে, ৩১ মার্চের দিকে এ হামলা পরিকল্পনার খসড়া করা হয়। উত্তর কোরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড সেন্টারগুলোতে হামলার জন্য এফ-১৫ জঙ্গিবিমান বহর পাঠানো হবে। এ ছাড়া, উত্তর কোরিয়ার শ্রমিক দলের প্রধান, কিম জং-উনের দফতরসহ পিয়ংইয়ং শ্রমিক দলের সদর দফতরেও হানা হবে আঘাত।

খবরে দাবি করা হয়েছে, বিশেষ বাহিনীর নতুন বিগ্রেড গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মুন। এ বাহিনীর সদস্য সংখ্যা হবে এক থেকে দুই হাজার। জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে যুদ্ধে চালাতে সক্ষম উত্তর কোরিয়ার পুরো নেতৃত্বকে ধ্বংস করে দেবে এ বাহিনী । পাশাপাশি নিষ্ক্রিয় করে দেবে দেশটির সকল কমান্ড স্থাপনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

ঝটিকা আক্রমণ চালিয়ে কিমকে সরিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা

আপডেট টাইম : ০১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  দক্ষিণ কোরিয়ার সমরকৌশলীরা পিইয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ বা ‘ঝটিকা আক্রমণের’ পরিকল্পনা করছেন। যুদ্ধ চালাতে সক্ষম উত্তর কোরিয়ার পুরো নেতৃত্বকে ধ্বংস করে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে এমন হামলা পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে খবর দিয়েছে সিউলের সংবাদপত্র মুনওয়া ইলবো।

এতে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার কমান্ড, পরমাণু এবং ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে ‘ঝটিকা আক্রমণ’ করা হবে। জরুরি পরিস্থিতিতে এ হামলা শুরু করবে প্রেসিডেন্ট মুন জাই-ইনের বিশেষ বাহিনী । দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা দফতর বা এনএসও এবং মারণাস্ত্র ধ্বংস দফতর বা ডব্লিউএমডির বদলে হামলা পরিকল্পনা করছে দেশটির জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ এবং দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

উত্তর কোরিয়ার সন্দেহজনক দ্বিতীয় আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মাত্র তিন দিন পরই ঝটিকা আক্রমণ সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে পৃথক হামলা পরিকল্পনা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে এনএসও এবং ডব্লিউএমডিকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সামরিক সূত্র থেকে সংবাদপত্রকে বলা হয়েছে যে, ৩১ মার্চের দিকে এ হামলা পরিকল্পনার খসড়া করা হয়। উত্তর কোরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড সেন্টারগুলোতে হামলার জন্য এফ-১৫ জঙ্গিবিমান বহর পাঠানো হবে। এ ছাড়া, উত্তর কোরিয়ার শ্রমিক দলের প্রধান, কিম জং-উনের দফতরসহ পিয়ংইয়ং শ্রমিক দলের সদর দফতরেও হানা হবে আঘাত।

খবরে দাবি করা হয়েছে, বিশেষ বাহিনীর নতুন বিগ্রেড গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মুন। এ বাহিনীর সদস্য সংখ্যা হবে এক থেকে দুই হাজার। জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে যুদ্ধে চালাতে সক্ষম উত্তর কোরিয়ার পুরো নেতৃত্বকে ধ্বংস করে দেবে এ বাহিনী । পাশাপাশি নিষ্ক্রিয় করে দেবে দেশটির সকল কমান্ড স্থাপনা।