ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

পায়ের যেসব লক্ষণে বোঝা যেতে পারে কিডনির সমস্যা, জেনে নিন

কিডনি আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি রক্ত পরিষ্কার রাখে, শরীর থেকে বর্জ্য ও বিষাক্ত উপাদান অপসারণ করে এবং পানি ও লবণের ভারসাম্য বজায় রাখে। তবে কিডনিতে সমস্যা দেখা দিলে শরীর বিভিন্ন সংকেত দিতে শুরু করে, যা প্রথমদিকে খুব একটা স্পষ্ট না-ও হতে পারে। বিশেষ করে পায়ের আশেপাশে কিছু পরিবর্তন দেখা দিলে তা কিডনি সমস্যার প্রাথমিক ইঙ্গিত হতে পারে।

চলুন, জেনে নিই পায়ের আশেপাশে কিডনির সমস্যার লক্ষণ কোনগুলো।ফোলা বা প্রদাহ
কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে শরীরে অতিরিক্ত পানি ও লবণ জমা হতে শুরু করে। এর ফলে পা, গোড়ালি বা পায়ের পাতায় ফোলাভাব দেখা দেয়। এই ফোলাভাব ধীরে ধীরে বাড়তে পারে এবং ব্যথা বা ভারী লাগার অনুভূতিও তৈরি হতে পারে।

ত্বকের পরিবর্তন
কিডনি ঠিকমতো বিষাক্ত পদার্থ ছেঁকে বের করতে না পারলে ত্বকে নানা সমস্যা দেখা দেয়। যেমন: ফুসকুড়ি, চুলকানি, শুষ্ক ত্বক ইত্যাদি। বিশেষ করে পায়ের ত্বকের রঙ বদলে যাওয়া বা লালচে ভাব দেখা দিতে পারে।

ঠাণ্ডা লাগা বা দুর্বলতা
কিডনির সমস্যার কারণে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হতে পারে।

এর ফলে পা ঠাণ্ডা লাগা, দুর্বলতা বা অসাড়তার মতো অনুভূতি তৈরি হয়।পেশীতে খিঁচুনি
ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে, বিশেষ করে রাত্রিবেলায় পায়ের পেশীতে খিঁচুনি ধরতে পারে। এটি কিডনি সমস্যা থেকে তৈরি হওয়া আরেকটি সতর্কবার্তা।

কিডনি খারাপ হওয়ার অন্যান্য সাধারণ লক্ষণ
প্রস্রাবের পরিমাণ বা রঙে পরিবর্তন,

প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হয়ে যাওয়া বা দুর্গন্ধ হওয়া,

অতিরিক্ত ক্লান্তি, মাথা ঘোরা বা ক্ষুধামান্দ্য,

ওজন হঠাৎ কমে যাওয়া বা বেড়ে যাওয়া,

চোখের নিচে ফোলা বা মুখ ফ্যাকাশে লাগা,

কিডনির যত্ন নেওয়ার সহজ কিছু উপায়
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন।

নুন ও প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার পরিমাণ কমান।

নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করুন।

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

 

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

পায়ের যেসব লক্ষণে বোঝা যেতে পারে কিডনির সমস্যা, জেনে নিন

আপডেট টাইম : ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫
কিডনি আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি রক্ত পরিষ্কার রাখে, শরীর থেকে বর্জ্য ও বিষাক্ত উপাদান অপসারণ করে এবং পানি ও লবণের ভারসাম্য বজায় রাখে। তবে কিডনিতে সমস্যা দেখা দিলে শরীর বিভিন্ন সংকেত দিতে শুরু করে, যা প্রথমদিকে খুব একটা স্পষ্ট না-ও হতে পারে। বিশেষ করে পায়ের আশেপাশে কিছু পরিবর্তন দেখা দিলে তা কিডনি সমস্যার প্রাথমিক ইঙ্গিত হতে পারে।

চলুন, জেনে নিই পায়ের আশেপাশে কিডনির সমস্যার লক্ষণ কোনগুলো।ফোলা বা প্রদাহ
কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে শরীরে অতিরিক্ত পানি ও লবণ জমা হতে শুরু করে। এর ফলে পা, গোড়ালি বা পায়ের পাতায় ফোলাভাব দেখা দেয়। এই ফোলাভাব ধীরে ধীরে বাড়তে পারে এবং ব্যথা বা ভারী লাগার অনুভূতিও তৈরি হতে পারে।

ত্বকের পরিবর্তন
কিডনি ঠিকমতো বিষাক্ত পদার্থ ছেঁকে বের করতে না পারলে ত্বকে নানা সমস্যা দেখা দেয়। যেমন: ফুসকুড়ি, চুলকানি, শুষ্ক ত্বক ইত্যাদি। বিশেষ করে পায়ের ত্বকের রঙ বদলে যাওয়া বা লালচে ভাব দেখা দিতে পারে।

ঠাণ্ডা লাগা বা দুর্বলতা
কিডনির সমস্যার কারণে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হতে পারে।

এর ফলে পা ঠাণ্ডা লাগা, দুর্বলতা বা অসাড়তার মতো অনুভূতি তৈরি হয়।পেশীতে খিঁচুনি
ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে, বিশেষ করে রাত্রিবেলায় পায়ের পেশীতে খিঁচুনি ধরতে পারে। এটি কিডনি সমস্যা থেকে তৈরি হওয়া আরেকটি সতর্কবার্তা।

কিডনি খারাপ হওয়ার অন্যান্য সাধারণ লক্ষণ
প্রস্রাবের পরিমাণ বা রঙে পরিবর্তন,

প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হয়ে যাওয়া বা দুর্গন্ধ হওয়া,

অতিরিক্ত ক্লান্তি, মাথা ঘোরা বা ক্ষুধামান্দ্য,

ওজন হঠাৎ কমে যাওয়া বা বেড়ে যাওয়া,

চোখের নিচে ফোলা বা মুখ ফ্যাকাশে লাগা,

কিডনির যত্ন নেওয়ার সহজ কিছু উপায়
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন।

নুন ও প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার পরিমাণ কমান।

নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করুন।

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।