ঢাকা , রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা ‘ওই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলবো’ বিএনপিকর্মীকে এমপি হানজালা

সূর্যের গায়ে পাওয়া গেল বৃহৎ গর্ত

সূর্যের গায়ে দুটি বৃহদাকার গর্তের খোঁজ পেল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা৷ তাঁদের সোলার ডায়নামিক্স অবজারভেটরি বিভাগ জানিয়েছে, সূর্যের গায়ে সৃষ্টি হওয়া এই ধরনের গর্ত আসলে সোর ঝড়ের উৎসস্থল৷ যেখানে ঝড়ের সঙ্গে মিশে থাকে সৌর কণাও৷

নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, এই ধরনের সৌর ঝড়ের ফলে ব্যাহত হতে পারে পৃথিবীর কমিউনিকেশন পরিষেবা৷ কারণ সৌর ঝড়ের ফলে ব্যাঘাত ঘটে পৃথিবীর ভূ-চৌম্বকীয় পরিসরে৷ এছাড়া এই সমস্ত সৌর ঝড় মহাকাশচারীদের পক্ষেও ক্ষতিকরে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷ জানা গিয়েছে, সূর্যের গায়ে তৈরি হওয়া গর্ত থেকে যে প্রচুর পরিমাণে ক্ষতিকারক, অদৃশ্য অতি বেগুনী রশ্মি নির্গত হয়৷

তৈরি বওয়া সৌরগর্ত গুলি সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, প্রায় দশ বছর পর পর এই ধরনের গর্ত দেখা যায় সূর্যের গায়ে৷ যার এক একটা প্রায় সূর্যের দেহের ছ‘থেকে আট শতাংশ অংশ জুড়ে থাকে৷ তবে গত ১৭ ও ১৮ মে সূর্যের গায়ে দেখতে পাওয়া দুটি সৌর গর্ত এতই বড়ো যে এরা প্রায় ৪০ শতাংশ অংশ জুড়ে বিস্তৃত বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

সূর্যের গায়ে পাওয়া গেল বৃহৎ গর্ত

আপডেট টাইম : ০৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুন ২০১৬

সূর্যের গায়ে দুটি বৃহদাকার গর্তের খোঁজ পেল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা৷ তাঁদের সোলার ডায়নামিক্স অবজারভেটরি বিভাগ জানিয়েছে, সূর্যের গায়ে সৃষ্টি হওয়া এই ধরনের গর্ত আসলে সোর ঝড়ের উৎসস্থল৷ যেখানে ঝড়ের সঙ্গে মিশে থাকে সৌর কণাও৷

নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, এই ধরনের সৌর ঝড়ের ফলে ব্যাহত হতে পারে পৃথিবীর কমিউনিকেশন পরিষেবা৷ কারণ সৌর ঝড়ের ফলে ব্যাঘাত ঘটে পৃথিবীর ভূ-চৌম্বকীয় পরিসরে৷ এছাড়া এই সমস্ত সৌর ঝড় মহাকাশচারীদের পক্ষেও ক্ষতিকরে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷ জানা গিয়েছে, সূর্যের গায়ে তৈরি হওয়া গর্ত থেকে যে প্রচুর পরিমাণে ক্ষতিকারক, অদৃশ্য অতি বেগুনী রশ্মি নির্গত হয়৷

তৈরি বওয়া সৌরগর্ত গুলি সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, প্রায় দশ বছর পর পর এই ধরনের গর্ত দেখা যায় সূর্যের গায়ে৷ যার এক একটা প্রায় সূর্যের দেহের ছ‘থেকে আট শতাংশ অংশ জুড়ে থাকে৷ তবে গত ১৭ ও ১৮ মে সূর্যের গায়ে দেখতে পাওয়া দুটি সৌর গর্ত এতই বড়ো যে এরা প্রায় ৪০ শতাংশ অংশ জুড়ে বিস্তৃত বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷