ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

রাজনীতিতে বিভক্তির সূচনা করেছিলেন জিয়াউর রহমান

বাংলাদেশের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে এ সপ্তাহেই। তার দল বিএনপির দাবি তিনি রাজনীতি এবং রাষ্ট্রে নীতিগত দিক থেকে অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন। তবে, জামায়াতে ইসলামীসহ যারা ১৯৭১সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল,তাদের জিয়াউর রহমান পুনর্বাসন করেছিলেন। এমন সমালোচনাও রয়েছে। বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশে এখন রাজনীতিতে যে মতানৈক্য চলছে, তার বীজ জিয়াউর রহমান বপন করেছিলেন বলে অনেকে অভিযোগ করেন।

 

তার প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি সমর্থিত পেশাজীবীদের একটি ফোরামের নেতা অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ বলছিলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী শেখ মুজিবের নেতৃত্বাধীন সরকারের শেষদিকে সংবিধানে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে একদলীয় শাসন বা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।

 

এর বিরুদ্ধের জনগণের অবস্থান অনুভব করে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন বলে তিনি মনে করেন।

 

তবে ১৯৭৭-৭৮ সালে বাংলা পত্রিকা দৈনিক বার্তার সম্পাদক ছিলেন কামাল লোহানী। তিনি মনে করেন, জিয়াউর রহমান নিজের রাজনীতি করার স্বার্থ থেকেই বহুদলীয় গণতন্ত্রের কথা বলে স্বাধীনতাবিরোধীদের সুযোগ দিয়েছেন।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন,আওয়ামী লীগের বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ করে জিয়াউর রহমান নিজের শক্তিকে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন বলে তাঁর ধারণা।

 

বিএনপির মুখপত্র দৈনিক দিনকালের সাবেক সম্পাদক কাজী সিরাজ জিয়াউর রহমানের সময় জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ছিলেন।

 

তিনি বলেছেন,বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সে সময় প্রয়োজন ছিল। কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধীদের পুনর্বাসনের সুযোগ তৈরি করে জাতীয় ঐক্যের শ্লোগান ভুল ছিল বলে তিনি মনে করেন।

 

তবে বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করেন, রাজনীতি করার সুযোগ নিয়ে স্বাধীনতার বিরোধীরা ফুলে ফেঁপে ওঠায় রাজনীতিতে মতানৈক্য বাড়ছে। অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন,স্বাধীনতা বিরোধীরা এখন ক্ষমতারও অংশীদার হচ্ছে। -বিবিসি বাংলা
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

রাজনীতিতে বিভক্তির সূচনা করেছিলেন জিয়াউর রহমান

আপডেট টাইম : ০৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুন ২০১৬
বাংলাদেশের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে এ সপ্তাহেই। তার দল বিএনপির দাবি তিনি রাজনীতি এবং রাষ্ট্রে নীতিগত দিক থেকে অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন। তবে, জামায়াতে ইসলামীসহ যারা ১৯৭১সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল,তাদের জিয়াউর রহমান পুনর্বাসন করেছিলেন। এমন সমালোচনাও রয়েছে। বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশে এখন রাজনীতিতে যে মতানৈক্য চলছে, তার বীজ জিয়াউর রহমান বপন করেছিলেন বলে অনেকে অভিযোগ করেন।

 

তার প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি সমর্থিত পেশাজীবীদের একটি ফোরামের নেতা অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ বলছিলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী শেখ মুজিবের নেতৃত্বাধীন সরকারের শেষদিকে সংবিধানে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে একদলীয় শাসন বা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।

 

এর বিরুদ্ধের জনগণের অবস্থান অনুভব করে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন বলে তিনি মনে করেন।

 

তবে ১৯৭৭-৭৮ সালে বাংলা পত্রিকা দৈনিক বার্তার সম্পাদক ছিলেন কামাল লোহানী। তিনি মনে করেন, জিয়াউর রহমান নিজের রাজনীতি করার স্বার্থ থেকেই বহুদলীয় গণতন্ত্রের কথা বলে স্বাধীনতাবিরোধীদের সুযোগ দিয়েছেন।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন,আওয়ামী লীগের বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ করে জিয়াউর রহমান নিজের শক্তিকে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন বলে তাঁর ধারণা।

 

বিএনপির মুখপত্র দৈনিক দিনকালের সাবেক সম্পাদক কাজী সিরাজ জিয়াউর রহমানের সময় জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ছিলেন।

 

তিনি বলেছেন,বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সে সময় প্রয়োজন ছিল। কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধীদের পুনর্বাসনের সুযোগ তৈরি করে জাতীয় ঐক্যের শ্লোগান ভুল ছিল বলে তিনি মনে করেন।

 

তবে বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করেন, রাজনীতি করার সুযোগ নিয়ে স্বাধীনতার বিরোধীরা ফুলে ফেঁপে ওঠায় রাজনীতিতে মতানৈক্য বাড়ছে। অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন,স্বাধীনতা বিরোধীরা এখন ক্ষমতারও অংশীদার হচ্ছে। -বিবিসি বাংলা