ঢাকা , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যাটারিচালিত তিন-চাকার যান হঠাৎ বন্ধ নয়, নীতিমালার আওতায় আসছে: প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার পরিশোধিত জ্বালানি তেল কিনছে সরকার মির্জা আব্বাসের সময়োপযোগী সতর্কবার্তা ‘আমলারা সবাই চোর’ কাণ্ডজ্ঞানহীন বক্তব্য কেন শাকিবের দুই স্ত্রী অপু-বুবলীকে নিয়ে যা বললেন নূতন ‘আলহামদুলিল্লাহ’—বার্সায় যোগ দিয়ে শুকরিয়া আদায় হামজার মালয়েশিয়া গেলেন মির্জা আব্বাস একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, জানবেন যেভাবে সৌরবিদ্যুতে ঋণ দিতে ৩ প্রতিষ্ঠানকে দেড় হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার ‘ইনশা আল্লাহ’ বলায় পশ্চিমবঙ্গে আইপিএস কর্মকর্তা বদলি, বিতর্ক সাংবাদিকরা আছেন বলেই গণতন্ত্র আছে: তথ্যমন্ত্রী

ফসলের মাঠে মৌমাছি, বাড়ছে ফলন, মিলছে মধু

দূর  থেকে দেখলে মনে হবে সাদা ফুলের কার্পেট বিছানো মাঠ। কাছে গেলেই শোনা যায়  মৌমাছির অবিরাম ডানার গুনগুন শব্দ। একদিকে চাষ হচ্ছে ঔষধি গুণে ভরপুর কালোজিরা, অন্যদিকে সেই ফুলের রেণুতে বাড়ছে মধু উৎপাদন। একই সময়ে দুই লাভ একসাথে পাচ্ছেন সাতক্ষীরার কৃষকরা।

রবিশস্য মৌসুমে জেলার বিস্তীর্ণ জমিতে এখন কালোজিরার আবাদ। ফুলে ভরা এসব  ক্ষেতে বসানো হয়েছে সারি সারি  মৌমাছির বাক্স। পরাগায়নে বাড়ছে ফলন, আর তৈরি হচ্ছে উন্নত মানের কালোজিরার মধু।

প্রতি বিঘা জমিতে গড়ে প্রায় ৫ মন কালোজিরা উৎপাদন হচ্ছে। বাজারে প্রতি মন বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১২ হাজার টাকায়। অর্থাৎ এক বিঘা জমি  থেকে মিলছে প্রায় ৬০ হাজার টাকার ফসল।

তবে উৎপাদন খরচও কম নয়। সার ও কীটনাশকের দাম বৃদ্ধিতে প্রতি বিঘায় ২৫  থেকে ৩০ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে। তবে, চার মাসে প্রায় ৩০ হাজার টাকা লাভ থাকছে কৃষকের হাতে। এ কারণেই কালোজিরা চাষে ঝুঁকছেন অনেকে।

মাঠে মৌমাছি থাকায় বাড়ছে ফলন, পাশাপাশি উৎপাদিত হচ্ছে কালোজিরার মধুও। এতে কৃষক পাচ্ছেন বাড়তি আয়।

ঔষধিগুণস ম্পন্ন ফসল কালোজিরার আবাদ গত চার বছরে কয়েকগুন বেড়েছে। উৎপাদন ভালো হলে প্রতি বিঘা জমি থেকে ৪০  থেকে ৪৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম।

মধুর পাশাপাশি কম সময়ে কালেজিরা চাষে সাতক্ষীরার কৃষকদের মাঝে তৈরি হয়েছে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

ব্যাটারিচালিত তিন-চাকার যান হঠাৎ বন্ধ নয়, নীতিমালার আওতায় আসছে: প্রতিমন্ত্রী

ফসলের মাঠে মৌমাছি, বাড়ছে ফলন, মিলছে মধু

আপডেট টাইম : ০১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দূর  থেকে দেখলে মনে হবে সাদা ফুলের কার্পেট বিছানো মাঠ। কাছে গেলেই শোনা যায়  মৌমাছির অবিরাম ডানার গুনগুন শব্দ। একদিকে চাষ হচ্ছে ঔষধি গুণে ভরপুর কালোজিরা, অন্যদিকে সেই ফুলের রেণুতে বাড়ছে মধু উৎপাদন। একই সময়ে দুই লাভ একসাথে পাচ্ছেন সাতক্ষীরার কৃষকরা।

রবিশস্য মৌসুমে জেলার বিস্তীর্ণ জমিতে এখন কালোজিরার আবাদ। ফুলে ভরা এসব  ক্ষেতে বসানো হয়েছে সারি সারি  মৌমাছির বাক্স। পরাগায়নে বাড়ছে ফলন, আর তৈরি হচ্ছে উন্নত মানের কালোজিরার মধু।

প্রতি বিঘা জমিতে গড়ে প্রায় ৫ মন কালোজিরা উৎপাদন হচ্ছে। বাজারে প্রতি মন বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১২ হাজার টাকায়। অর্থাৎ এক বিঘা জমি  থেকে মিলছে প্রায় ৬০ হাজার টাকার ফসল।

তবে উৎপাদন খরচও কম নয়। সার ও কীটনাশকের দাম বৃদ্ধিতে প্রতি বিঘায় ২৫  থেকে ৩০ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে। তবে, চার মাসে প্রায় ৩০ হাজার টাকা লাভ থাকছে কৃষকের হাতে। এ কারণেই কালোজিরা চাষে ঝুঁকছেন অনেকে।

মাঠে মৌমাছি থাকায় বাড়ছে ফলন, পাশাপাশি উৎপাদিত হচ্ছে কালোজিরার মধুও। এতে কৃষক পাচ্ছেন বাড়তি আয়।

ঔষধিগুণস ম্পন্ন ফসল কালোজিরার আবাদ গত চার বছরে কয়েকগুন বেড়েছে। উৎপাদন ভালো হলে প্রতি বিঘা জমি থেকে ৪০  থেকে ৪৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম।

মধুর পাশাপাশি কম সময়ে কালেজিরা চাষে সাতক্ষীরার কৃষকদের মাঝে তৈরি হয়েছে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত।