ঢাকা , শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান দলীয় নেতাকর্মীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন আইনমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি অপেক্ষা করছে : নাহিদ ইসলাম তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে সরকার : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ দেশে ফিরে সংবর্ধনা পেল মিশর ফুটবল দল ‘তাফহীমুল কোরআন’ পোড়ানোর দায়ে গ্রেফতার মেহেদী কারাগারে আল-আকসার গ্র্যান্ড মুফতিকে আটক করল ইসরায়েল কিশোরীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড়, দায় স্বীকার মায়ের

ফসলের মাঠে মৌমাছি, বাড়ছে ফলন, মিলছে মধু

দূর  থেকে দেখলে মনে হবে সাদা ফুলের কার্পেট বিছানো মাঠ। কাছে গেলেই শোনা যায়  মৌমাছির অবিরাম ডানার গুনগুন শব্দ। একদিকে চাষ হচ্ছে ঔষধি গুণে ভরপুর কালোজিরা, অন্যদিকে সেই ফুলের রেণুতে বাড়ছে মধু উৎপাদন। একই সময়ে দুই লাভ একসাথে পাচ্ছেন সাতক্ষীরার কৃষকরা।

রবিশস্য মৌসুমে জেলার বিস্তীর্ণ জমিতে এখন কালোজিরার আবাদ। ফুলে ভরা এসব  ক্ষেতে বসানো হয়েছে সারি সারি  মৌমাছির বাক্স। পরাগায়নে বাড়ছে ফলন, আর তৈরি হচ্ছে উন্নত মানের কালোজিরার মধু।

প্রতি বিঘা জমিতে গড়ে প্রায় ৫ মন কালোজিরা উৎপাদন হচ্ছে। বাজারে প্রতি মন বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১২ হাজার টাকায়। অর্থাৎ এক বিঘা জমি  থেকে মিলছে প্রায় ৬০ হাজার টাকার ফসল।

তবে উৎপাদন খরচও কম নয়। সার ও কীটনাশকের দাম বৃদ্ধিতে প্রতি বিঘায় ২৫  থেকে ৩০ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে। তবে, চার মাসে প্রায় ৩০ হাজার টাকা লাভ থাকছে কৃষকের হাতে। এ কারণেই কালোজিরা চাষে ঝুঁকছেন অনেকে।

মাঠে মৌমাছি থাকায় বাড়ছে ফলন, পাশাপাশি উৎপাদিত হচ্ছে কালোজিরার মধুও। এতে কৃষক পাচ্ছেন বাড়তি আয়।

ঔষধিগুণস ম্পন্ন ফসল কালোজিরার আবাদ গত চার বছরে কয়েকগুন বেড়েছে। উৎপাদন ভালো হলে প্রতি বিঘা জমি থেকে ৪০  থেকে ৪৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম।

মধুর পাশাপাশি কম সময়ে কালেজিরা চাষে সাতক্ষীরার কৃষকদের মাঝে তৈরি হয়েছে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

ফসলের মাঠে মৌমাছি, বাড়ছে ফলন, মিলছে মধু

আপডেট টাইম : ০১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দূর  থেকে দেখলে মনে হবে সাদা ফুলের কার্পেট বিছানো মাঠ। কাছে গেলেই শোনা যায়  মৌমাছির অবিরাম ডানার গুনগুন শব্দ। একদিকে চাষ হচ্ছে ঔষধি গুণে ভরপুর কালোজিরা, অন্যদিকে সেই ফুলের রেণুতে বাড়ছে মধু উৎপাদন। একই সময়ে দুই লাভ একসাথে পাচ্ছেন সাতক্ষীরার কৃষকরা।

রবিশস্য মৌসুমে জেলার বিস্তীর্ণ জমিতে এখন কালোজিরার আবাদ। ফুলে ভরা এসব  ক্ষেতে বসানো হয়েছে সারি সারি  মৌমাছির বাক্স। পরাগায়নে বাড়ছে ফলন, আর তৈরি হচ্ছে উন্নত মানের কালোজিরার মধু।

প্রতি বিঘা জমিতে গড়ে প্রায় ৫ মন কালোজিরা উৎপাদন হচ্ছে। বাজারে প্রতি মন বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১২ হাজার টাকায়। অর্থাৎ এক বিঘা জমি  থেকে মিলছে প্রায় ৬০ হাজার টাকার ফসল।

তবে উৎপাদন খরচও কম নয়। সার ও কীটনাশকের দাম বৃদ্ধিতে প্রতি বিঘায় ২৫  থেকে ৩০ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে। তবে, চার মাসে প্রায় ৩০ হাজার টাকা লাভ থাকছে কৃষকের হাতে। এ কারণেই কালোজিরা চাষে ঝুঁকছেন অনেকে।

মাঠে মৌমাছি থাকায় বাড়ছে ফলন, পাশাপাশি উৎপাদিত হচ্ছে কালোজিরার মধুও। এতে কৃষক পাচ্ছেন বাড়তি আয়।

ঔষধিগুণস ম্পন্ন ফসল কালোজিরার আবাদ গত চার বছরে কয়েকগুন বেড়েছে। উৎপাদন ভালো হলে প্রতি বিঘা জমি থেকে ৪০  থেকে ৪৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম।

মধুর পাশাপাশি কম সময়ে কালেজিরা চাষে সাতক্ষীরার কৃষকদের মাঝে তৈরি হয়েছে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত।