ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সরকার সব সময় রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাওরে ডাকাতদের ‘শেষ ওয়ার্নিং’ দিলেন এমপি ফজলুর রহমান

বাবার পথে হাঁটছেন তারেক রহমান

প্রায় ৫ দশক আগে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটেছেন, হেঁটেছেন খাল খনন কর্মসূচিতে আসা শত শত নানা বয়সী মানুষজনকে নিয়ে।সেই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও অনুসরণ করেছেন। এমনটাই বলেছেন দিনাজপুরের বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা ৭৪ বছর বয়সী বৃদ্ধা কুলসুম বেগম।

তিনি বলেন, ‘আমাদের বোনের ছেলে তারেক রহমান। খালেদা জিয়া আমাদের বোন। তার ছেলে তারেক রহমান। এখন বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী। বাবার মতোই ছেলে খাল কাটছে। শহীদ জিয়া মানুষজনকে নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল কাটার কর্মসূচিতে যোগ দিতেন।’

কুলসুম বেগম বলেন, ‘বলরামপুরের সাহাপাড়া খাল। এই খালটি দেখলে মনে হয় এটা খাল নয়, এবড়ো-খেবড়োভাবে উচুঁ নিচু মাটির স্তুপ,খালটিতে পানি শুকিয়ে গেছে।বর্ষা এলেই এই খালের পানি প্রবাহ সেইভাবে দেখা যায় না। ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।’

গৃহবধূ শিউলী খাতুন বলেন, ‘হামরা ভালো নাই। সাহাপাড়া খাল হামাগো দুঃখ। তারেক রহমান এসেছেন, এবারের খালটি পুনঃখননে হয়ত হামাগো দুঃখ ঘুচবে।’

দিনাজপুরের পশ্চিমে বলরাপুরের রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন। ১২ কিলোমিটারের লম্বা সাহাপাড়া খালটি মিশেছে জেলার প্রধান নদী পুনর্ভবা নদীর সঙ্গে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসা এই নদীর জলস্রোত ঠাকুরগাঁও হয়ে দিনাজপুরে প্রবেশ করেছে যা পঞ্চগড়ের মহানন্দা নদীতে গিয়ে মিশেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাহারোল এলাকায় এসেছেন বলে এই এলাকা মানুষজনের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছেয়ে গেছে। সরু রাস্তা দিয়ে বলরামপুরের দূরত্ব ১২/১৩ কিলোমিটার। শিশু-কিশোর থেকে গ্রাম্য গৃহবধূরা ঘর থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে দেখেতে কাছ থেকে। অনেকে হাত নেড়ে জানিয়েছে শুভেচ্ছা।

মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন,‘সাহাপাড়া খালটি পূনঃখনন সম্পন্ন হলে এখানে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না। এই খালে পানি জমানো গেলে মাছ চাষ করা যাবে, খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ করা গেলে সুবজ বনায়ন হবে।’

খাল খনন করতে আসা অনিত বলেন, ‘আমাদের আজকে খুশি দিন। লিডার আসছে, আমাদের হৃদয়ের খুশির কথা ভাষা প্রকাশ করতে পারছি না।’

‘দেখেন আমরা কতজন? এটাই আমাদের খুশি, এটাই আমাদের অহংকার। বিনাশ্রমে আমরা আজকে খাল কাটবো’, যোগ করেন অনিত

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ

বাবার পথে হাঁটছেন তারেক রহমান

আপডেট টাইম : ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

প্রায় ৫ দশক আগে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটেছেন, হেঁটেছেন খাল খনন কর্মসূচিতে আসা শত শত নানা বয়সী মানুষজনকে নিয়ে।সেই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও অনুসরণ করেছেন। এমনটাই বলেছেন দিনাজপুরের বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা ৭৪ বছর বয়সী বৃদ্ধা কুলসুম বেগম।

তিনি বলেন, ‘আমাদের বোনের ছেলে তারেক রহমান। খালেদা জিয়া আমাদের বোন। তার ছেলে তারেক রহমান। এখন বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী। বাবার মতোই ছেলে খাল কাটছে। শহীদ জিয়া মানুষজনকে নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল কাটার কর্মসূচিতে যোগ দিতেন।’

কুলসুম বেগম বলেন, ‘বলরামপুরের সাহাপাড়া খাল। এই খালটি দেখলে মনে হয় এটা খাল নয়, এবড়ো-খেবড়োভাবে উচুঁ নিচু মাটির স্তুপ,খালটিতে পানি শুকিয়ে গেছে।বর্ষা এলেই এই খালের পানি প্রবাহ সেইভাবে দেখা যায় না। ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।’

গৃহবধূ শিউলী খাতুন বলেন, ‘হামরা ভালো নাই। সাহাপাড়া খাল হামাগো দুঃখ। তারেক রহমান এসেছেন, এবারের খালটি পুনঃখননে হয়ত হামাগো দুঃখ ঘুচবে।’

দিনাজপুরের পশ্চিমে বলরাপুরের রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন। ১২ কিলোমিটারের লম্বা সাহাপাড়া খালটি মিশেছে জেলার প্রধান নদী পুনর্ভবা নদীর সঙ্গে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসা এই নদীর জলস্রোত ঠাকুরগাঁও হয়ে দিনাজপুরে প্রবেশ করেছে যা পঞ্চগড়ের মহানন্দা নদীতে গিয়ে মিশেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাহারোল এলাকায় এসেছেন বলে এই এলাকা মানুষজনের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছেয়ে গেছে। সরু রাস্তা দিয়ে বলরামপুরের দূরত্ব ১২/১৩ কিলোমিটার। শিশু-কিশোর থেকে গ্রাম্য গৃহবধূরা ঘর থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে দেখেতে কাছ থেকে। অনেকে হাত নেড়ে জানিয়েছে শুভেচ্ছা।

মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন,‘সাহাপাড়া খালটি পূনঃখনন সম্পন্ন হলে এখানে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না। এই খালে পানি জমানো গেলে মাছ চাষ করা যাবে, খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ করা গেলে সুবজ বনায়ন হবে।’

খাল খনন করতে আসা অনিত বলেন, ‘আমাদের আজকে খুশি দিন। লিডার আসছে, আমাদের হৃদয়ের খুশির কথা ভাষা প্রকাশ করতে পারছি না।’

‘দেখেন আমরা কতজন? এটাই আমাদের খুশি, এটাই আমাদের অহংকার। বিনাশ্রমে আমরা আজকে খাল কাটবো’, যোগ করেন অনিত