ঢাকা , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খলিলুরের সভাপতিত্বে বাংলাদেশকে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এখনও ফাঁকা ৩৪ হাজার কোটা, হজ নিবন্ধনের আগামী বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কিনা, যা বললেন স্পিকার বাংলাদেশি সাংবাদিকদের জন্য প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে ভারত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিন্সেস ডায়ানার ভাইয়ের নতুন বই ঘিরে রাজপরিবারে তোলপাড় নদীর বুকে পিলার আছে শুধু, সেতুর নেই দেখা জাতিসংঘে তারেক রহমানের সঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তারের দাবি যুবদল সভাপতির নারীর ক্ষমতায়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: ইউজিসি সদস্য ড. মামুন

বাবার পথে হাঁটছেন তারেক রহমান

প্রায় ৫ দশক আগে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটেছেন, হেঁটেছেন খাল খনন কর্মসূচিতে আসা শত শত নানা বয়সী মানুষজনকে নিয়ে।সেই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও অনুসরণ করেছেন। এমনটাই বলেছেন দিনাজপুরের বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা ৭৪ বছর বয়সী বৃদ্ধা কুলসুম বেগম।

তিনি বলেন, ‘আমাদের বোনের ছেলে তারেক রহমান। খালেদা জিয়া আমাদের বোন। তার ছেলে তারেক রহমান। এখন বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী। বাবার মতোই ছেলে খাল কাটছে। শহীদ জিয়া মানুষজনকে নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল কাটার কর্মসূচিতে যোগ দিতেন।’

কুলসুম বেগম বলেন, ‘বলরামপুরের সাহাপাড়া খাল। এই খালটি দেখলে মনে হয় এটা খাল নয়, এবড়ো-খেবড়োভাবে উচুঁ নিচু মাটির স্তুপ,খালটিতে পানি শুকিয়ে গেছে।বর্ষা এলেই এই খালের পানি প্রবাহ সেইভাবে দেখা যায় না। ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।’

গৃহবধূ শিউলী খাতুন বলেন, ‘হামরা ভালো নাই। সাহাপাড়া খাল হামাগো দুঃখ। তারেক রহমান এসেছেন, এবারের খালটি পুনঃখননে হয়ত হামাগো দুঃখ ঘুচবে।’

দিনাজপুরের পশ্চিমে বলরাপুরের রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন। ১২ কিলোমিটারের লম্বা সাহাপাড়া খালটি মিশেছে জেলার প্রধান নদী পুনর্ভবা নদীর সঙ্গে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসা এই নদীর জলস্রোত ঠাকুরগাঁও হয়ে দিনাজপুরে প্রবেশ করেছে যা পঞ্চগড়ের মহানন্দা নদীতে গিয়ে মিশেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাহারোল এলাকায় এসেছেন বলে এই এলাকা মানুষজনের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছেয়ে গেছে। সরু রাস্তা দিয়ে বলরামপুরের দূরত্ব ১২/১৩ কিলোমিটার। শিশু-কিশোর থেকে গ্রাম্য গৃহবধূরা ঘর থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে দেখেতে কাছ থেকে। অনেকে হাত নেড়ে জানিয়েছে শুভেচ্ছা।

মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন,‘সাহাপাড়া খালটি পূনঃখনন সম্পন্ন হলে এখানে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না। এই খালে পানি জমানো গেলে মাছ চাষ করা যাবে, খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ করা গেলে সুবজ বনায়ন হবে।’

খাল খনন করতে আসা অনিত বলেন, ‘আমাদের আজকে খুশি দিন। লিডার আসছে, আমাদের হৃদয়ের খুশির কথা ভাষা প্রকাশ করতে পারছি না।’

‘দেখেন আমরা কতজন? এটাই আমাদের খুশি, এটাই আমাদের অহংকার। বিনাশ্রমে আমরা আজকে খাল কাটবো’, যোগ করেন অনিত

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

খলিলুরের সভাপতিত্বে বাংলাদেশকে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাবার পথে হাঁটছেন তারেক রহমান

আপডেট টাইম : ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

প্রায় ৫ দশক আগে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটেছেন, হেঁটেছেন খাল খনন কর্মসূচিতে আসা শত শত নানা বয়সী মানুষজনকে নিয়ে।সেই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও অনুসরণ করেছেন। এমনটাই বলেছেন দিনাজপুরের বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা ৭৪ বছর বয়সী বৃদ্ধা কুলসুম বেগম।

তিনি বলেন, ‘আমাদের বোনের ছেলে তারেক রহমান। খালেদা জিয়া আমাদের বোন। তার ছেলে তারেক রহমান। এখন বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী। বাবার মতোই ছেলে খাল কাটছে। শহীদ জিয়া মানুষজনকে নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল কাটার কর্মসূচিতে যোগ দিতেন।’

কুলসুম বেগম বলেন, ‘বলরামপুরের সাহাপাড়া খাল। এই খালটি দেখলে মনে হয় এটা খাল নয়, এবড়ো-খেবড়োভাবে উচুঁ নিচু মাটির স্তুপ,খালটিতে পানি শুকিয়ে গেছে।বর্ষা এলেই এই খালের পানি প্রবাহ সেইভাবে দেখা যায় না। ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।’

গৃহবধূ শিউলী খাতুন বলেন, ‘হামরা ভালো নাই। সাহাপাড়া খাল হামাগো দুঃখ। তারেক রহমান এসেছেন, এবারের খালটি পুনঃখননে হয়ত হামাগো দুঃখ ঘুচবে।’

দিনাজপুরের পশ্চিমে বলরাপুরের রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন। ১২ কিলোমিটারের লম্বা সাহাপাড়া খালটি মিশেছে জেলার প্রধান নদী পুনর্ভবা নদীর সঙ্গে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসা এই নদীর জলস্রোত ঠাকুরগাঁও হয়ে দিনাজপুরে প্রবেশ করেছে যা পঞ্চগড়ের মহানন্দা নদীতে গিয়ে মিশেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাহারোল এলাকায় এসেছেন বলে এই এলাকা মানুষজনের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছেয়ে গেছে। সরু রাস্তা দিয়ে বলরামপুরের দূরত্ব ১২/১৩ কিলোমিটার। শিশু-কিশোর থেকে গ্রাম্য গৃহবধূরা ঘর থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে দেখেতে কাছ থেকে। অনেকে হাত নেড়ে জানিয়েছে শুভেচ্ছা।

মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন,‘সাহাপাড়া খালটি পূনঃখনন সম্পন্ন হলে এখানে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না। এই খালে পানি জমানো গেলে মাছ চাষ করা যাবে, খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ করা গেলে সুবজ বনায়ন হবে।’

খাল খনন করতে আসা অনিত বলেন, ‘আমাদের আজকে খুশি দিন। লিডার আসছে, আমাদের হৃদয়ের খুশির কথা ভাষা প্রকাশ করতে পারছি না।’

‘দেখেন আমরা কতজন? এটাই আমাদের খুশি, এটাই আমাদের অহংকার। বিনাশ্রমে আমরা আজকে খাল কাটবো’, যোগ করেন অনিত