ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদে ভোটার তালিকা সংশোধন বিল-২০২৬ পাস

জাতীয় সংসদে ভোটার তালিকা সংশোধন বিল ২০২৬ উত্থাপনের পর তা পাস হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কণ্ঠভোটে বিলটি পাশ হয়।

সংসদীয় কার্যক্রমের শুরুতেই স্পিকার বিলটির ওপর দফাওয়ারি সংশোধনীগুলো হাউজে উত্থাপন করেন। এ সময় কোনো সংশোধনী না থাকায় বিলের ধারা ২, ৩ ও ৪ এবং শিরোনাম ও প্রস্তাবনাগুলো কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।

বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সর্বজনীন ভোটাধিকার নীতি বাস্তবায়নের স্বার্থে জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ অন্যান্য নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার যৌক্তিক সময় পূর্ব পর্যন্ত যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়, তাদেরও ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ প্রদানের নিমিত্তে এই সংশোধনী আনা হয়েছে।’

আইনমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ‘সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী পূর্ববর্তী অধ্যাদেশটিকে আইনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সংসদের প্রথম বৈঠকের ৩০ দিনের মধ্যে বিল আকারে পাস করার বাধ্যবাধকতা ছিল। প্রস্তাবিত বিলটি আইনে পরিণত করা হলে সর্বজনীন ভোটাধিকার নীতি বাস্তবায়ন আরও সহজতর হবে।’

মন্ত্রী বিলটি পাসের জন্য প্রস্তাব করলে স্পিকার তা ভোটে দেন। ডেপুটি স্পিকারের সঞ্চালনায় সংসদ সদস্যদের ‘হ্যাঁ’ ভোটে সর্বসম্মতিক্রমে বিলটি পাস হয়।

উল্লেখ্য, ‘ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯’ সংশোধনের লক্ষ্যে গতবছর ‘ভোটার তালিকা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়েছিল, যা সোমবার পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তরিত হলো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সংসদে ভোটার তালিকা সংশোধন বিল-২০২৬ পাস

আপডেট টাইম : ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে ভোটার তালিকা সংশোধন বিল ২০২৬ উত্থাপনের পর তা পাস হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কণ্ঠভোটে বিলটি পাশ হয়।

সংসদীয় কার্যক্রমের শুরুতেই স্পিকার বিলটির ওপর দফাওয়ারি সংশোধনীগুলো হাউজে উত্থাপন করেন। এ সময় কোনো সংশোধনী না থাকায় বিলের ধারা ২, ৩ ও ৪ এবং শিরোনাম ও প্রস্তাবনাগুলো কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।

বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সর্বজনীন ভোটাধিকার নীতি বাস্তবায়নের স্বার্থে জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ অন্যান্য নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার যৌক্তিক সময় পূর্ব পর্যন্ত যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়, তাদেরও ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ প্রদানের নিমিত্তে এই সংশোধনী আনা হয়েছে।’

আইনমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ‘সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী পূর্ববর্তী অধ্যাদেশটিকে আইনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সংসদের প্রথম বৈঠকের ৩০ দিনের মধ্যে বিল আকারে পাস করার বাধ্যবাধকতা ছিল। প্রস্তাবিত বিলটি আইনে পরিণত করা হলে সর্বজনীন ভোটাধিকার নীতি বাস্তবায়ন আরও সহজতর হবে।’

মন্ত্রী বিলটি পাসের জন্য প্রস্তাব করলে স্পিকার তা ভোটে দেন। ডেপুটি স্পিকারের সঞ্চালনায় সংসদ সদস্যদের ‘হ্যাঁ’ ভোটে সর্বসম্মতিক্রমে বিলটি পাস হয়।

উল্লেখ্য, ‘ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯’ সংশোধনের লক্ষ্যে গতবছর ‘ভোটার তালিকা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়েছিল, যা সোমবার পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তরিত হলো।