ঢাকা , শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিষেধাজ্ঞার মাঝেও চলছে ইলিশ শিকার নতুন বাজেটে প্রবাসী শ্রমিকদের সুখবর দিল মালয়েশিয়া কুমিল্লায় তাজমিন হত্যা: ঘাতক একজনই, ইঙ্গিত তদন্ত কর্মকর্তাদের ঢাকার প্রতিটি ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক অস্ট্রেলিয়ার দুই চলচ্চিত্র উৎসবে ভাবনার ‘কিং ইন দ্য ল্যান্ড অব প্রিন্স দেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার দায় গুপ্ত জামায়াতকে নিতে হবে : শামা ওবায়েদ মাত্র ১ ইউরোতে বিক্রি হলো জিদানের সাবেক ক্লাব প্রতিটি স্কুলে উন্নত কম্পিউটার ল্যাব নিশ্চিত করতে হবে : অর্থমন্ত্রী স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু করলো বাংলালিংক ইংরেজি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে হবে শিক্ষার্থীদের: ববি হাজ্জাজ

খোঁয়াড়ে থাকি তাই ওজন এক কেজি বেড়েছে: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, যখন স্পিকার ছিলাম তখন ওজন ছিল ৬৮ কেজি। আর এই কয়েক বছরে এক কেজি বেড়েছে। কারণ খোঁয়াড়ের মধ্যে (নিরাপত্তা বলয়ে) থাকি তো।
তিনি নিজেকে এখনও এনালগ দাবি করে বলেন, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড এগুলো বুঝতেই পারি না। এগুলো এখনও আমার কাছে ‘আন নোয়িং’ (অপরিচিত)। প্যান্টের পকেট থেকে নিজের মোবাইল ফোন সেট বের করে তিনি দেখান। বলেন, ‘আমার মোবাইলটাও এনালগ। স্মার্টফোন না। স্মার্ট ফোন একটা টিপলে আর একটা আহে’। সাংবাদিকদের প্রতি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ভালোবাসা বেশ পুরনো। যখন তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন তখন থেকেই সাংবাদিকদের প্রতি হৃদ্যতার ছাপ দেখা যায়। সেই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা ২০ মিনিটে সংসদের ৬ষ্ঠ তলায় সংবাদিক লাউঞ্জে আসেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। নিরাপত্তার ঘেরাটোপ পেরিয়ে সাংবাদিকদের কাছে আসেন এবং কিছু সময় অবস্থান করে তাদের খোঁজখবর নেন। কিছু সময় অবস্থান করে ৪টা ৪০ মিনিটে বেরিয়ে যান তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড আমি বুঝি না। আমি টেহাও জমা দেই চেকের মাধ্যমে।’ এ সময় একজন সাংবাদিক বলেন, ‘স্যার সরকার তো ডিজিটাল।’ জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি তো বাবা ডিজিটাল না, এনালগ।’ রাষ্ট্রপতি কুশলাদি বিনিময় করার সময় একজন সাংবাদিক তার জীবনী লেখার কথা জানতে চাইলে বলেন, ‘আমার আগে জিল্লুর সাহেব শেষ করতে পারেন নাই, মারা গেছেন। আমি শুরু করেছি, মরার আগে করতে পারব কিনা দেখি।’
এ সময় তিনি স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে সাংবাদিকের কুশল জানতে চান। সাংবাদিকরাও রাষ্ট্রপতিকে কাছে পেয়ে তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, ‘আমি যখন এখান থেকে যাই, তখন ছিলাম ৬৮ কেজি, এখন ৬৯ কেজি।’ এই কয়েক বছরে এক কেজি বাড়ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এই এক কেজি বাড়ছে খোঁয়াড়ের (নিরাপত্তা বলয়) মধ্যে থাকি তো। খোঁয়াড়ের মধ্যে থাকলে ওজন বাড়ে।’
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

নিষেধাজ্ঞার মাঝেও চলছে ইলিশ শিকার

খোঁয়াড়ে থাকি তাই ওজন এক কেজি বেড়েছে: রাষ্ট্রপতি

আপডেট টাইম : ০২:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুন ২০১৬
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, যখন স্পিকার ছিলাম তখন ওজন ছিল ৬৮ কেজি। আর এই কয়েক বছরে এক কেজি বেড়েছে। কারণ খোঁয়াড়ের মধ্যে (নিরাপত্তা বলয়ে) থাকি তো।
তিনি নিজেকে এখনও এনালগ দাবি করে বলেন, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড এগুলো বুঝতেই পারি না। এগুলো এখনও আমার কাছে ‘আন নোয়িং’ (অপরিচিত)। প্যান্টের পকেট থেকে নিজের মোবাইল ফোন সেট বের করে তিনি দেখান। বলেন, ‘আমার মোবাইলটাও এনালগ। স্মার্টফোন না। স্মার্ট ফোন একটা টিপলে আর একটা আহে’। সাংবাদিকদের প্রতি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ভালোবাসা বেশ পুরনো। যখন তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন তখন থেকেই সাংবাদিকদের প্রতি হৃদ্যতার ছাপ দেখা যায়। সেই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা ২০ মিনিটে সংসদের ৬ষ্ঠ তলায় সংবাদিক লাউঞ্জে আসেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। নিরাপত্তার ঘেরাটোপ পেরিয়ে সাংবাদিকদের কাছে আসেন এবং কিছু সময় অবস্থান করে তাদের খোঁজখবর নেন। কিছু সময় অবস্থান করে ৪টা ৪০ মিনিটে বেরিয়ে যান তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড আমি বুঝি না। আমি টেহাও জমা দেই চেকের মাধ্যমে।’ এ সময় একজন সাংবাদিক বলেন, ‘স্যার সরকার তো ডিজিটাল।’ জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি তো বাবা ডিজিটাল না, এনালগ।’ রাষ্ট্রপতি কুশলাদি বিনিময় করার সময় একজন সাংবাদিক তার জীবনী লেখার কথা জানতে চাইলে বলেন, ‘আমার আগে জিল্লুর সাহেব শেষ করতে পারেন নাই, মারা গেছেন। আমি শুরু করেছি, মরার আগে করতে পারব কিনা দেখি।’
এ সময় তিনি স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে সাংবাদিকের কুশল জানতে চান। সাংবাদিকরাও রাষ্ট্রপতিকে কাছে পেয়ে তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, ‘আমি যখন এখান থেকে যাই, তখন ছিলাম ৬৮ কেজি, এখন ৬৯ কেজি।’ এই কয়েক বছরে এক কেজি বাড়ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এই এক কেজি বাড়ছে খোঁয়াড়ের (নিরাপত্তা বলয়) মধ্যে থাকি তো। খোঁয়াড়ের মধ্যে থাকলে ওজন বাড়ে।’