ঢাকা , সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এক কমলাগাছ থেকে ফারুকের কৃষি সাম্রাজ্য কুমিল্লায় যুবদল নেতা হত্যা মামলায় দুই ভাইয়ের ৭ দিনের রিমান্ড মসলিনের টেকসই উৎপাদন ও বাণিজ্যিক সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়া হবে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন মানবতার এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত : জুবাইদা রহমান বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি ফোনের র‍্যাম বাড়াতে যা করবেন নতুন পে-স্কেলে কত টাকা বকেয়া পাবেন, হিসাব করবেন যেভাবে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ’ খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন সচিব পদে বড় রদবদল, পদোন্নতি, সংযুক্তি বাংলাদেশের ফুটবলকে পরের ধাপে নিতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে ফিফা

বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি

দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সকলকে একতাবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়ে সবসময় অপব্যাখ্যা দেওয়া হয়, অপপ্রচার করা হয়।

তিনি বলেন, আমরা খুব দৃঢ় কণ্ঠে, জোর গলায় বলতে পারি- বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নাই।

রবিবার শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রমনা মন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি সবাইকে দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘শুধু বাংলাদেশেই নয়, সমগ্র পৃথিবীতে যখন অন্যায়, অত্যাচার, নিপীড়ন, নির্যাতন নেমে এসেছিল, তখনই দেবী দুর্গার আবির্ভাব হয়েছিল।’

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, অন্যায়, অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং তা পরাজিত করাই দুর্গাপূজার মূল দর্শন।

তিনি বলেন, এই দেশে বারবার অসুরের আবির্ভাব হয়েছে এবং বাংলাদেশের মানুষ তাদের পরাজিত করেছে।

রমনা কালী মন্দিরের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে এটাকে ধ্বংস করার চেষ্টা হয়েছিল। পরে ১৯৭৩ সালে এটাকে পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে, তাদের হাতেই এই অপকর্ম হয়েছিল।

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, এরপর ২০০১ সালে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে এই রমনা কালী মন্দির পুনঃস্থাপিত হয় এবং তখন থেকেই এটাকে আবার পুরোনো ঐতিহ্যে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়।

এসময় তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর সমাধানে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে বলে আশ্বস্ত করেন রাষ্ট্রপতি।

এসময় তিনি পূজার সফলতা কামনা করেন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনকারীদের ধন্যবাদ জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, রমনা মন্দিরের সভাপতি অপর্ণা রায় দাস ও সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্য।

রমনা মন্দিরের সদস্য সুভাষ চন্দ্র দাস রাষ্ট্রপতিকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

এক কমলাগাছ থেকে ফারুকের কৃষি সাম্রাজ্য

বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি

আপডেট টাইম : ৫২ মিনিট আগে

দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সকলকে একতাবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়ে সবসময় অপব্যাখ্যা দেওয়া হয়, অপপ্রচার করা হয়।

তিনি বলেন, আমরা খুব দৃঢ় কণ্ঠে, জোর গলায় বলতে পারি- বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নাই।

রবিবার শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রমনা মন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি সবাইকে দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘শুধু বাংলাদেশেই নয়, সমগ্র পৃথিবীতে যখন অন্যায়, অত্যাচার, নিপীড়ন, নির্যাতন নেমে এসেছিল, তখনই দেবী দুর্গার আবির্ভাব হয়েছিল।’

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, অন্যায়, অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং তা পরাজিত করাই দুর্গাপূজার মূল দর্শন।

তিনি বলেন, এই দেশে বারবার অসুরের আবির্ভাব হয়েছে এবং বাংলাদেশের মানুষ তাদের পরাজিত করেছে।

রমনা কালী মন্দিরের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে এটাকে ধ্বংস করার চেষ্টা হয়েছিল। পরে ১৯৭৩ সালে এটাকে পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে, তাদের হাতেই এই অপকর্ম হয়েছিল।

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, এরপর ২০০১ সালে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে এই রমনা কালী মন্দির পুনঃস্থাপিত হয় এবং তখন থেকেই এটাকে আবার পুরোনো ঐতিহ্যে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়।

এসময় তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর সমাধানে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে বলে আশ্বস্ত করেন রাষ্ট্রপতি।

এসময় তিনি পূজার সফলতা কামনা করেন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনকারীদের ধন্যবাদ জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, রমনা মন্দিরের সভাপতি অপর্ণা রায় দাস ও সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্য।

রমনা মন্দিরের সদস্য সুভাষ চন্দ্র দাস রাষ্ট্রপতিকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন।