আলোচনাটা অনেক দিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সেটাই সত্যিই হলো। বাংলাদেশের নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক এখন লিটন দাস।
আজ বিকেলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভা শেষে ওয়ানডে অধিনায়ক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। লিটনকে দেওয়া হয় সাদা বলের নেতৃত্বভার। এখন থেকে তিনি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দুই দলকেই নেতৃত্ব দেবেন। লিটন ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত এই সংস্করণে বাংলাদেশের অধিনায়ক থাকছেন। ওয়ানডের সহ-অধিনায়ক করা হয়েছে তাওহীদ হৃদয়কে। টেস্টে নাজমুল হোসেন শান্তই থাকছেন অধিনায়ক।
লিটন ওয়ানডে অধিনায়ক হওয়ায় নেতৃত্ব হারালেন মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজের নেতৃত্বে ২০২৪ থেকে সদ্য সমাপ্ত জিম্বাবুয়ে সিরিজ পর্যন্ত ২৪ ওয়ানডে খেলেছে বাংলাদেশ। জিতেছে ১০ ম্যাচ ও হেরেছে ১৪ ওয়ানডে। ২০২৪ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে এক ওয়ানডে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ওয়ানডে—শান্তর অনুপস্থিতিতে অধিনায়কত্ব করেছেন মিরাজ।
আনুষ্ঠানিকভাবে গত বছরের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কা সিরিজ থেকে এ বছরের জুলাই পর্যন্ত জিম্বাবুয়ে সিরিজ পর্যন্ত মিরাজ বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক ছিলেন। শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান দুই দলের বিপক্ষেই সিরিজ হারে বাংলাদেশ। এর পর থেকে মিরাজের অধিনায়কত্বের জাদু শুরু। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া—ঘরের মাঠে টানা চার ওয়ানডে সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। তবে জিম্বাবুয়ে সফরে গিয়ে টানা পাঁচ আর করতে পারেননি মিরাজ। তাঁর নেতৃত্বে জিম্বাবুয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ হারে বাংলাদেশ।
লিটনের ওয়ানডের অধিনায়কত্ব একেবারে নতুন নয়। এর আগে ২০২২ থেকে ২০২৩ সালে ৭ ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত ১ টেস্ট, ৭ ওয়ানডে ও ৩১ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়কত্ব করেছেন লিটন। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে পেয়ে গেলেন ওয়ানডে দলের নেতৃত্বভার। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ভারত সিরিজ থেকেই লিটনের শুরু হবে সাদা বলের অধিনায়কত্ব। এ বছরের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ-ভারত ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ হওয়ার কথা।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 
























