পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খানকে চিকিৎসাজনিত কারণে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে পর্দার আড়ালে আলোচনা চলছে বলে দাবি করেছে দেশটির সামরিক ও পারিবারিক ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।
৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান গত প্রায় তিন বছর ধরে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দি রয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি, চোখের অস্ত্রোপচারের পর জটিলতা এবং আত্মীয়স্বজন ও আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ সীমিত হয়ে যাওয়ায় পরিবার ও সমর্থকদের উদ্বেগ বেড়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য অবজারভারকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইমরানের দুই ছেলে সুলাইমান ও কাসিম অভিযোগ করেন, তাদের বাবাকে দীর্ঘদিন ধরে বাইরের পৃথিবী থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে। তার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দ জুলফি বুখারিও মানবিক কারণে অবিলম্বে তাকে চিকিৎসার জন্য মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, মুক্তি দেওয়া হলেও এর সঙ্গে দেশত্যাগ, সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে থাকা কিংবা প্রকাশ্যে কোনো বক্তব্য না দেওয়ার মতো শর্ত জুড়ে দেওয়া হতে পারে। ২০১৯ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রেও অনুরূপ সমঝোতা হয়েছিল।
মানবাধিকার আইনজীবী ক্লাইভ স্টাফোর্ড স্মিথের মতে, আপসহীন অবস্থানের জন্য পরিচিত ইমরান খান এমন শর্ত সহজে মেনে নেবেন না। অন্যদিকে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তালাল চৌধুরী দাবি করেছেন, ইমরানের মামলা আদালতের বিষয় এবং মেডিকেল গ্রাউন্ডে তাকে মুক্তি দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। ফলে গুঞ্জন থাকলেও তার মুক্তির বিষয়ে এখনো অনিশ্চয়তাই রয়ে গেছে।
সূত্র: দ্য অবজারভার

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 
























