ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উন্নয়নের নতুন স্বপ্ন দেখছে বগুড়া প্রশাসনের নাকের ডগায় ভুয়া জার্মান ক্লাব বিদেশি ক্লাবের সাইনবোর্ডে রমরমা মাদক ব্যবসা ঢাকা উত্তরে দুই, দক্ষিণে চার নেতা আলোচনায় বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী নয় বছর পর খুলল ওসমানী উদ্যান পদত্যাগের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘সেরা পরামর্শ’ দিয়েছিলেন: ইশরাক ‘ডিআইজির বাড়ি’ বলে অভয় দেওয়া হয় আমন্ত্রিতদের ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুটি নতুন কূপ ম্যাজিস্ট্রেসি ছেড়ে রাজনীতিতে, সালাহউদ্দিনের একাল-সেকাল সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী সাইবার সুরক্ষাসহ গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের পুজো এবার চমকে দেওয়ার মতো। সাবাশ বাংলাদেশ

গত ৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশ নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্যের কারণে আলোচনায় আসা ভারতের বিতর্কিত টেলিভিশন উপস্থাপক ও সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ এবার বাংলাদেশের দুর্গাপূজার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের পুজো এবার চমকে দেওয়ার মতো। সাবাশ বাংলাদেশ!

বৃহস্পতিবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বিশেষ করে চট্টগ্রামের পূজা মণ্ডপগুলোর প্রশংসা করে ময়ূখ রঞ্জন লেখেন, আমাকে সবচেয়ে চমকে দিয়েছে চট্টগ্রাম! কলকাতার সমস্ত পুরস্কার আয়োজকদের একটা করে পুরস্কার রাখা উচিত চট্টগ্রামের পূজাগুলোর জন্য। যদি সম্ভব হয় কুরিয়ার করে এই পূজাগুলোকে সম্মান জানান, ওরা আনন্দিত হবে।

তিনি আরও লেখেন, চট্টগ্রামের পূজাগুলোর মধ্যে আমার চোখে সমানভাবে এক নম্বরে থাকবে— ষোড়শীকুঞ্জ সর্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদ (কোতোয়ালী, চট্টগ্রাম) ও উত্তর কাট্টলী তালুকদার বাড়ি (বাণী মন্দির) প্রাঙ্গণ। তারপরেই থাকবে খলিফাপট্টি ও ব্রজধাম স্মৃতি সংসদসহ বাকিগুলো। যেগুলো মিস করলাম, আমাকে জানান, পরের বার আগে থেকে প্রচার করব।

ডিজিটাল মাধ্যমে পূজা দেখার অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি লেখেন, এ বছর ডিজিটাল মাধ্যমে অনেক প্রতিমা দেখলাম বাংলাদেশে। কোনো এক বছর পায়ে হেঁটে প্যান্ডেল ঘুরব। ওখানে ফুচকা পাওয়া যায়? তাহলে ফুচকা খাব। ক্লান্ত হলে মসলা কোলা। আর কী কী খাওয়া যায়?

ময়মনসিংহের সিঁদুরখেলার প্রসঙ্গ টেনে ময়ূখ রঞ্জন বলেন, ময়মনসিংহের দুর্গাবাড়ি রোডের সিঁদুরখেলার মিছিল দেখে তো আমারই মনে হচ্ছিল ওখানে চলে যাই! দেবের ‘ভজগৌরাঙ্গের নাম রে’ গানের তালে গোটা সনাতনী সমাজ নাচছে! দারুণ! পরের বার চেষ্টা করুন সুপারস্টার দেব যেন লাইভ থাকে, সঙ্গে শাকিব খান। জমে যাবে কিন্তু!

এছাড়া কুমিল্লার পূজা ও রথযাত্রার প্রশংসা করে তিনি লেখেন, কুমিল্লার রথের উৎসব অভূতপূর্ব। তবে থিমের পূজা চোখে পড়েনি, সিলেটেও তাই। মিস করে গেলে আমাকে ট্যাগ করে দেবেন।

সবশেষে তিনি যোগ করেন, খুশির খবর, কুমিল্লার বরুড়া গ্রামে প্রথমবার মায়ের পূজা আবার নতুন করে হলো। একসময় ওই গ্রামে দারুণ করে পূজা হতো। জমি ছেড়ো না। নিজের শিকড় বদলাতে দিয়ো না! ব্যস, এটুকুই!

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

উন্নয়নের নতুন স্বপ্ন দেখছে বগুড়া

বাংলাদেশের পুজো এবার চমকে দেওয়ার মতো। সাবাশ বাংলাদেশ

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে

গত ৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশ নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্যের কারণে আলোচনায় আসা ভারতের বিতর্কিত টেলিভিশন উপস্থাপক ও সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ এবার বাংলাদেশের দুর্গাপূজার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের পুজো এবার চমকে দেওয়ার মতো। সাবাশ বাংলাদেশ!

বৃহস্পতিবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বিশেষ করে চট্টগ্রামের পূজা মণ্ডপগুলোর প্রশংসা করে ময়ূখ রঞ্জন লেখেন, আমাকে সবচেয়ে চমকে দিয়েছে চট্টগ্রাম! কলকাতার সমস্ত পুরস্কার আয়োজকদের একটা করে পুরস্কার রাখা উচিত চট্টগ্রামের পূজাগুলোর জন্য। যদি সম্ভব হয় কুরিয়ার করে এই পূজাগুলোকে সম্মান জানান, ওরা আনন্দিত হবে।

তিনি আরও লেখেন, চট্টগ্রামের পূজাগুলোর মধ্যে আমার চোখে সমানভাবে এক নম্বরে থাকবে— ষোড়শীকুঞ্জ সর্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদ (কোতোয়ালী, চট্টগ্রাম) ও উত্তর কাট্টলী তালুকদার বাড়ি (বাণী মন্দির) প্রাঙ্গণ। তারপরেই থাকবে খলিফাপট্টি ও ব্রজধাম স্মৃতি সংসদসহ বাকিগুলো। যেগুলো মিস করলাম, আমাকে জানান, পরের বার আগে থেকে প্রচার করব।

ডিজিটাল মাধ্যমে পূজা দেখার অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি লেখেন, এ বছর ডিজিটাল মাধ্যমে অনেক প্রতিমা দেখলাম বাংলাদেশে। কোনো এক বছর পায়ে হেঁটে প্যান্ডেল ঘুরব। ওখানে ফুচকা পাওয়া যায়? তাহলে ফুচকা খাব। ক্লান্ত হলে মসলা কোলা। আর কী কী খাওয়া যায়?

ময়মনসিংহের সিঁদুরখেলার প্রসঙ্গ টেনে ময়ূখ রঞ্জন বলেন, ময়মনসিংহের দুর্গাবাড়ি রোডের সিঁদুরখেলার মিছিল দেখে তো আমারই মনে হচ্ছিল ওখানে চলে যাই! দেবের ‘ভজগৌরাঙ্গের নাম রে’ গানের তালে গোটা সনাতনী সমাজ নাচছে! দারুণ! পরের বার চেষ্টা করুন সুপারস্টার দেব যেন লাইভ থাকে, সঙ্গে শাকিব খান। জমে যাবে কিন্তু!

এছাড়া কুমিল্লার পূজা ও রথযাত্রার প্রশংসা করে তিনি লেখেন, কুমিল্লার রথের উৎসব অভূতপূর্ব। তবে থিমের পূজা চোখে পড়েনি, সিলেটেও তাই। মিস করে গেলে আমাকে ট্যাগ করে দেবেন।

সবশেষে তিনি যোগ করেন, খুশির খবর, কুমিল্লার বরুড়া গ্রামে প্রথমবার মায়ের পূজা আবার নতুন করে হলো। একসময় ওই গ্রামে দারুণ করে পূজা হতো। জমি ছেড়ো না। নিজের শিকড় বদলাতে দিয়ো না! ব্যস, এটুকুই!