ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরবরাহ নিশ্চিতে এক লাখ ১০ হাজার টন সার আমদানির অনুমোদন সেচকাজে ডিজেলচালিত পাম্পের পরিবর্তে সৌর বিদ্যুৎচালিত পাম্প দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী আত্মঘাতী হয়ে উঠছে মানুষ জামায়াতের লং মার্চের দাবি আর সংসদের বক্তব্য দ্বিমুখী : চরমোনাই পীর ইসরায়েলের সাথে যুক্তরাজ্যের সামরিক সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি লেবার নেতা করবিনের ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ব্যালন ডি’অর: সুযোগ থাকলে মেসিকে ১০০ বার ভোট দিতেন জিদান রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ নয় শারীরিক অবস্থার অবনতি, লাইফ সাপোর্টে মেঘমল্লার বসু পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ছেলেকে মুক্তি দিয়ে আমাকে জেলে নিন : মাহমুদুর রহমানের মা

ছেলেকে মুক্তি দিয়ে নিজেকে জেলে নেয়ার দাবি করেছেন মাহমুদুর রহমানের মা মাহমুদা বেগম।  প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেছেন, আপনার ব্যক্তিগত জিঘাংসা যদি আমার ছেলেকে দীর্ঘদিন জেলে আটক রেখেও পরিতৃপ্ত না হয়ে থাকে, তাহলে আমাকে জেলে নিয়ে আমার নিরপরাধ সন্তানকে মুক্তি দিন।

শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘আমার দেশ’ পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

মাহমুদা বেগম বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কার্যত বিশ্বের সর্বাপেক্ষা ক্ষমতাশালী সরকারপ্রধান।  তার নির্দেশ ও ইশারা–ইঙ্গিতে রাষ্ট্রের সব স্তম্ভ পরিচালিত হচ্ছে।  তিনি চাইলেই আমাকে কারাগারে নিয়ে


মাহমুদুর রহমানকে মুক্তি দিতে পারেন।

তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়–সংশ্লিষ্ট কোনো ষড়যন্ত্রের সঙ্গে মাহমুদুর রহমান জড়িত নেই।  তার সত্যনিষ্ঠ লেখালেখির কারণে একের পর এক মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা হয়েছে।  ‘মিথ্যা মামলা’ দায়ের প্রসঙ্গে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত করার জন্য প্রধান বিচারপতির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মাহমুদুর রহমানের ওজন ১০ কেজি কমে গেছে দাবি করে মা মাহমুদা বেগম প্রধান বিচারপতির উদ্দেশ্যে বলেন, দয়া করে আমার ছেলেকে বেআইনি আটকাবস্থা থেকে মুক্তির নির্দেশ প্রদান করে এক অসহায় বৃদ্ধা মায়ের হাহাকার দূর করুন।

তিনি বলেন, মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের একজন বিবেকবান মানুষও কি বিশ্বাস করবেন যে, শফিক রেহমান ও মাহমুদুর রহমান মিলে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণের পরিকল্পনা করবেন? দুজনই কি একেবারেই নির্বোধ?

মাহমুদা বেগম বলেন, জয়সহ প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সব সদস্যই এসএসএফ নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন।  সেই ভিভিআইপি নিরাপত্তার মধ্যে অপহরণের কল্পকাহিনঅ কি আদৌ বিশ্বাসযোগ্য, প্রশ্ন রাখেন তিনি?

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কবি ফরহাদ মজহার, আমাদের দেশ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সরবরাহ নিশ্চিতে এক লাখ ১০ হাজার টন সার আমদানির অনুমোদন

ছেলেকে মুক্তি দিয়ে আমাকে জেলে নিন : মাহমুদুর রহমানের মা

আপডেট টাইম : ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ এপ্রিল ২০১৬

ছেলেকে মুক্তি দিয়ে নিজেকে জেলে নেয়ার দাবি করেছেন মাহমুদুর রহমানের মা মাহমুদা বেগম।  প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেছেন, আপনার ব্যক্তিগত জিঘাংসা যদি আমার ছেলেকে দীর্ঘদিন জেলে আটক রেখেও পরিতৃপ্ত না হয়ে থাকে, তাহলে আমাকে জেলে নিয়ে আমার নিরপরাধ সন্তানকে মুক্তি দিন।

শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘আমার দেশ’ পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

মাহমুদা বেগম বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কার্যত বিশ্বের সর্বাপেক্ষা ক্ষমতাশালী সরকারপ্রধান।  তার নির্দেশ ও ইশারা–ইঙ্গিতে রাষ্ট্রের সব স্তম্ভ পরিচালিত হচ্ছে।  তিনি চাইলেই আমাকে কারাগারে নিয়ে


মাহমুদুর রহমানকে মুক্তি দিতে পারেন।

তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়–সংশ্লিষ্ট কোনো ষড়যন্ত্রের সঙ্গে মাহমুদুর রহমান জড়িত নেই।  তার সত্যনিষ্ঠ লেখালেখির কারণে একের পর এক মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা হয়েছে।  ‘মিথ্যা মামলা’ দায়ের প্রসঙ্গে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত করার জন্য প্রধান বিচারপতির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মাহমুদুর রহমানের ওজন ১০ কেজি কমে গেছে দাবি করে মা মাহমুদা বেগম প্রধান বিচারপতির উদ্দেশ্যে বলেন, দয়া করে আমার ছেলেকে বেআইনি আটকাবস্থা থেকে মুক্তির নির্দেশ প্রদান করে এক অসহায় বৃদ্ধা মায়ের হাহাকার দূর করুন।

তিনি বলেন, মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের একজন বিবেকবান মানুষও কি বিশ্বাস করবেন যে, শফিক রেহমান ও মাহমুদুর রহমান মিলে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণের পরিকল্পনা করবেন? দুজনই কি একেবারেই নির্বোধ?

মাহমুদা বেগম বলেন, জয়সহ প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সব সদস্যই এসএসএফ নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন।  সেই ভিভিআইপি নিরাপত্তার মধ্যে অপহরণের কল্পকাহিনঅ কি আদৌ বিশ্বাসযোগ্য, প্রশ্ন রাখেন তিনি?

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কবি ফরহাদ মজহার, আমাদের দেশ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ প্রমুখ।