ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খাবার থেকে শরীরে বাড়ছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে যা বলছে বিজ্ঞান সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী হঠাৎ ৬ মুসলিম দেশের যৌথ সামরিক মহড়া, কী বার্তা দিচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সরকার ও বিএনপিতে বড় রদবদলের আভাস ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সেবা দিতে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল ভুবন ভোলানো হাসিতে মন জয় করা সেই তাহসিন মোদির আমন্ত্রণ রিভিউ করছে ঢাকা বাংলাদেশের নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক লিটন কৃষকের ‘কপাল পুড়িয়ে’ ভেকু দিয়ে খাল খনন খাদ্য নিরাপত্তা-কৃষকের স্বার্থে এগ্রিভোল্টাইক কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে হবে

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন যশোরে গ্রেপ্তার

তিন সহযোগীসহ চট্টগ্রামের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার সকালে যশোরের ধুমধুমপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একটি দল।

যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ধুমধুমপুর এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের একপর্যায়ে তিনি সহযোগীসহ সন্ত্রাসী ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার সবাই শুটার।

আটককৃতরা হলো- চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে ডেভিড ইমন, তার সহযোগী মোহাম্মদ শামীম, মোহাম্মদ সাফায়েত হোসেন ও আলভি ইসলাম আলিপ।

পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জানান, চট্টগ্রাম পুলিশের রিকুইজিশন অনুযায়ী গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার পরে যশোর ডিবি পুলিশ ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের টিম যশোর-ঢাকা মহাসড়কের ঝুমঝুমপুর এলাকায় অবস্থান নেয়। এসময় সেখানে চেকপোস্ট বসিয়ে তিন সঙ্গীসহ ডেভিড ইমনকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা জানিয়েছে, তারা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে যাওয়ার জন্য যশোর এসেছিল।

পুলিশ জানায়, অভিযানে যশোর জেলা পুলিশ ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ যৌথভাবে অংশ নেয়। গ্রেপ্তারের পর মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ইমন বিদেশে পলাতক আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের অন্যতম সহযোগী। তার বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। চট্টগ্রামে দুই বছর ধরে বেশি কিছু চাঁদাবাজি ও হুমকির ঘটনায় তার নাম আলোচনায় আসে।

পুলিশের ভাষ্য, ইমন ১৫ থেকে ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র বহন করেছেন—এমন তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। অস্ত্র ব্যবহারে তিনি দক্ষ। বাকলিয়ার জোড়া খুনের ঘটনায় সন্ত্রাসী ও মোটরসাইকেল ভাড়া করার দায়িত্বও তার ছিল বলে পুলিশের দাবি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

খাবার থেকে শরীরে বাড়ছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে যা বলছে বিজ্ঞান

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন যশোরে গ্রেপ্তার

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে

তিন সহযোগীসহ চট্টগ্রামের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার সকালে যশোরের ধুমধুমপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একটি দল।

যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ধুমধুমপুর এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের একপর্যায়ে তিনি সহযোগীসহ সন্ত্রাসী ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার সবাই শুটার।

আটককৃতরা হলো- চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে ডেভিড ইমন, তার সহযোগী মোহাম্মদ শামীম, মোহাম্মদ সাফায়েত হোসেন ও আলভি ইসলাম আলিপ।

পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জানান, চট্টগ্রাম পুলিশের রিকুইজিশন অনুযায়ী গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার পরে যশোর ডিবি পুলিশ ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের টিম যশোর-ঢাকা মহাসড়কের ঝুমঝুমপুর এলাকায় অবস্থান নেয়। এসময় সেখানে চেকপোস্ট বসিয়ে তিন সঙ্গীসহ ডেভিড ইমনকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা জানিয়েছে, তারা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে যাওয়ার জন্য যশোর এসেছিল।

পুলিশ জানায়, অভিযানে যশোর জেলা পুলিশ ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ যৌথভাবে অংশ নেয়। গ্রেপ্তারের পর মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ইমন বিদেশে পলাতক আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের অন্যতম সহযোগী। তার বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। চট্টগ্রামে দুই বছর ধরে বেশি কিছু চাঁদাবাজি ও হুমকির ঘটনায় তার নাম আলোচনায় আসে।

পুলিশের ভাষ্য, ইমন ১৫ থেকে ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র বহন করেছেন—এমন তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। অস্ত্র ব্যবহারে তিনি দক্ষ। বাকলিয়ার জোড়া খুনের ঘটনায় সন্ত্রাসী ও মোটরসাইকেল ভাড়া করার দায়িত্বও তার ছিল বলে পুলিশের দাবি।