ঢাকা , সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান পর্যটন মন্ত্রীর আমরা মালিক নই, ১৮ কোটি জনগণের সেবক : ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল ঢাকার চারপাশে নৌপথ চালু ও দূষণ রোধের সিদ্ধান্ত টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউসবোট ও পর্যটকবাহী নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা যেভাবে বানাবেন এক কাপ ‘পারফেক্ট’ দুধ চা বিশ্বজয়ী আন্ডারওয়াটার ড্রোন নির্মাতাদের পাশে থাকার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ ফুটবল লিগে খেলতে তিন ক্লাবকে ‘আমন্ত্রণ’ বাফুফের মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব বাংলাদেশের ৩৬ জুলাই উদ্‌যাপনে কনসার্ট ‘বর্ষা বিপ্লবের গান’ রাজনীতি বিভেদ বাড়ায়, আমরা সম্প্রীতির সমাজ চাই: মির্জা ফখরুল

মেয়েরা তোমরা কী চাও

একটা কথা বলব না বলব না করেও না বলে পারছি না। এএফসি কাপ চ্যাম্পিয়ন মেয়েদের নিয়ে ডকুমেন্টারি বানানোর সময় আমরা জিগ্যেস করেছিলাম, মেয়েরা তোমরা কী চাও? ওরা বলেছিল, দুপুরে পেট ভরে খেতে চাই।
আরে, আরো বেশি কিছু চাও।
বেশি করে খাবার দেন, বাসার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভাগ করে খেতে চাই।
এরা ভুটানকে দিয়েছে ডজন খানেক গোল, ভারতকেও হারিয়েছে।কলসিন্দুরের এএফসি কাপ চ্যাম্পিয়ন মেয়েদের প্রথম আলো সামান্য পরিমাণে হলেও নিয়মিত বৃত্তি দেয়।
ওদের প্রধান শিক্ষিকা  বললাম, যারা এএফসি অনূর্ধ ১৪ দলের চ্যাম্পিয়ন, তারা তো যা হোক একটা বৃত্তি পায়, আবার এরা বেগম ফজিলাতুন্নেছা কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, প্রাইমারি স্কুলের মেয়ে। ওদের জন্য তো কিছু করা দরকার।
মিনতি দি চিন্তিত সামনের বারের দল নিয়ে। ওরা কী খাবে? কী পরবে? জুতা পাবে কোথায়? ইউনিফরম?এখন আবারও প্রাইমারি স্কুলের মেয়েরা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কাপ এর প্রিপারেশন নিচ্ছে। বিশটা মেয়ে যদি খেলে, রোজ ত্রিশটাকার নাশতা খায়, মাসে লাগে ১০০০ টাকা, ২০ জন ২০ হাজার টাকা। বছর শেষে ২ লাখ ৪০। এদের ইউনিফরম লাগে। যাতায়াত খরচ লাগে। এরা একেবারেই গারো পাহাড়ের কাছে থাকে। বেশ সংগ্রামী পরিবার থেকে উঠে আসা। আর আগের বারের চ্যাম্পিয়ন আছে ১৭টা মেয়ে।
সব মিলিয়ে লাখ তিনেক চারেক হলে এক বছরের ব্যবস্থা হয়। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি বা কোম্পানি এই বৃত্তিটা দিতে যদি এগিয়ে আসেন, আমি স্কুলের হেড , ফুটবল কোচ মফিজ স্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিতে পারি। মাসে মাসে ত্রিশ হাজার টাকা করে দিতে চাইলে তার ব্যবস্থার তদারকিও করতে পারি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

দেশে নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান পর্যটন মন্ত্রীর

মেয়েরা তোমরা কী চাও

আপডেট টাইম : ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০১৬

একটা কথা বলব না বলব না করেও না বলে পারছি না। এএফসি কাপ চ্যাম্পিয়ন মেয়েদের নিয়ে ডকুমেন্টারি বানানোর সময় আমরা জিগ্যেস করেছিলাম, মেয়েরা তোমরা কী চাও? ওরা বলেছিল, দুপুরে পেট ভরে খেতে চাই।
আরে, আরো বেশি কিছু চাও।
বেশি করে খাবার দেন, বাসার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভাগ করে খেতে চাই।
এরা ভুটানকে দিয়েছে ডজন খানেক গোল, ভারতকেও হারিয়েছে।কলসিন্দুরের এএফসি কাপ চ্যাম্পিয়ন মেয়েদের প্রথম আলো সামান্য পরিমাণে হলেও নিয়মিত বৃত্তি দেয়।
ওদের প্রধান শিক্ষিকা  বললাম, যারা এএফসি অনূর্ধ ১৪ দলের চ্যাম্পিয়ন, তারা তো যা হোক একটা বৃত্তি পায়, আবার এরা বেগম ফজিলাতুন্নেছা কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, প্রাইমারি স্কুলের মেয়ে। ওদের জন্য তো কিছু করা দরকার।
মিনতি দি চিন্তিত সামনের বারের দল নিয়ে। ওরা কী খাবে? কী পরবে? জুতা পাবে কোথায়? ইউনিফরম?এখন আবারও প্রাইমারি স্কুলের মেয়েরা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কাপ এর প্রিপারেশন নিচ্ছে। বিশটা মেয়ে যদি খেলে, রোজ ত্রিশটাকার নাশতা খায়, মাসে লাগে ১০০০ টাকা, ২০ জন ২০ হাজার টাকা। বছর শেষে ২ লাখ ৪০। এদের ইউনিফরম লাগে। যাতায়াত খরচ লাগে। এরা একেবারেই গারো পাহাড়ের কাছে থাকে। বেশ সংগ্রামী পরিবার থেকে উঠে আসা। আর আগের বারের চ্যাম্পিয়ন আছে ১৭টা মেয়ে।
সব মিলিয়ে লাখ তিনেক চারেক হলে এক বছরের ব্যবস্থা হয়। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি বা কোম্পানি এই বৃত্তিটা দিতে যদি এগিয়ে আসেন, আমি স্কুলের হেড , ফুটবল কোচ মফিজ স্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিতে পারি। মাসে মাসে ত্রিশ হাজার টাকা করে দিতে চাইলে তার ব্যবস্থার তদারকিও করতে পারি।