ঢাকা , শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় বেসরকারি খাতে ৬৮ হাজারের বেশি প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থী নিয়োগ ভিসা নীতিমালার খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন রাঙামাটির সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ঘোষণা, বাস্তবায়নে কতটা আশার আলো চাকরিজীবীদের জন্য দুই দফায় মিলবে যে ছুটি প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকার বাইরে রাত না কাটানোর পরামর্শ অলির সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ৩ বাহিনীর জন্য বড় পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  তিনি বলেন, বৃহত্তর বগুড়াতে মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ড্রোন) কারখানা স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। উন্নত ও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক নজরদারী প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে সামারিক বাহিনীর উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ প্রক্রিয়ায় কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপির প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদে সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আগামী ১০ বছরে ৮৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনী আরও প্রযুক্তিনির্ভর, বহুমাত্রিক, আত্মনির্ভর ও যুদ্ধোপযোগী বাহিনীতে পরিণত হবে।  জাতীয় প্রতিরক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। নৌবাহিনীর জন্য আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ এবং সাবমেরিন সংযোজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সামরিক শিল্পাঞ্চল (ডিআইজি) স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে। জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বৈদেশিক নির্ভরতা হ্রাস এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অধিকতর উন্নত সামরিক প্রযুক্তি, ড্রোন প্রযুক্তি, সেন্সর ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক্স এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেছেন, বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নের কার্যক্রমও চলছে। নেত্রকোনা-৫ আসনের জামায়াতে ইসলামীন সংসদ সদস্য (এমপি) মাছুম মোস্তফার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন অগ্রাধিকার পাচ্ছে। তিন বছর এবং সাত বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। কৃষি থেকে শিল্পে রুপান্তর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিবর্তন এআই অভিনেত্রীকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা

হাওর মানুষকে দেখতে মিঠামইন যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ

বাঙ্গালী কণ্ঠ নিউজঃ রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দ্বিতীয় মেয়াদে মঙ্গলবার (২৪ এপ্রিল) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় বঙ্গভবনের দরবার হলে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। পাঁচ বছর আগে ঠিক একই দিন অর্থাৎ ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. আবদুল হামিদ শপথ গ্রহণ করেছিলেন।

মঙ্গলবার দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণের দুই দিন পর শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ নিজ উপজেলা মিঠামইন সফর করবেন। এর আগে বুধবার দুপুর সোয়া ২টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ কে গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে। পরে বিকাল ৩টায় তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বিকাল ৪টায় ধানমন্ডি-৩২ এ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। পরদিন বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম সফরে তিনি গোপালগঞ্জের টুংগীপাড়ায় যাবেন। সেখানে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন।

রাষ্ট্রপতির প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সরোয়ার স্বাক্ষরিত মহামান্য রাষ্ট্রপতির ২৫, ২৬ ও ২৭ এপ্রিল ২০১৮ তারিখের কর্মসূচী সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যমকে জানান, ‘মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। ইতোমধ্যে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।’

রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রধান বিচারপতি, দেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, আইন প্রণেতা, সিনিয়র রাজনীতিক, কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভায় আবদুল হামিদকে দ্বিতীয় দফা রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ আবদুল হামিদের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন এবং রাষ্ট্রপতি ওই মনোনয়নপত্রে সই করেন। পরে তা নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলে ৭ ফেব্রুয়ারি তাঁকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত টানা দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হয়েছেন কেবল মো. আবদুল হামিদ-ই। সংবিধানে সর্বোচ্চ দুইবার রাষ্ট্রপতি পদে থাকার সুযোগ থাকায় এটাই হবে তাঁর শেষ মেয়াদ।রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দ্বিতীয় মেয়াদে মঙ্গলবার (২৪ এপ্রিল) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় বঙ্গভবনের দরবার হলে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। পাঁচ বছর আগে ঠিক একই দিন অর্থাৎ ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. আবদুল হামিদ শপথ গ্রহণ করেছিলেন।

মঙ্গলবার দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণের দুই দিন পর শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ নিজ উপজেলা মিঠামইন সফর করবেন। এর আগে বুধবার দুপুর সোয়া ২টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ কে গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে। পরে বিকাল ৩টায় তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বিকাল ৪টায় ধানমন্ডি-৩২ এ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। পরদিন বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম সফরে তিনি গোপালগঞ্জের টুংগীপাড়ায় যাবেন। সেখানে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন।

রাষ্ট্রপতির প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সরোয়ার স্বাক্ষরিত মহামান্য রাষ্ট্রপতির ২৫, ২৬ ও ২৭ এপ্রিল ২০১৮ তারিখের কর্মসূচী সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যমকে জানান, ‘মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। ইতোমধ্যে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।’

রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রধান বিচারপতি, দেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, আইন প্রণেতা, সিনিয়র রাজনীতিক, কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভায় আবদুল হামিদকে দ্বিতীয় দফা রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ আবদুল হামিদের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন এবং রাষ্ট্রপতি ওই মনোনয়নপত্রে সই করেন। পরে তা নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলে ৭ ফেব্রুয়ারি তাঁকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত টানা দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হয়েছেন কেবল মো. আবদুল হামিদ-ই। সংবিধানে সর্বোচ্চ দুইবার রাষ্ট্রপতি পদে থাকার সুযোগ থাকায় এটাই হবে তাঁর শেষ মেয়াদ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মালয়েশিয়ায় বেসরকারি খাতে ৬৮ হাজারের বেশি প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থী নিয়োগ

হাওর মানুষকে দেখতে মিঠামইন যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ

আপডেট টাইম : ০৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৮

বাঙ্গালী কণ্ঠ নিউজঃ রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দ্বিতীয় মেয়াদে মঙ্গলবার (২৪ এপ্রিল) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় বঙ্গভবনের দরবার হলে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। পাঁচ বছর আগে ঠিক একই দিন অর্থাৎ ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. আবদুল হামিদ শপথ গ্রহণ করেছিলেন।

মঙ্গলবার দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণের দুই দিন পর শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ নিজ উপজেলা মিঠামইন সফর করবেন। এর আগে বুধবার দুপুর সোয়া ২টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ কে গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে। পরে বিকাল ৩টায় তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বিকাল ৪টায় ধানমন্ডি-৩২ এ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। পরদিন বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম সফরে তিনি গোপালগঞ্জের টুংগীপাড়ায় যাবেন। সেখানে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন।

রাষ্ট্রপতির প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সরোয়ার স্বাক্ষরিত মহামান্য রাষ্ট্রপতির ২৫, ২৬ ও ২৭ এপ্রিল ২০১৮ তারিখের কর্মসূচী সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যমকে জানান, ‘মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। ইতোমধ্যে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।’

রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রধান বিচারপতি, দেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, আইন প্রণেতা, সিনিয়র রাজনীতিক, কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভায় আবদুল হামিদকে দ্বিতীয় দফা রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ আবদুল হামিদের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন এবং রাষ্ট্রপতি ওই মনোনয়নপত্রে সই করেন। পরে তা নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলে ৭ ফেব্রুয়ারি তাঁকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত টানা দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হয়েছেন কেবল মো. আবদুল হামিদ-ই। সংবিধানে সর্বোচ্চ দুইবার রাষ্ট্রপতি পদে থাকার সুযোগ থাকায় এটাই হবে তাঁর শেষ মেয়াদ।রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দ্বিতীয় মেয়াদে মঙ্গলবার (২৪ এপ্রিল) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় বঙ্গভবনের দরবার হলে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। পাঁচ বছর আগে ঠিক একই দিন অর্থাৎ ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. আবদুল হামিদ শপথ গ্রহণ করেছিলেন।

মঙ্গলবার দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণের দুই দিন পর শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ নিজ উপজেলা মিঠামইন সফর করবেন। এর আগে বুধবার দুপুর সোয়া ২টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ কে গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে। পরে বিকাল ৩টায় তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বিকাল ৪টায় ধানমন্ডি-৩২ এ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। পরদিন বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম সফরে তিনি গোপালগঞ্জের টুংগীপাড়ায় যাবেন। সেখানে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন।

রাষ্ট্রপতির প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সরোয়ার স্বাক্ষরিত মহামান্য রাষ্ট্রপতির ২৫, ২৬ ও ২৭ এপ্রিল ২০১৮ তারিখের কর্মসূচী সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যমকে জানান, ‘মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। ইতোমধ্যে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।’

রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রধান বিচারপতি, দেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, আইন প্রণেতা, সিনিয়র রাজনীতিক, কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভায় আবদুল হামিদকে দ্বিতীয় দফা রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ আবদুল হামিদের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন এবং রাষ্ট্রপতি ওই মনোনয়নপত্রে সই করেন। পরে তা নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলে ৭ ফেব্রুয়ারি তাঁকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত টানা দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হয়েছেন কেবল মো. আবদুল হামিদ-ই। সংবিধানে সর্বোচ্চ দুইবার রাষ্ট্রপতি পদে থাকার সুযোগ থাকায় এটাই হবে তাঁর শেষ মেয়াদ।